নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: রেল উচ্চপদস্থ আধিকারিক প্রীতি ম্যাডামের ফোন পেলেই দিন বদলের স্বপ্ন দেখতেন বহু চাকরিপ্রার্থী। তার হাতেই নাকি বাঁধা রেলের চাকরির চাবিকাঠি! হিন্দি ও ইংরেজি ভাষায় কথা বলতে পারদর্শী প্রীতি পরীক্ষার্থীদের ফোন করে চাকরি হওয়ার কথা দিলেই, আনন্দে গদগদ চাকরিপ্রার্থীরা টাকা দিয়ে দিতেন। তার সঙ্গে কথা বললে নাকি চাকরি নিয়ে সব বিভ্রান্তি কেটে যায়। চাকরিপ্রার্থীরা ঘুণাক্ষরেও টের পেতেন না যে, এই প্রীতি ম্যাডাম আসলে জালিয়াতচক্রের মক্ষীরানি।
Advertisement
আসানসোলের এই যুবতী কথার জালে ফাঁসিয়ে চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা লুট করেছেন। চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা করতে গিয়ে হুগলির বলাগড় থানায় একবার গ্রেপ্তারও হয় এই স্মার্ট যুবতী। তিন মাস জেল খেটে বের হওয়ার পর স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে ‘বান্টি-বাবলি’ স্টাইলে ফের প্রতারণার কাজে নেমে পড়ে। তার কথা জালে কাবু হয়েছেন মুম্বই, পাটনা, ধানবাদ সহ উত্তরপ্রদেশের বহু শহরের চাকরিপ্রার্থীরা। পুলিস উত্তরপ্রদেশের লখনউ থেকে প্রীতি অরোরা ও তার স্বামী দীনেশ কুমারকে গ্রেপ্তার করেছে। বুধবার অভিযুক্তদের আসানসোল আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের ১০ দিনের পুলিস হেফাজত মঞ্জুর করেছেন। ডিসি ধ্রুব দাস বলেন, শুধু ভুয়ো চাকরি দেওয়াই নয়, চাকরি দিয়ে এই চক্র কয়েকমাস প্রতারিতদের বেতনও দিত।
গত মাসেই আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিস কমিশনারেটের কাছে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আসে। মুম্বইয়ের এক চাকরিপ্রার্থী পুলিসের কাছে রেলের চাকরি নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ করে। তদন্তে নেমে এই চক্রের অন্যতম পান্ডা হরেন্দ্রকুমার সিংকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। তাঁর থেকে রেলের আধিকারিকদের বহু নকল স্ট্যাম্প, প্রশ্নপত্র ও নিয়োগপত্র উদ্ধার হয়। তদন্তে নেমে পুলিস হদিশ পায় এক ভুয়ো মহিলা রেল আধিকারিকের। যার সঙ্গে কথা বলেই চাকরি প্রার্থীরা আশ্বস্ত হতেন যে, তাঁরা সঠিক জায়গায় টাকা দিচ্ছেন। তারপর থেকেই প্রীতি ম্যাডামের খোঁজ শুরু করে পুলিস। তদন্তে করে তারা জানতে পারে, আসানসোলে সংসার পেতেছে প্রীতি অরোরা ওরফে সীমা শর্মা। তার একটি পুত্র সন্তানও রয়েছে। কিন্তু হরেন্দ্র গ্রেপ্তার হওয়ার পরই সে গা ঢাকা দিয়েছে। পুলিস তদন্তে আরও জানতে পারে, রেলে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণার অভিযোগে সে আগে বলাগড় থানায় গ্রেপ্তারও হয়েছে। তিনমাস জেল খেটে আরও পোক্ত হয়ে স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে দেশজুড়ে প্রতারণার জাল ছড়িয়ে দিয়েছে সে। অভিযোগ, তার স্বামীর দীনেশের কাজ ছিল শিকার ধরা। তিনি চাকরিপ্রার্থীদের আশ্বস্ত করতেন, প্রীতি ম্যাডাম সবুজ সংকেত দিলে চাকরি নিশ্চিত। তার কিছুদিন পর আসত প্রীতি ম্যাডামের ফোন। চাকরিপ্রার্থীদের মূল মগজ ধোলাইয়ের কাজটি করত প্রীতি।
পুলিসের দাবি, হোটেলের ঘরেই ভুয়ো ওএমআরশিটের মাধ্যমে চাকরির পরীক্ষা নেওয়া হতো। তারপরই দেওয়া হতো নিয়োগপত্র। এমনকী বিভিন্ন রেলের হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভুয়ো মেডিক্যাল পরীক্ষাও করা হতো। তারপর বিভিন্ন ছোট স্টেশনে বা রেল গেটে রক্ষীর ভুয়ো কাজ দেওয়া হতো। কয়েক মাস প্রতারকরা বেতনও দিত। তারপরই হঠাৎ সব বন্ধ করে দেওয়া হতো। এভাবেই এক একজন শিকারের থেকে ১০-১২ লক্ষ টাকা করে লুট করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
গত মাসেই আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিস কমিশনারেটের কাছে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আসে। মুম্বইয়ের এক চাকরিপ্রার্থী পুলিসের কাছে রেলের চাকরি নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ করে। তদন্তে নেমে এই চক্রের অন্যতম পান্ডা হরেন্দ্রকুমার সিংকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। তাঁর থেকে রেলের আধিকারিকদের বহু নকল স্ট্যাম্প, প্রশ্নপত্র ও নিয়োগপত্র উদ্ধার হয়। তদন্তে নেমে পুলিস হদিশ পায় এক ভুয়ো মহিলা রেল আধিকারিকের। যার সঙ্গে কথা বলেই চাকরি প্রার্থীরা আশ্বস্ত হতেন যে, তাঁরা সঠিক জায়গায় টাকা দিচ্ছেন। তারপর থেকেই প্রীতি ম্যাডামের খোঁজ শুরু করে পুলিস। তদন্তে করে তারা জানতে পারে, আসানসোলে সংসার পেতেছে প্রীতি অরোরা ওরফে সীমা শর্মা। তার একটি পুত্র সন্তানও রয়েছে। কিন্তু হরেন্দ্র গ্রেপ্তার হওয়ার পরই সে গা ঢাকা দিয়েছে। পুলিস তদন্তে আরও জানতে পারে, রেলে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণার অভিযোগে সে আগে বলাগড় থানায় গ্রেপ্তারও হয়েছে। তিনমাস জেল খেটে আরও পোক্ত হয়ে স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে দেশজুড়ে প্রতারণার জাল ছড়িয়ে দিয়েছে সে। অভিযোগ, তার স্বামীর দীনেশের কাজ ছিল শিকার ধরা। তিনি চাকরিপ্রার্থীদের আশ্বস্ত করতেন, প্রীতি ম্যাডাম সবুজ সংকেত দিলে চাকরি নিশ্চিত। তার কিছুদিন পর আসত প্রীতি ম্যাডামের ফোন। চাকরিপ্রার্থীদের মূল মগজ ধোলাইয়ের কাজটি করত প্রীতি।
পুলিসের দাবি, হোটেলের ঘরেই ভুয়ো ওএমআরশিটের মাধ্যমে চাকরির পরীক্ষা নেওয়া হতো। তারপরই দেওয়া হতো নিয়োগপত্র। এমনকী বিভিন্ন রেলের হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভুয়ো মেডিক্যাল পরীক্ষাও করা হতো। তারপর বিভিন্ন ছোট স্টেশনে বা রেল গেটে রক্ষীর ভুয়ো কাজ দেওয়া হতো। কয়েক মাস প্রতারকরা বেতনও দিত। তারপরই হঠাৎ সব বন্ধ করে দেওয়া হতো। এভাবেই এক একজন শিকারের থেকে ১০-১২ লক্ষ টাকা করে লুট করা হয়েছে বলে অভিযোগ।



