নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ ও সংবাদদাতা, পতিরাম ও গঙ্গারামপুর: রেলপথে এবার জুড়তে চলেছে দুই দিনাজপুর। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুর থেকে উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ এবার জুড়ে যাবে রেলপথে। কারণ নতুন রেল ট্র্যাক বসবে বুনিয়াদপুর থেকে কালিয়াগঞ্জ পর্যন্ত।
Advertisement
রেলমন্ত্রকের তরফে মিলেছে সবুজ সংকেত। শীঘ্রই ওই প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হবে। এমনটা জানিয়ে বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার ও রায়গঞ্জের সাংসদ কার্তিক পালকে চিঠি দিয়েছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।
রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, বালুরঘাট থেকে কামারপাড়া পর্যন্ত ১৩.৮ কিমি রেললাইনের চূড়ান্ত টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে। বাকি কামারপাড়া থেকে হিলি ১৫.২ কিমি জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শেষ করার জন্য রেলমন্ত্রক দ্রুত কাজ করছে। বিষয়টি জানাজানি হতেই খুশির হাওয়া উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জুড়ে।
এদিন সুকান্ত বলেন, দুই জেলার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল বুনিয়াদপুর-কালিয়াগঞ্জ রেললাইন হবে। আজকে রেলমন্ত্রী আমাকে এবং রায়গঞ্জের সাংসদকে চিঠি দিয়ে সেই প্রকল্প নিয়ে নিশ্চিত করেছেন। রায়গঞ্জের সাংসদও বুনিয়াদপুর-কালিয়াগঞ্জ রেল প্রকল্পের জন্য অনেক চেষ্টা করেছেন। একসময় উত্তর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা একই ছিল। যা ফের রেলপথের মাধ্যমে জুড়ে যাচ্ছে।
সুকান্ত আরও বলেন, বালুরঘাট-হিলি রেলপথের কাজও চলছে। জমি অধিগ্রহণ অর্ধেক হয়েছে। ওই রেললাইনের কাজের উদ্বোধন করতে আসবেন রেলমন্ত্রী।
লোকসভা নির্বাচনের মুখে দাঁড়িয়ে বন্ধ হয়ে থাকা বুনিয়াদপুর-কালিয়াগঞ্জ রেলপথ সম্প্রসারণের জন্য উদ্যোগী হয়েছিলেন সুকান্ত। প্রায় ১৩ বছর আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া সেই রেলপথ সম্প্রসারণ নিয়ে রেলমন্ত্রকের সঙ্গে দরবার করেন সুকান্ত। রেলের ভাষায় ‘ফ্রিজ’ হয়ে থাকা বুনিয়াদপুর-কালিয়াগঞ্জ রেল প্রকল্প ডি-ফ্রিজ করে রেল বোর্ড। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের মুখে আবার সেই রেল পরিষেবাকেই হাতিয়ার করছে গেরুয়া শিবির। যদিও বুনিয়াদপুর-কালিয়াগঞ্জ রেলপথ সম্প্রসারণের জন্য ঠিক কত অর্থ বরাদ্দ করেছে রেল, সেই তথ্য সামনে আনেননি দুই সাংসদ। সাংসদ কার্তিক পালের কথায়, প্রস্তাবিত এই রেলপথ চালু হলে যোগাযোগ মসৃণ হবে।
উত্তর দিনাজপুর জেলাতেও খুশির হাওয়া। সোমবার রায়গঞ্জের সাংসদ জানিয়েছেন,কালিয়াগঞ্জ থেকে বুনিয়াদপুর পর্যন্ত রেলপথ তৈরিতে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছেন রেলমন্ত্রী। এখন শুধু জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ হলেই হবে। এর জন্য রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করেছে রেলমন্ত্রক। সাংসদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি কংগ্রেসের জেলা সভাপতি মোহিত সেনগুপ্ত। তাঁর কথায়, প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থাকাকালীন কালিয়াগঞ্জ-বুনিয়াদপুর রেলপথ নিয়ে অনেকটা কাজ এগিয়েছিলেন। কিন্তু আজ যে দলের সাংসদ উদ্যোগী হয়েছেন, তাদের এক নেতা সেই সময়ে জমিরক্ষার নামে রেলের কাজ ভেস্তে দিয়েছিলেন।
এদিকে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূল সভাপতি সুভাষ ভাওয়ালের কথায়, সামনের বছর বিধানসভার আগে এটা বিজেপির চমকের রাজনীতি। পোস্টার লাগানো হলেও হিলি-তুরা প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়নি। ফোর লেন প্রকল্প বিশবাঁও জলে। তাই কাজ চালু না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাবে না।
রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, বালুরঘাট থেকে কামারপাড়া পর্যন্ত ১৩.৮ কিমি রেললাইনের চূড়ান্ত টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে। বাকি কামারপাড়া থেকে হিলি ১৫.২ কিমি জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শেষ করার জন্য রেলমন্ত্রক দ্রুত কাজ করছে। বিষয়টি জানাজানি হতেই খুশির হাওয়া উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জুড়ে।
এদিন সুকান্ত বলেন, দুই জেলার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল বুনিয়াদপুর-কালিয়াগঞ্জ রেললাইন হবে। আজকে রেলমন্ত্রী আমাকে এবং রায়গঞ্জের সাংসদকে চিঠি দিয়ে সেই প্রকল্প নিয়ে নিশ্চিত করেছেন। রায়গঞ্জের সাংসদও বুনিয়াদপুর-কালিয়াগঞ্জ রেল প্রকল্পের জন্য অনেক চেষ্টা করেছেন। একসময় উত্তর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা একই ছিল। যা ফের রেলপথের মাধ্যমে জুড়ে যাচ্ছে।
সুকান্ত আরও বলেন, বালুরঘাট-হিলি রেলপথের কাজও চলছে। জমি অধিগ্রহণ অর্ধেক হয়েছে। ওই রেললাইনের কাজের উদ্বোধন করতে আসবেন রেলমন্ত্রী।
লোকসভা নির্বাচনের মুখে দাঁড়িয়ে বন্ধ হয়ে থাকা বুনিয়াদপুর-কালিয়াগঞ্জ রেলপথ সম্প্রসারণের জন্য উদ্যোগী হয়েছিলেন সুকান্ত। প্রায় ১৩ বছর আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া সেই রেলপথ সম্প্রসারণ নিয়ে রেলমন্ত্রকের সঙ্গে দরবার করেন সুকান্ত। রেলের ভাষায় ‘ফ্রিজ’ হয়ে থাকা বুনিয়াদপুর-কালিয়াগঞ্জ রেল প্রকল্প ডি-ফ্রিজ করে রেল বোর্ড। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের মুখে আবার সেই রেল পরিষেবাকেই হাতিয়ার করছে গেরুয়া শিবির। যদিও বুনিয়াদপুর-কালিয়াগঞ্জ রেলপথ সম্প্রসারণের জন্য ঠিক কত অর্থ বরাদ্দ করেছে রেল, সেই তথ্য সামনে আনেননি দুই সাংসদ। সাংসদ কার্তিক পালের কথায়, প্রস্তাবিত এই রেলপথ চালু হলে যোগাযোগ মসৃণ হবে।
উত্তর দিনাজপুর জেলাতেও খুশির হাওয়া। সোমবার রায়গঞ্জের সাংসদ জানিয়েছেন,কালিয়াগঞ্জ থেকে বুনিয়াদপুর পর্যন্ত রেলপথ তৈরিতে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছেন রেলমন্ত্রী। এখন শুধু জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ হলেই হবে। এর জন্য রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করেছে রেলমন্ত্রক। সাংসদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি কংগ্রেসের জেলা সভাপতি মোহিত সেনগুপ্ত। তাঁর কথায়, প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থাকাকালীন কালিয়াগঞ্জ-বুনিয়াদপুর রেলপথ নিয়ে অনেকটা কাজ এগিয়েছিলেন। কিন্তু আজ যে দলের সাংসদ উদ্যোগী হয়েছেন, তাদের এক নেতা সেই সময়ে জমিরক্ষার নামে রেলের কাজ ভেস্তে দিয়েছিলেন।
এদিকে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূল সভাপতি সুভাষ ভাওয়ালের কথায়, সামনের বছর বিধানসভার আগে এটা বিজেপির চমকের রাজনীতি। পোস্টার লাগানো হলেও হিলি-তুরা প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়নি। ফোর লেন প্রকল্প বিশবাঁও জলে। তাই কাজ চালু না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাবে না।



