সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: খড়্গপুর শহরের রেল এলাকায় পানীয় জল ও পথবাতি লাগানোর উদ্যোগ নিল পুরসভা। মঙ্গলবার পুরসভার বোর্ড মিটিংয়ে এব্যাপারে আলোচনা হয়। চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ বলেন, কয়েকদিন আগে রেল এলাকার কাউন্সিলারদের নিয়ে বৈঠক হয়েছিল। সেখানে তাঁরা কিছু সমস্যার কথা জানান। বিশেষ করে রেল এলাকার আটটি ওয়ার্ডে পানীয় জলের জন্য পাম্প বসানো, পথবাতি ও ডাস্টবিনের কথা তাঁরা জানিয়েছিলেন। সেই মতো তাঁরা একটি তালিকাও জমা দেন। সেই বিষয় নিয়ে পুরবোর্ড মিটিংয়ে আলোচনা হয়েছে। ঠিক হয়েছে আইআইটি ও রেল এলাকার ন’টি ওয়ার্ডকে একটি করে মিনিমাস্ট লাইট দেওয়া হবে। তবে কোন ওয়ার্ডে কতগুলি পাম্প দেওয়া হবে, তা নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। ডাস্টবিনের বিষয়টিও আলোচনা স্তরে আছে। পরে আমরা ওই কাউন্সিলারদের জানিয়ে দেব। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে পাম্প বসিয়ে মাটির নীচ থেকে জল উত্তোলন করে পাইপ লাইনের মাধ্যমে সরাসরি জল সরবরাহ করা হয়। রাস্তার ধারে ট্যাপকলের সাহায্যে বাসিন্দারা সেই জল সংগ্রহ করেন।
Advertisement
রেল এলাকার কাউন্সিলার ডি বাসন্তি বলেন, একটি করে মিনিমাস্ট লাইট দেওয়া হবে বলে বোর্ড মিটিংয়ে আমাদের জানানো হয়েছে। আর এক কাউন্সিলার পুজা নাইডু বলেন, আমি মিটিংয়ে যাইনি। তবে পরে চেয়ারপার্সনের কাছে গেলে আমাকে জানানো হয় একটি মিনিমাস্ট লাইট ও পাম্প বসানো হবে। রেল এলাকারই কাউন্সিলার অনুশ্রী বেহেরা বলেন, আমরা অনেকগুলি পথবাতি ও একাধিক পাম্প দেওয়ার কথা বলেছিলাম। ডাস্টবিন অর্থাৎ পরিবেশবন্ধু দেওয়ার কথাও আমরা জানিয়েছিলাম। কিন্তু বোর্ড মিটিংয়ে বলা হয় আমাদের একটি করে পাম্প ও মিনিমাস্ট দেওয়া হবে। এটা চাহিদার তুলনায় খুবই কম। আমার এলাকায় পানীয় জলের সমস্যা আছে। আগে পাম্প বসেছে। কিন্তু পাইপ লাইনের টাকা বরাদ্দ না হওয়ায় এলাকায় জল সরবরাহ করা যাচ্ছে না। বাসিন্দাদের পাম্প থেকে জল সংগ্রহ করে নিয়ে যেতে হচ্ছে।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টায়েড ফান্ড থেকে এই টাকা বরাদ্দ করা হবে। তা কেন্দ্রীয় ফান্ড হিসেবে রাখা আছে। সেই ফান্ড থেকে চেয়ারপার্সন কোন ওয়ার্ডে কী বরাদ্দ হবে, তার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এদিকে অভিযোগ উঠেছে, কোনও কোনও ওয়ার্ডে একাধিক পরিবেশবন্ধু বরাদ্দ করা হয়েছে। আবার অনেক ওয়ার্ডে দেওয়াই হয়নি। এনিয়ে কাউন্সিলাররা বোর্ড মিটিংয়ে প্রতিবাদ জানান। তখন ঠিক হয়, এই বিষয়টি নিয়ে পরে আলোচনা হবে।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টায়েড ফান্ড থেকে এই টাকা বরাদ্দ করা হবে। তা কেন্দ্রীয় ফান্ড হিসেবে রাখা আছে। সেই ফান্ড থেকে চেয়ারপার্সন কোন ওয়ার্ডে কী বরাদ্দ হবে, তার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এদিকে অভিযোগ উঠেছে, কোনও কোনও ওয়ার্ডে একাধিক পরিবেশবন্ধু বরাদ্দ করা হয়েছে। আবার অনেক ওয়ার্ডে দেওয়াই হয়নি। এনিয়ে কাউন্সিলাররা বোর্ড মিটিংয়ে প্রতিবাদ জানান। তখন ঠিক হয়, এই বিষয়টি নিয়ে পরে আলোচনা হবে।



