নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: ফেসবুকে ‘রিলস’ বানাতে গিয়ে পুলিসের জালে ধরা পড়ল অনলাইন প্রতারণা চক্রের মূল পান্ডা। মঙ্গলবার বিকেলে কলকাতা থেকে নিতাই মাইতি নামে ওই প্রতারককে বাঁকুড়া পুলিস গ্রেপ্তার করে। নিতাই গাড়ি কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে প্রতারণা করত। তাকে জেরা করে তার তিন শাগরেদকে পুলিস গ্রেপ্তার করেছে। বুধবার বাঁকুড়ার পুলিস সুপার বৈভব তেওয়ারি সাংবাদিক সম্মেলন করে বিষয়টি জানান।
Advertisement
পুলিস সুপার বলেন, ৯ লক্ষ ২০ হাজার টাকার জাল ডিমান্ড ড্রাফ্ট দিয়ে ছাতনার ঝাঁটিপাহাড়ী এলাকার বাসিন্দা এক যুবকের একটি গাড়ি গায়েব করা হয়েছিল। ওই ঘটনায় আমরা আগেই উত্তর ২৪ পরগনা থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করি। দত্তপুকুর এলাকা থেকে গাড়িটিও উদ্ধার করা হয়। ধৃতদের জেরা করে নিতাইয়ের নাম জানা যায়। ছাতনার পর একই কায়দায় অশোকনগর এলাকার একটি দামি বাইকও নিতাই গায়েব করে। তারপর সে গা ঢাকা দেয়। অনেক চেষ্টা করেও নিতাইয়ের নাগাল পাওয়া যাচ্ছিল না। প্রতিবার অপরাধ সংগঠিত করার পর নিতাই ও তার শাগরেদরা মোবাইলের সিম বদলে ফেলত।
মঙ্গলবার নিতাই ফেসবুকে ‘রিলস’ আপলোড করে। সে কিছুক্ষণ ফেসবুক লাইভও করেছিল। সেই সূত্র ধরে তদন্তকারী আধিকারিক বাহিনী নিয়ে নিতাইয়ের ডেরায় পৌঁছে যান। তাকে সেখান থেকে গ্রেপ্তার করে। নিতাইয়ের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার সুরশুনা এলাকায়। নিতাইকে জেরা করে ওই জেলারই অর্জুন মণ্ডল, সুশান্ত মণ্ডল ও চন্দন দে’কে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই ঘটনায় আগেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিস। ফলে এখনও পর্যন্ত মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হল। আর কেউ আন্তঃজেলা ওই প্রতারণা চক্রের সঙ্গে জড়িত রয়েছে কি না, তা পুলিস খতিয়ে দেখছে। ধৃতদের কাছ থেকে আটটি মোবাইল ফোন ও একটি জাল দলিল উদ্ধার হয়েছে।
পুলিস সুপার বলেন, বাঁকুড়ার আগে অন্যান্য জেলাতেও ‘সেকেন্ড হ্যান্ড’ গাড়ি কেনার নাম করে অনেকের সঙ্গে ধৃতরা প্রতারণা করেছিল। সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিসের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করেছি। ধৃতদের জেরা করতে ভিন জেলার পুলিস বাঁকুড়ায় আসতে পারে।
উল্লেখ্য, মাসখানেক আগে ঝাঁটিপাহাড়ীর বাসিন্দা ওই যুবক তাঁর গাড়িটি বিক্রি করবেন জানিয়ে পুরনো সামগ্রী কেনাবেচার একটি অনলাইন অ্যাপে বিজ্ঞাপন দেন। তা দেখে কলকাতার বাসিন্দা পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি যোগাযোগ করে। সে এক গাড়ি চালকের হাতে ওই জাল ডিমান্ড ড্রাফট্ দিয়ে বাঁকুড়ায় পাঠায়। পরিবহণ দপ্তরে মালিকানা সংক্রান্ত নথিপত্র পরিবর্তন না করেই ঝাঁটিপাহাড়ীর ওই যুবকের কাছ থেকে ৯ লক্ষ টাকার গাড়িটি প্রতারকরা কলকাতায় নিয়ে যায়। বাজারদরের চেয়ে বেশি দাম পেয়ে বিক্রেতাও পরে নথি পরিবর্তনের ব্যাপারে রাজি হয়ে যান। কিন্তু, এভাবে যে পুরো গাড়িটিই হারাতে বসছেন, তা ওই যুবক টের পাননি। পরে ব্যাঙ্কে ডিমান্ড ড্রাফ্ট জমা দিতে গিয়ে তিনি প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পারেন।
অভিযোগ পেয়ে পুলিস তদন্তে নামে। দত্তপুকুর এলাকার একটি গ্যারেজ থেকে পুলিস গাড়িটি উদ্ধারের পাশাপাশি শেখ সেলিম নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে। পরে সেলিমকে জেরা করে পুলিস সমীর মণ্ডল ও গৌরীশঙ্কর বক্সি নামে আরও দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছিল। চক্রের মূল পান্ডা নিতাই ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা এতদিন অধরা ছিল। কিন্তু, সোশ্যাল মিডিয়ার মায়া ছাড়তে না পারাই নিতাইয়ের কাল হল।
মঙ্গলবার নিতাই ফেসবুকে ‘রিলস’ আপলোড করে। সে কিছুক্ষণ ফেসবুক লাইভও করেছিল। সেই সূত্র ধরে তদন্তকারী আধিকারিক বাহিনী নিয়ে নিতাইয়ের ডেরায় পৌঁছে যান। তাকে সেখান থেকে গ্রেপ্তার করে। নিতাইয়ের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার সুরশুনা এলাকায়। নিতাইকে জেরা করে ওই জেলারই অর্জুন মণ্ডল, সুশান্ত মণ্ডল ও চন্দন দে’কে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই ঘটনায় আগেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিস। ফলে এখনও পর্যন্ত মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হল। আর কেউ আন্তঃজেলা ওই প্রতারণা চক্রের সঙ্গে জড়িত রয়েছে কি না, তা পুলিস খতিয়ে দেখছে। ধৃতদের কাছ থেকে আটটি মোবাইল ফোন ও একটি জাল দলিল উদ্ধার হয়েছে।
পুলিস সুপার বলেন, বাঁকুড়ার আগে অন্যান্য জেলাতেও ‘সেকেন্ড হ্যান্ড’ গাড়ি কেনার নাম করে অনেকের সঙ্গে ধৃতরা প্রতারণা করেছিল। সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিসের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করেছি। ধৃতদের জেরা করতে ভিন জেলার পুলিস বাঁকুড়ায় আসতে পারে।
উল্লেখ্য, মাসখানেক আগে ঝাঁটিপাহাড়ীর বাসিন্দা ওই যুবক তাঁর গাড়িটি বিক্রি করবেন জানিয়ে পুরনো সামগ্রী কেনাবেচার একটি অনলাইন অ্যাপে বিজ্ঞাপন দেন। তা দেখে কলকাতার বাসিন্দা পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি যোগাযোগ করে। সে এক গাড়ি চালকের হাতে ওই জাল ডিমান্ড ড্রাফট্ দিয়ে বাঁকুড়ায় পাঠায়। পরিবহণ দপ্তরে মালিকানা সংক্রান্ত নথিপত্র পরিবর্তন না করেই ঝাঁটিপাহাড়ীর ওই যুবকের কাছ থেকে ৯ লক্ষ টাকার গাড়িটি প্রতারকরা কলকাতায় নিয়ে যায়। বাজারদরের চেয়ে বেশি দাম পেয়ে বিক্রেতাও পরে নথি পরিবর্তনের ব্যাপারে রাজি হয়ে যান। কিন্তু, এভাবে যে পুরো গাড়িটিই হারাতে বসছেন, তা ওই যুবক টের পাননি। পরে ব্যাঙ্কে ডিমান্ড ড্রাফ্ট জমা দিতে গিয়ে তিনি প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পারেন।
অভিযোগ পেয়ে পুলিস তদন্তে নামে। দত্তপুকুর এলাকার একটি গ্যারেজ থেকে পুলিস গাড়িটি উদ্ধারের পাশাপাশি শেখ সেলিম নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে। পরে সেলিমকে জেরা করে পুলিস সমীর মণ্ডল ও গৌরীশঙ্কর বক্সি নামে আরও দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছিল। চক্রের মূল পান্ডা নিতাই ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা এতদিন অধরা ছিল। কিন্তু, সোশ্যাল মিডিয়ার মায়া ছাড়তে না পারাই নিতাইয়ের কাল হল।



