সংবাদদাতা, রামপুরহাট: আধুনিকীকরণের নামে আট বছর ধরে বন্ধ রামপুরহাটের একমাত্র সাংস্কৃতিক মঞ্চ ‘রক্তকরবী’। সেই মঞ্চ সংস্কারের জন্য চলতি বছরের শুরুতে রাজ্য পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর এক কোটি টাকা বরাদ্দ করে। কিন্তু এখনও দরকার আরও এক কোটি। সেই অর্থ চেয়ে এবার পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে দেখা করলেন এলাকার বিধায়ক তথা বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, গত মঙ্গলবার পুরমন্ত্রীর সঙ্গে এই নিয়ে কথা হয়েছে। তিনি বলেছেন, এর আগে বরাদ্দ অর্থের ইউসি জমা দিলেই পরবর্তী টাকা ছেড়ে দেওয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে পুরসভার সঙ্গে কথা বলব।
Advertisement
২০১৬ সালে রাজ্যের আর্থিক অনুমোদন ছাড়াই আধুনিক মানের মঞ্চ গড়ে তোলার কাজ শুরু করে পুরসভা। ব্যয় ধার্য হয় প্রায় ন’ কোটি টাকা। এমপি শতাব্দী রায় ৪৬ লক্ষ ও পুরদপ্তর প্রাথমিক ভাবে ১ কোটি ১২ লক্ষ টাকা দেয়। সেই টাকায় মঞ্চের উপরের টিনের বদলে করোগেটেড শিট বসানো, অডিটোরিয়ামের চার দেওয়াল ও সিলিংয়ে উন্নত মানের ম্যাগনেসিয়াম বোর্ড, ব্যালকনি, সেন্ট্রাল এসি ও বাইরের নকশায় পরিবর্তন করা হয়। কিন্তু কাজ সম্পৃর্ণ করতে আরও দু’ কোটি টাকা দরকার। তারজিোগান না থাকায় বন্ধ হয়ে যায় সংস্কার। যা নিয়ে সাংস্কৃতিক কর্মীদের মনে ক্ষোভের পাহাড় জমেছিল। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও মঞ্চ খোলার দাবিতে আন্দোলন করেছে।
২০২৩ সালে জানুয়ারি মাসে বোলপুরে প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রক্তকরবীর বিষয়টি তুলে ধরেন শতাব্দী রায়। মুখ্যমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেন। এরপর অর্থ চেয়ে পুরমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছেন সাংসদ শতাব্দী রায় থেকে বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ও পুরসভার চেয়রাম্যান সৌমেন ভকত। অবশেষে চলতি বছরের শুরুতে পুরদপ্তর ৯৯ লক্ষ ৪৬ হাজার টাকা বরাদ্দ করে। সেই টাকায় কনস্ট্রাকশন, রং সহ নানা কাজ করা হয়েছে। বাকি এক কোটি টাকার অভাবে ফের বন্ধ হয়ে রয়েছে সংস্কারের কাজ। বাকি টাকা যাতে দ্রুত বরাদ্দ করা হয় সে ব্যাপারে পুরমন্ত্রীকে জানিয়েছেন আশিসবাবু। চেয়ারম্যান বলেন, ওই টাকাটা পাওয়া গেলেই মঞ্চের কাজ সম্পূর্ণ করে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে।
২০২৩ সালে জানুয়ারি মাসে বোলপুরে প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রক্তকরবীর বিষয়টি তুলে ধরেন শতাব্দী রায়। মুখ্যমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেন। এরপর অর্থ চেয়ে পুরমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছেন সাংসদ শতাব্দী রায় থেকে বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ও পুরসভার চেয়রাম্যান সৌমেন ভকত। অবশেষে চলতি বছরের শুরুতে পুরদপ্তর ৯৯ লক্ষ ৪৬ হাজার টাকা বরাদ্দ করে। সেই টাকায় কনস্ট্রাকশন, রং সহ নানা কাজ করা হয়েছে। বাকি এক কোটি টাকার অভাবে ফের বন্ধ হয়ে রয়েছে সংস্কারের কাজ। বাকি টাকা যাতে দ্রুত বরাদ্দ করা হয় সে ব্যাপারে পুরমন্ত্রীকে জানিয়েছেন আশিসবাবু। চেয়ারম্যান বলেন, ওই টাকাটা পাওয়া গেলেই মঞ্চের কাজ সম্পূর্ণ করে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে।



