সংবাদদাতা, হলদিয়া: সাইবার প্রতারকদের ফাঁদে পড়ে ৯ লক্ষাধিক টাকা খোয়ালেন হলদিয়ার এক তরুণ শিক্ষক এবং মহিষাদলের অবসরপ্রাপ্ত ৮১ বছরের বৃদ্ধ। রেল ও ব্যাঙ্কের অফিসার পরিচয় দিয়ে ফোন করে ওই দুই ব্যক্তির লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। দুই ব্যক্তি সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগের পাশাপাশি আদালতে মামলাও করেছেন। মামলার প্রেক্ষিতে আদালত সাইবার ক্রাইম থানাকে দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, হলদিয়ার টাউনশিপের বাসিন্দা এক শিক্ষক ও তাঁর স্ত্রী সাইবার প্রতারকদের খপ্পরে পড়ে সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা খুইয়েছেন। রেলওয়ে ভিজিলেন্স ডিপার্টমেন্টের অফিসার পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি শিক্ষকের স্ত্রী’কে ফোন করে চাকরির টোপ দেয়। প্রথমে অজ্ঞাত পরিচয় ওই ব্যক্তি ফোন করে মহিলার আধার নম্বর, জন্মতারিখ এবং কোথায় পড়াশোনা সমস্ত খুঁটিনাটি গড়গড় করে বলতে থাকেন। অপরিচিতের কাছে ব্যক্তিগত তথ্য শুনে ওই ‘অফিসার’-এর প্রতি মহিলার বিশ্বাস ও আস্থা তৈরি হয়।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, ওই মহিলাকে পূর্ব বা দক্ষিণ পূর্ব রেলে অস্থায়ী টিকিট কালেক্টরের চাকরি দেওয়ার টোপ দেওয়া হয়। ৬ মাস বা ৯ মাসের ট্রেনিং পর্ব শেষে মাসিক ২৫ হাজার টাকা বেতনের চাকরির সুযোগ রয়েছে বলে জানানো হয় ভুয়ো রেল অফিসারের তরফে। প্রাইভেট সংস্থাকে এই নিয়োগের জন্য রেল টেন্ডার দিয়েছে বলে ভুয়ো তথ্য দেন ওই ব্যক্তি। চাকরির জন্য ওই দম্পতিকে প্রথমে অনলাইনে ৫০ হাজার টাকা পেমেন্ট করতে বলা হয়। ওই শিক্ষকের দাবি, তাঁদের কলকাতায় পূর্ব রেলের ভবনে ডকুমেন্ট জমা করার জন্য ডাকা হয়েছিল। সেখানে একটি কাউন্টারে প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দেন। ওইদিন রাতেই পূর্ব রেলওয়ের একটি ওয়েবসাইটে শিক্ষকের স্ত্রীর নাম, বাবার নাম, রোল নম্বর ইত্যাদি সম্বলিত একটি স্ট্যাটাস প্রকাশিত হয়। এরপর রেল কর্তৃপক্ষের ইমেল থেকে নিয়োগপত্র আসে বলেও দাবি করেন শিক্ষক। তাঁর স্ত্রীকে ট্রেনিং এর নাম করে একাধিক ছোট ছোট রেল স্টেশনে ডেকে বসিয়ে রাখা হতো। অভিযোগ, পুলিস ভেরিফিকেশন সহ একাধিক অছিলায় ওই শিক্ষকের কাছ থেকে সাত-আট দফায় সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। পরে সন্দেহ হওয়ায় রেলের অফিসে খোঁজ নিয়ে ওই শিক্ষক জানতে পারেন তাঁরা সাইবার প্রতারকদের ফাঁদে পড়েছেন।
এদিকে, ব্যাঙ্কের কর্মী পরিচয় দিয়ে মহিষাদলের এক অবসরপ্রাপ্ত কর্মীর টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পুলিস জানিয়েছে, মদনমোহন পণ্ডা নামে ৮১ বছরের এক বৃদ্ধ সাইবার প্রতারকদের ফাঁদে পড়ে ১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা খুইয়েছেন বলে অভিযোগ দায়ের করেছেন। ওই বৃদ্ধের কাছে বন্ধন ব্যাঙ্কের মহিষাদল শাখার অফিসার নাম করে অজ্ঞাত পরিচয় কেউ ফোন করেন। ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট আপডেট করার নাম করে ফোন করে। বাড়ির কাছে ব্যাঙ্ক একথা জানানোর পর বৃদ্ধের সহানুভূতি আদায়ের জন্য প্রতারকরা ফন্দি আঁটে। তারা বাড়িতে বসেই আপডেট করার জন্য এসএমএস পাঠায় বৃদ্ধকে। বৃদ্ধ ওই ব্যক্তিকে ওটিপি নম্বর জানিয়ে দেন। পরে সন্দেহ হওয়ায় তিনি ব্যাঙ্কে গিয়ে যোগাযোগ করতেই চক্ষু চড়কগাছ। ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট আপডেট করার পর বৃদ্ধ জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে চার দফায় ১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা উধাও হয়ে গিয়েছে।
এরপর বৃদ্ধ এসডিপিও, পুলিস সুপার ও সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরই দু’দফায় ওই টাকা তাঁর অ্যাকাউন্টে ফিরে এসেছে বলে মেসেজ পান। বৃদ্ধের অভিযোগ, টাকা তাঁর অ্যাকাউন্টে ফিরে আসার পরও ফের কীভাবে উধাও হয়ে গেল, তা খুবই রহস্যজনক বিষয়। আদালতের নির্দেশে এই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে সাইবার ক্রাইম থানা।
এদিকে, ব্যাঙ্কের কর্মী পরিচয় দিয়ে মহিষাদলের এক অবসরপ্রাপ্ত কর্মীর টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পুলিস জানিয়েছে, মদনমোহন পণ্ডা নামে ৮১ বছরের এক বৃদ্ধ সাইবার প্রতারকদের ফাঁদে পড়ে ১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা খুইয়েছেন বলে অভিযোগ দায়ের করেছেন। ওই বৃদ্ধের কাছে বন্ধন ব্যাঙ্কের মহিষাদল শাখার অফিসার নাম করে অজ্ঞাত পরিচয় কেউ ফোন করেন। ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট আপডেট করার নাম করে ফোন করে। বাড়ির কাছে ব্যাঙ্ক একথা জানানোর পর বৃদ্ধের সহানুভূতি আদায়ের জন্য প্রতারকরা ফন্দি আঁটে। তারা বাড়িতে বসেই আপডেট করার জন্য এসএমএস পাঠায় বৃদ্ধকে। বৃদ্ধ ওই ব্যক্তিকে ওটিপি নম্বর জানিয়ে দেন। পরে সন্দেহ হওয়ায় তিনি ব্যাঙ্কে গিয়ে যোগাযোগ করতেই চক্ষু চড়কগাছ। ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট আপডেট করার পর বৃদ্ধ জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে চার দফায় ১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা উধাও হয়ে গিয়েছে।
এরপর বৃদ্ধ এসডিপিও, পুলিস সুপার ও সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরই দু’দফায় ওই টাকা তাঁর অ্যাকাউন্টে ফিরে এসেছে বলে মেসেজ পান। বৃদ্ধের অভিযোগ, টাকা তাঁর অ্যাকাউন্টে ফিরে আসার পরও ফের কীভাবে উধাও হয়ে গেল, তা খুবই রহস্যজনক বিষয়। আদালতের নির্দেশে এই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে সাইবার ক্রাইম থানা।



