সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: পুরাতন মালদহ শহরের মঙ্গলবাড়িতে রেল ওভারব্রিজের(আরওবি) দাবি উঠেছে বহুবার। কিন্তু আরওবি নির্মাণ না হওয়ায় যানজট সমস্যা সেই তিমিরেই রয়ে গিয়েছে। জাতীয় সড়কের উপর রেললাইন দিয়ে ঘনঘন ট্রেন চলাচল করছে। সেজন্য দীর্ঘক্ষণ রেলগেট বন্ধ থাকায় যানবাহন থমকে থাকছে। শহরের বাসিন্দাদের পাশাপাশি বাইরের যাত্রীরা তীব্র যানজটে পড়ে নাজেহাল হচ্ছেন। এই সমস্যা সমাধানে সেখানে আরওবি তৈরি করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন বাসিন্দারা।
Advertisement
ভুক্তভোগীদের দাবি, স্থানীয় এলাকায় মালদহ কোর্ট স্টেশন রয়েছে। অন্যদিকে রয়েছে পুরাতন মালদহ স্টেশন। ওই রুট দিয়ে একাধিক দূরপাল্লার ট্রেন চলাচল করে। মালগাড়িও যায়। গেট বন্ধ হলে সারি সারি গাড়ি আটকে পড়ে। ওই এলাকা দিয়ে প্রতিদিন স্কুলে যাতায়াত করেন গাজোলের একটি হাইস্কুলের শিক্ষিকা তনুশ্রী গুপ্ত। যানজট নিয়ে তাঁর অভিজ্ঞতা, আমরা বাসে যাতায়াত করি। সপ্তাহে ছ’দিন স্কুলে যেতে হয়। স্কুল যাবার সময় মাঝেমধ্যেই রেলগেটে আটকে পড়ি। মাঝেমধ্যে এর জন্য স্কুল সময়ের আগে ধরতে পারি না। ওখানে আরওবি বা আন্ডারপাস হলে সবার সুবিধা হয়। পুর এলাকার শেষ প্রান্তে রেলগেটটি রয়েছে। তারপর থেকে মঙ্গলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত শুরু। শহর এবং গ্রাম মিলিয়ে রেলগেট সংলগ্ন এলাকায় প্রচুর জনবসতি গড়ে উঠেছে। তাদের ওই রুট ধরে জেলা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে যেতে হয়। মাঝপথে রেলগেটে রোগী আটকে গেলে সমস্যায় পড়তে হয় পরিবারকে।
এই ব্যাপারে পুরাতন মালদহ পুরসভার চেয়ারম্যান কার্তিক ঘোষ বলেন, ওই রুট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রেলেগেটে আরওবি সহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে এর আগে পুরসভার পক্ষ থেকে রেল কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছিল। কিন্তু তারা কাজ করেনি। মানুষ যানজট নিয়ে নাকাল হচ্ছে। সমস্যার সমাধান জরুরি।
এ ব্যাপারে উত্তর মালদহের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন,মঙ্গলবাড়ি রেলগেটে আরওবির জন্য অতীতে রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলাম। রেলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছিল। তাঁরা বিষয়টি দেখছে।
এই ব্যাপারে পুরাতন মালদহ পুরসভার চেয়ারম্যান কার্তিক ঘোষ বলেন, ওই রুট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রেলেগেটে আরওবি সহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে এর আগে পুরসভার পক্ষ থেকে রেল কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছিল। কিন্তু তারা কাজ করেনি। মানুষ যানজট নিয়ে নাকাল হচ্ছে। সমস্যার সমাধান জরুরি।
এ ব্যাপারে উত্তর মালদহের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন,মঙ্গলবাড়ি রেলগেটে আরওবির জন্য অতীতে রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলাম। রেলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছিল। তাঁরা বিষয়টি দেখছে।



