নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: রিল বানাতে গিয়েই মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু তরুণের! কালিয়াচকের শ্রীরামপুরে তরুণ সামিউল ইসলামের মৃত্যুর তদন্তে নেমে প্রাথমিকভাবে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য পুলিসের হাতে এসেছে। ঘটনায় মৃত তরুণের বন্ধু সফি আলিকে (১৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ধৃতের কাছ থেকে পুলিস একটি সেভেন এমএম পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে।
Advertisement
মালদহের পুলিস সুপার প্রদীপকুমার যাদব জানান, একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে তরুণের মৃত্যুর ঘটনায় ছেলের বন্ধু সফি আলির বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ কালিয়াচক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মৃতের বাবা মহম্মদ রাজিকুল ইসলাম। অভিযোগ, সফি আলি এবং সামিউল, রাজিকুলের বাড়িতে রিল বানাচ্ছিল। সেসময় হঠাৎ গুলির আওয়াজ শুনতে পান রাজিকুল। শব্দ শুনে ছুটে গিয়ে রাজিকুল দেখেন, ঘরের মধ্যে তার ছেলে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। পাশেই একটি পিস্তল পড়েছিল বলেও অভিযোগপত্রে জানিয়েছেন মৃত তরুণের বাবা। রক্তাক্ত সামিউলকে স্থানীয় সিলামপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত তরুণের বাবা বলেন, সফি আলি আমার ছেলেকে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি করে খুন করেছে।
অভিযোগের ভিত্তিতে সফিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিস। মৃতের বন্ধু সফি পুলিসের কাছে সমস্ত কথা স্বীকার করে নেয়। সঙ্গে সঙ্গে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। একটি কার্তুজ সহ একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। ধৃত সফির বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিস।
ধৃতের কাছ থেকে পাঁচটি জিনিস উদ্ধার করেছে পুলিস। এর মধ্যে রয়েছে ম্যাগাজিন সহ একটি সেভেন এমএম অটোমেটিক পিস্তল। উদ্ধার হয়েছে পিস্তলের বাট, ব্যারেল। ট্রিগারে রক্তের দাগ মিলেছে। একটি তাজা কার্তুজও উদ্ধার করেছে পুলিস। রক্তমাখা নীল এবং কালো রঙের একটি কম্বল, চাদর ও একটি স্মার্টফোন উদ্ধার করেছে তদন্তকারীরা।
এদিন ধৃতকে মালদহ সিজেএম কোর্টে তুলে আটদিনের হেফাজতে নিয়েছে পুলিস। তরুণদের হাতের নাগালে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র আসছে কীভাবে? গুলিবিদ্ধ তরুণের মৃত্যুতে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
কালিয়াচক বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র পাচার ও মাদকের ঘাঁটি। কালিয়াচক থেকে এর আগে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র সহ অনেকে গ্রেপ্তার হয়েছে। তরুণের বাড়ি থেকে পুলিস যে আগ্নেয়াস্ত্রটি উদ্ধার করেছে সেটিও বেআইনি বলে পুলিস সূত্রে জানা যায়। মৃত তরুণ ও তার বন্ধুর কাছে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র এল কোথা থেকে? কার মাধ্যমে এই পিস্তল এল, সেটাই জানার চেষ্টা চলছে। পুলিস জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় সফি আলি স্বীকার করেছে, সে ও তার আর এক সঙ্গী মোটা টাকার বিনিময়ে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজের কারবার করে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে তরুণের মৃত্যুর ঘটনায় ছেলের বন্ধু সফি আলির বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ কালিয়াচক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মৃতের বাবা মহম্মদ রাজিকুল ইসলাম। অভিযোগ, সফি আলি এবং সামিউল, রাজিকুলের বাড়িতে রিল বানাচ্ছিল। সেসময় হঠাৎ গুলির আওয়াজ শুনতে পান রাজিকুল। শব্দ শুনে ছুটে গিয়ে রাজিকুল দেখেন, ঘরের মধ্যে তার ছেলে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। পাশেই একটি পিস্তল পড়েছিল বলেও অভিযোগপত্রে জানিয়েছেন মৃত তরুণের বাবা। রক্তাক্ত সামিউলকে স্থানীয় সিলামপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত তরুণের বাবা বলেন, সফি আলি আমার ছেলেকে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি করে খুন করেছে।
অভিযোগের ভিত্তিতে সফিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিস। মৃতের বন্ধু সফি পুলিসের কাছে সমস্ত কথা স্বীকার করে নেয়। সঙ্গে সঙ্গে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। একটি কার্তুজ সহ একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। ধৃত সফির বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিস।
ধৃতের কাছ থেকে পাঁচটি জিনিস উদ্ধার করেছে পুলিস। এর মধ্যে রয়েছে ম্যাগাজিন সহ একটি সেভেন এমএম অটোমেটিক পিস্তল। উদ্ধার হয়েছে পিস্তলের বাট, ব্যারেল। ট্রিগারে রক্তের দাগ মিলেছে। একটি তাজা কার্তুজও উদ্ধার করেছে পুলিস। রক্তমাখা নীল এবং কালো রঙের একটি কম্বল, চাদর ও একটি স্মার্টফোন উদ্ধার করেছে তদন্তকারীরা।
এদিন ধৃতকে মালদহ সিজেএম কোর্টে তুলে আটদিনের হেফাজতে নিয়েছে পুলিস। তরুণদের হাতের নাগালে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র আসছে কীভাবে? গুলিবিদ্ধ তরুণের মৃত্যুতে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
কালিয়াচক বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র পাচার ও মাদকের ঘাঁটি। কালিয়াচক থেকে এর আগে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র সহ অনেকে গ্রেপ্তার হয়েছে। তরুণের বাড়ি থেকে পুলিস যে আগ্নেয়াস্ত্রটি উদ্ধার করেছে সেটিও বেআইনি বলে পুলিস সূত্রে জানা যায়। মৃত তরুণ ও তার বন্ধুর কাছে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র এল কোথা থেকে? কার মাধ্যমে এই পিস্তল এল, সেটাই জানার চেষ্টা চলছে। পুলিস জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় সফি আলি স্বীকার করেছে, সে ও তার আর এক সঙ্গী মোটা টাকার বিনিময়ে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজের কারবার করে।



