সংবাদদাতা, কাঁথি: রামনগরের জলধা সমুদ্রসৈকত এলাকায় অভিযানে ৪৫টি ‘অলিভ রিডলে’ প্রজাতির কচ্ছপ উদ্ধার করল বনদপ্তর। তবে এরমধ্যে চার-পাঁচটি বেঁচে থাকলেও বাকিগুলি মৃত অবস্থায় ছিল। কচ্ছপ পাচারের চেষ্টার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। ধৃতের নাম সুবিমল জানা। বাড়ি স্থানীয় দেউলি এলাকায়।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলের দিকে সমুদ্রে জলধা ঘাটের কাছে কচ্ছপগুলি ভেসে আসে। অলিভ রিডলে প্রজাতির কচ্ছপগুলি একটু বড় আকৃতির হয়। স্থানীয় চোরাশিকারিরা ওই কচ্ছপগুলির মধ্যে জীবিতদের ধরে বেঁধে রেখেছিল। তাদের অন্যত্র পাচারের উদ্দেশ্য ছিল বলে অভিযোগ। স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে মন্দারমণি কোস্টাল থানার পুলিস ঘটনাস্থলে যায়। শঙ্করপুর বিট অফিস থেকে বনদপ্তরের কর্মীরা এলাকায় যান। সেইসময় উদ্ধার হওয়া কচ্ছপগুলি একাধিক ব্যক্তি অন্যত্র পাচারের চেষ্টা করছিল বলে অভিযোগ। পুলিসের সহায়তায় বনদপ্তরের কর্মীরা তল্লাশি অভিযান চালিয়ে ৪৫টি কচ্ছপ উদ্ধার করেন। একজনকে ধরা হয়। তবে বাকিরা পালিয়ে যায়। পরে বনদপ্তরের তরফে মামলা রুজু করে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিস্তারিত জানতে ধৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়েছে। মৃত কচ্ছপগুলি ময়নাতদন্তের পর সমুদ্রতটে পুঁতে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। জীবিত কচ্ছপগুলিকে দ্রুত সমুদ্রে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে বনদপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে।
মৎস্যজীবীরা জানিয়েছেন, প্রতি বছর শীতের মরশুমে সমুদ্রের ঢেউয়ে ভেসে আসে কচ্ছপের দল। তবে এবার সংখ্যাটা অনেক বেশি। কোথা থেকে কেন, এত সংখ্যক কচ্ছপ ভেসে এসেছিল, সেগুলি কীভাবে মারা গেল, সেটা খতিয়ে দেখছে বনদপ্তর। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ পরিষ্কার হবে। বিভাগীয় বনাধিকারিক দীপক মণ্ডল বলেন, সবকিছুই আমরা জানার চেষ্টা করছি। এই ঘটনার পর সমুদ্রতীরে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে।
মৎস্যজীবীরা জানিয়েছেন, প্রতি বছর শীতের মরশুমে সমুদ্রের ঢেউয়ে ভেসে আসে কচ্ছপের দল। তবে এবার সংখ্যাটা অনেক বেশি। কোথা থেকে কেন, এত সংখ্যক কচ্ছপ ভেসে এসেছিল, সেগুলি কীভাবে মারা গেল, সেটা খতিয়ে দেখছে বনদপ্তর। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ পরিষ্কার হবে। বিভাগীয় বনাধিকারিক দীপক মণ্ডল বলেন, সবকিছুই আমরা জানার চেষ্টা করছি। এই ঘটনার পর সমুদ্রতীরে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে।



