নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে কলেজ ছাত্রীকে সংজ্ঞাহীন করে গণধর্ষণের ঘটনায় চার্জশিট জমা দিল পুলিস। ওই ঘটনায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি সহ মোট সাতজনের বিরুদ্ধে এফআইআর হয়েছিল। ঘটনায় ওই জেলা সভাপতিকে বাদ রেখে বাকি ছ’জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা পড়েছে। টিএমসিপি জেলা সভাপতি শতদল বেরার নাম চার্জশিটে না থাকায় তিনি ওই মামলা থেকে নিজের নাম খারিজ করার আর্জি জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। ছাত্র সংগঠনের কাঁথি সাংগঠনিক জেলা সভাপতির নাম বাদ পড়ার ঘটনায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হয়েছে বলে নির্যাতিতা ছাত্রীর দাবি। যদিও শতদলের দাবি, ঘটনার দিন তিনি কলকাতায় ছিলেন। ২১ জুলাই উপলক্ষ্যে ২০ তারিখ কলকাতা পৌঁছে গিয়েছিলেন। রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করে তাঁর নাম ওই কেসে জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
নির্যাতিতা ওই ছাত্রীর বাড়ি এগরা শহরে। তিনি রামনগর কলেজে মৎস্য বিষয়ে পড়াশোনা করেন। ওই কলেজের এক ছাত্রের সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। ওই ছাত্র একটি মেসে থাকেন। যদিও মেয়েটির বাড়ির লোকজন ওই সম্পর্ক মেনে নেননি। ২০২৪ সালে ৩১ জানুয়ারি কলেজের ছাত্রনেতারা দাঁড়িয়ে থেকে দু’জনের বিয়ে দেন। বিয়ের পর দু’জনে একটি মেস ভাড়া করে থাকতেন। গত ১৯ জুলাই ওই মেসে অভিযুক্ত ছাত্রনেতারা হাজির হয়। নিজেরা দাঁড়িয়ে থেকে বিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে ভোজের দাবি করে। ওই রাতে এক ছাত্রনেতা ওই ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করে বলে অভিযোগ।
তারপর ২০ জুলাই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ওই কলেজ ইউনিটের ছ’-সাতজন দলবেঁধে ওই মেসে হাজির হয়। রাতে মদ ও মাংসের আসর বসে। ছাত্রনেতাদের সঙ্গে ওই মেসবাড়ির মালিকের জামাইও আসরে যোগ দেয়। মদের আসর বসানোর বিরুদ্ধে ওই কলেজ পড়ুয়া দম্পতি আপত্তি করলেও তাঁদের গালিগালাজ করা হয় বলে অভিযোগ। ওই ছাত্রী এবং তাঁর স্বামীকে মাদক মেশানো পানীয় খাইয়ে সংজ্ঞাহীন করা হয় বলে অভিযোগ। তাতে দু’জনেই বেহুঁশ হয়ে পড়েন। অভিযোগ, সেই রাতে ওই ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হন। মেসের বারান্দায় নগ্ন অবস্থায় ওই ছাত্রী পড়েছিলেন। ভোর রাত ৩টা নাগাদ তাঁর স্বামীর জ্ঞান ফিরলে স্ত্রীকে ওই অবস্থায় উদ্ধার করেন। তারপর কাঁথি মহিলা থানায় এনিয়ে এফআইআর হয়। পুলিস অভিযুক্তদের দু’জনকে গ্রেপ্তার করে। ওই ঘটনায় ২১ জানুয়ারি কাঁথি আদালতে চার্জশিট জমা পড়েছে। তাতে টিএমসিপি-র জেলা সভাপতি শতদল বেরার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। চার্জশিটে বাকি ছ’জনের নাম রয়েছে। ওই ছ’জনের মধ্যে একজন মেস বাড়ির মালিকের জামাই। বাকিরা রামনগর কলেজের ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিত।
কাঁথি আদালতের অ্যাসিস্ট্যান্ট পাবলিক প্রসিকিউটর মঞ্জুর রহমান খান বলেন, রামনগর কলেজের ছাত্রী গণধর্ষণের ঘটনায় কোর্টে চার্জশিট জমা পড়েছে। মোট সাতজনের বিরুদ্ধে এফআইআর হয়েছিল। পুলিস শতদল বেরা বাদে বাকি ছ’জনের নামে চার্জশিট দিয়েছে। শতদল বেরার ভূমিকা থাকলে সাপ্লিমিন্টারি চার্জশিট দেবে বলে পুলিস নোট দিয়েছে।
এনিয়ে টিএমসিপি-র জেলা সভাপতি শতদল বেরা বলেন, আমি ওই ঘটনার সময় কলকাতায় ছিলাম। আমার ফোনের টাওয়ার লোকেশন সহ ওইদিন কলকাতায় নেতৃত্বের সঙ্গে আমার ছবি সব তথ্য রয়েছে। ষড়যন্ত্র করে আমার নাম ওই কেসে জড়ানো হয়েছে। এই মামলা থেকে আমার নাম বাদ দেওয়ার জন্য কোর্টে আবেদন করেছি।
তারপর ২০ জুলাই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ওই কলেজ ইউনিটের ছ’-সাতজন দলবেঁধে ওই মেসে হাজির হয়। রাতে মদ ও মাংসের আসর বসে। ছাত্রনেতাদের সঙ্গে ওই মেসবাড়ির মালিকের জামাইও আসরে যোগ দেয়। মদের আসর বসানোর বিরুদ্ধে ওই কলেজ পড়ুয়া দম্পতি আপত্তি করলেও তাঁদের গালিগালাজ করা হয় বলে অভিযোগ। ওই ছাত্রী এবং তাঁর স্বামীকে মাদক মেশানো পানীয় খাইয়ে সংজ্ঞাহীন করা হয় বলে অভিযোগ। তাতে দু’জনেই বেহুঁশ হয়ে পড়েন। অভিযোগ, সেই রাতে ওই ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হন। মেসের বারান্দায় নগ্ন অবস্থায় ওই ছাত্রী পড়েছিলেন। ভোর রাত ৩টা নাগাদ তাঁর স্বামীর জ্ঞান ফিরলে স্ত্রীকে ওই অবস্থায় উদ্ধার করেন। তারপর কাঁথি মহিলা থানায় এনিয়ে এফআইআর হয়। পুলিস অভিযুক্তদের দু’জনকে গ্রেপ্তার করে। ওই ঘটনায় ২১ জানুয়ারি কাঁথি আদালতে চার্জশিট জমা পড়েছে। তাতে টিএমসিপি-র জেলা সভাপতি শতদল বেরার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। চার্জশিটে বাকি ছ’জনের নাম রয়েছে। ওই ছ’জনের মধ্যে একজন মেস বাড়ির মালিকের জামাই। বাকিরা রামনগর কলেজের ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিত।
কাঁথি আদালতের অ্যাসিস্ট্যান্ট পাবলিক প্রসিকিউটর মঞ্জুর রহমান খান বলেন, রামনগর কলেজের ছাত্রী গণধর্ষণের ঘটনায় কোর্টে চার্জশিট জমা পড়েছে। মোট সাতজনের বিরুদ্ধে এফআইআর হয়েছিল। পুলিস শতদল বেরা বাদে বাকি ছ’জনের নামে চার্জশিট দিয়েছে। শতদল বেরার ভূমিকা থাকলে সাপ্লিমিন্টারি চার্জশিট দেবে বলে পুলিস নোট দিয়েছে।
এনিয়ে টিএমসিপি-র জেলা সভাপতি শতদল বেরা বলেন, আমি ওই ঘটনার সময় কলকাতায় ছিলাম। আমার ফোনের টাওয়ার লোকেশন সহ ওইদিন কলকাতায় নেতৃত্বের সঙ্গে আমার ছবি সব তথ্য রয়েছে। ষড়যন্ত্র করে আমার নাম ওই কেসে জড়ানো হয়েছে। এই মামলা থেকে আমার নাম বাদ দেওয়ার জন্য কোর্টে আবেদন করেছি।



