সংবাদদাতা, রামপুরহাট: বিকল্প রাস্তা নেই। তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লাইন পারাপার করে গন্তব্যে আসা যাওয়া করতে হয় হাজার হাজার মানুষকে। যানবাহনও পারাপার করে সেভাবেই। এখানে নেই কোনও লেভেল ক্রসিং গেট। ট্রেন এলেই লাল পতাকা উড়িয়ে লাইন পারাপার না করার জন্য সাবধান করেন এক রেল কর্মী। শনিবার সকালে মুরারইয়ের মাকুয়া গ্রামের কাছে রেললাইন পারাপারের সেই একমাত্র রাস্তা বন্ধ করতে এসে তীব্র বাধার মুখে পড়তে হল রেল পুলিস ও কর্তাদের। গ্রামবাসীদের দাবি, পারাপারের বিকল্প ব্যবস্থা না করে কিছুতেই তাঁরা এই রাস্তা বন্ধ করতে দেবেন না। প্রবল ক্ষোভের মুখে পড়ে পিছু হটে এলাকাবাসীর সঙ্গে আলোচনায় বসেন রেলকর্তারা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের মুরারই ১ ব্লক সভাপতি বিনয় ঘোষ, মুরারই ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিপ্লব শর্মা প্রমুখ। রেল কর্তাদের পক্ষ থেকে ওখানে আন্ডারপাস নির্মাণের জন্য আবেদন জানানোর পরামর্শ দিয়ে ফিরে যান রেল কর্তারা।
Advertisement
বর্ধমান সাহেবগঞ্জ লুপ লাইনে মুরারই থানার বাঁশলৈ রাজগ্রাম স্টেশনের মাঝে মাকুয়া গ্রামের কাছে গেটবিহীন রেল লাইনের উপর দিয়ে যানবাহন থেকে পথচারীদের যাতায়াত দীর্ঘদিনের। বিকল্প রাস্তা না থাকায় মাকুয়া, মুর্শিদপাড়া, বরুঙ্গা, জগন্নাথপুর, চক্রপাড়া, শ্রীরামপুর, আবদুল্লাপুর সহ ৩০টির বেশি গ্রামের বাসিন্দাদের নিত্যদিন রেল লাইন অতিক্রম করে মুরারই স্টেশন, হাসপাতাল, স্কুল কলেজ সহ সমস্ত সরকারি কার্যালয়ে আসতে হয়। এছাড়া লাগোয়া ঝাড়খণ্ডের বহু গ্রামের মানুষের এটাই একমাত্র পথ। এর আগে বেশ কয়েকবার সেই রাস্তা বন্ধ করার উদ্যোগ নেয় রেল। কিন্তু এলাকাবাসীর বিক্ষোভের জেরে পিছু হটতে হয়।
শুক্রবার রাতে এলাকার মানুষ খবর পান, সকাল হতেই রেল কর্তারা পুলিস নিয়ে সেই রাস্তা বন্ধ করতে আসবেন। সেইমতো শনিবার সূর্য উঠতেই হাজার চারেক মানুষ সেখানে হাজির হয়ে প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেন। বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ পুলিস নিয়ে সেই রাস্তা বন্ধ করতে এসে গ্রামবাসীদের প্রবল ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় রেল কর্তাদের।
গ্রামবাসীরা বলেন, জীবনের ঝুঁকি জেনেও ত্রিশটির বেশি গ্রামের মানুষ এই রেললাইন অতিক্রম করে যাতায়াত করেন। অথচ রেল বিকল্প ব্যবস্থা না করে বারবার এই রাস্তা বন্ধ করতে আসছেন। তাঁদের দাবি, আন্ডারপাস, অথবা আরওবি নির্মাণ করতে হবে। আন্দোলনে শামিল তৃণমূলের মুরারই ১ ব্লক সভাপতি বিনয় ঘোষ বলেন, ২০১৮ সালের ১২ জানুয়ারি রামপুরহাট স্টেশনে রেলের জেনারেল ম্যানেজার হরীন্দ্র রাওয়ের সঙ্গে দেখা করে মাকুয়ার কাছে ফুটব্রিজ বা আন্ডারপাসের জন্য লিখিত দাবি জানায়। সেই সময় জিএম বলেছিলেন, এখানে আন্ডারপাস অনুমোদন হয়েছে। কিন্তু আজও সেই কাজ শুরু হল না। অথচ এখানকার মানুষের চলাচলের একমাত্র রাস্তা বন্ধ করতে চাইছে রেল। আমরা চাই রেল এগিয়ে এসে সেই সমস্যার সমাধান করুক।
এদিন বেগতিক বুঝে গ্রামবাসীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন রেল কর্তারা। তাঁরা আন্দোলনকারীদের আরও একবার এখানে আন্ডারপাস করার জন্য রেলের কাছে আবেদন জানানোর জন্য বলেন। বিনয়বাবু বলেন, যতদিন না আন্ডারপাস নির্মাণ হচ্ছে, ততদিন লাইন পারাপারের রাস্তা বন্ধ করা যাবে না। দ্রুত সামাধান করতে হবে। নতুবা হাজার হাজার মানুষকে নিয়ে রেল অবরোধ করব।
রেলের এক কর্তা বলেন, এদিন ওই রেল লাইন পারাপারের রাস্তা বন্ধ করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু মানুষজন এর বিরুদ্ধে জমায়েত করেছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব।
শুক্রবার রাতে এলাকার মানুষ খবর পান, সকাল হতেই রেল কর্তারা পুলিস নিয়ে সেই রাস্তা বন্ধ করতে আসবেন। সেইমতো শনিবার সূর্য উঠতেই হাজার চারেক মানুষ সেখানে হাজির হয়ে প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেন। বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ পুলিস নিয়ে সেই রাস্তা বন্ধ করতে এসে গ্রামবাসীদের প্রবল ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় রেল কর্তাদের।
গ্রামবাসীরা বলেন, জীবনের ঝুঁকি জেনেও ত্রিশটির বেশি গ্রামের মানুষ এই রেললাইন অতিক্রম করে যাতায়াত করেন। অথচ রেল বিকল্প ব্যবস্থা না করে বারবার এই রাস্তা বন্ধ করতে আসছেন। তাঁদের দাবি, আন্ডারপাস, অথবা আরওবি নির্মাণ করতে হবে। আন্দোলনে শামিল তৃণমূলের মুরারই ১ ব্লক সভাপতি বিনয় ঘোষ বলেন, ২০১৮ সালের ১২ জানুয়ারি রামপুরহাট স্টেশনে রেলের জেনারেল ম্যানেজার হরীন্দ্র রাওয়ের সঙ্গে দেখা করে মাকুয়ার কাছে ফুটব্রিজ বা আন্ডারপাসের জন্য লিখিত দাবি জানায়। সেই সময় জিএম বলেছিলেন, এখানে আন্ডারপাস অনুমোদন হয়েছে। কিন্তু আজও সেই কাজ শুরু হল না। অথচ এখানকার মানুষের চলাচলের একমাত্র রাস্তা বন্ধ করতে চাইছে রেল। আমরা চাই রেল এগিয়ে এসে সেই সমস্যার সমাধান করুক।
এদিন বেগতিক বুঝে গ্রামবাসীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন রেল কর্তারা। তাঁরা আন্দোলনকারীদের আরও একবার এখানে আন্ডারপাস করার জন্য রেলের কাছে আবেদন জানানোর জন্য বলেন। বিনয়বাবু বলেন, যতদিন না আন্ডারপাস নির্মাণ হচ্ছে, ততদিন লাইন পারাপারের রাস্তা বন্ধ করা যাবে না। দ্রুত সামাধান করতে হবে। নতুবা হাজার হাজার মানুষকে নিয়ে রেল অবরোধ করব।
রেলের এক কর্তা বলেন, এদিন ওই রেল লাইন পারাপারের রাস্তা বন্ধ করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু মানুষজন এর বিরুদ্ধে জমায়েত করেছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব।



