Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রেলের বঞ্চনার প্রতিবাদে নাগরিক মঞ্চের আন্দোলনের প্রস্তুতি তুঙ্গে

রেলের বঞ্চনার প্রতিবাদে নাগরিক মঞ্চের আন্দোলনের প্রস্তুতি তুঙ্গে
  • ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: এবার রেলের বঞ্চনার প্রতিবাদে বড়সড় আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিল মুরারই নাগরিক মঞ্চ। সেই মতো ই-মেল মারফত রেল বোর্ড ও জিএমের কাছে গণস্বাক্ষরিত স্মারকলিপি দিল তাঁরা। তাতে লেখা হয়েছে, একমাসের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে নাগরিক মঞ্চ। প্রয়োজনে লাইনে নেমে রেল অবরোধও করতে পারে তারা।  
Advertisement
করোনা ও তার জেরে লকডাউনে ধাক্কা খেয়েছিল ট্রেন চলাচল। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ধীরে ধীরে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। কিন্তু কোভিড কালে বন্ধ হওয়া বর্ধমান-সাহেবগঞ্জ রুটের পাঁচ জোড়া ট্রেন আজও চালু করেনি রেল। তাতেই চরম দূর্ভোগে পড়েছেন ওই সকল রুটে চলাচলকারী যাত্রীরা। একদিকে যেমন অন্য ট্রেনে বাড়তি চাপ বেড়েছে অন্যদিকে বিকল্প হিসেবে চলাচল করতে গিয়ে বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে নিম্নআয়ের যাত্রীদের। মুরারই নাগরিক মঞ্চের অভিযোগ, বারানসী এক্সপ্রেস, বর্ধমান-মালদা লোকাল, দানাপুর ফার্স্ট প্যাসেঞ্জার, বারহাড়োয়া, শিয়ালদহ বামদেব প্যাসেঞ্জার ও রামপুরহাট-সাহেবগঞ্জ লোকাল ধরে মুরারই ছাড়াও মুর্শিদাবাদ ও ঝাড়খণ্ডের  শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, হকার সহ হাজার হাজার যাত্রী তাদের দৈনন্দিন কাজকর্মের জন্য যাতায়াত করত। কিন্তু করোনা কালে এই পাঁচজোড়া ট্রেন তুলে নেওয়া হলেও আজও চালু হয়নি। যার জেরে কয়েক হাজার যাত্রী সমস্যায় পড়েছেন। 
নাগরিক মঞ্চের সভাপতি মহম্মদ আতাউর রহমান বলেন, এই স্টেশনে এক্সপ্রেস ট্রেন বলতে হাওড়া-মালদহ ইন্টারসিটি এবং কলকাতা-বালুরঘাট তেভাগা এক্সপ্রেসের স্টপেজ রয়েছে। শিয়ালদহ যাওয়ার কোনও গাড়ি নেই। আমাদের দাবি, হাওড়া-সাহেবগঞ্জ ইন্টারসিটি এবং হাওড়া-রাধিকাপুর কুলিক এক্সপ্রেসের স্টপেজ দিতে হবে। সেই সঙ্গে শিয়ালদহ-বেনারস এক্সপ্রেস ট্রেনটি আবার চালু করার দাবি রয়েছে। 
এর আগেও গত ৬ আগস্ট ওই সমস্ত ট্রেন চালু ও স্টপেজ সহ ১১ দফা দাবিতে দীর্ঘক্ষণ রেল অবরোধ করে নাগরিক মঞ্চ। ওইদিন রেলের পক্ষ থেকে আশ্বাস পাওয়ার পর অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। কিন্তু তারপর কয়েকমাস কেটে গেলেও সেই দাবি পূরণ হয়নি। 
আতাউর সাহেব বলেন, দীর্ঘদিন থেকেই অবহেলিত মুরারই স্টেশন। রেলের এই বঞ্চনার প্রতিবাদেই আমরা আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। তার আগে রেলবোর্ড এবং জিএমের কাছে গণসাক্ষরিত স্মারকলিপি পাঠানো হল। আশা করি রেল কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবেন। আমরা একমাস সময় দিয়েছি।
সম্পর্কিত সংবাদ