নয়াদিল্লি: প্রথম ভারতীয় হিসেবে ১৯৮৪ সালে মহাকাশে গিয়েছিলেন উইং কমান্ডার রাকেশ শর্মা। চার দশক পর মহাকাশে পাড়ি দিতে চলেছেন আরও এক ভারতীয়। তিনি গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লা। ভারতীয় বায়ুসেনায় কর্মরত এই অফিসারই অ্যাক্সিওম ৪(এএক্স-৪) নামে অভিযানের ‘পাইলটে’র দায়িত্বে রয়েছেন। চলতি বছরে ফ্লোরিডায় নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্পেসএক্স ড্রাগন মহাকাশযানে চড়ে আরও তিন বিদেশি মহাকাশাচারীর সঙ্গে পাড়ি দেবেন শুক্লা। রাকেশ শর্মার মতোই শুভাংশু শুক্লার স্পেস প্যাচেও থাকছে ভারতের পতাকা।
Advertisement
এএক্স-৪ অভিযানের ‘পাইলট’ শুক্লার সঙ্গেই মহাকাশে যাবেন নাসার প্রাক্তন মহাকাশচারী তথা মিশনের কমান্ডার পিগি উইটসন, পোল্যান্ডের স্লাওসজ উজনানস্কি-উইসনিউস্কি এবং হাঙ্গেরির টিবর কাপু। তাঁদের মহাকাশ যাত্রার প্রাক্কালে অ্যাক্সিওমের তরফে এই মিশনের ‘স্পেস প্যাচ’ প্রকাশ করা হয়েছে। চার মহাকাশচারীর স্পেস স্যুট কেমন হবে, তা প্রকাশ্যে এসেছে। এএক্স-৪ প্যাচে থাকছে চার মহাকাশচারীর নাম ও তাঁদের দেশের পতাকা। এই প্যাচটি তিনটি অংশে বিভক্ত। এই তিনটি অংশ ওই মহাকাশচারীদের তিনটি মহাদেশের প্রতীক। এছাড়া রয়েছে সাতটি তারা, যেগুলি সাতটি মহাদেশের প্রতীক।
এই মিশনের মাধ্যমেই ইসরোর কোনও মহাকাশচারী প্রথমবার আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে পৌঁছবেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই ভারতের কাছে এএক্স-৪ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। একই কারণে এই অভিযান পোল্যান্ড ও হাঙ্গেরির কাছেও গুরুত্বপূর্ণ। গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুক্লা বলেছেন, স্পেস ফ্লাইট ও মাইক্রোগ্রাভিটির অন্যন্য অভিজ্ঞতা হবে। আমি খুবই উত্তেজিত।
এই মিশনের মাধ্যমেই ইসরোর কোনও মহাকাশচারী প্রথমবার আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে পৌঁছবেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই ভারতের কাছে এএক্স-৪ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। একই কারণে এই অভিযান পোল্যান্ড ও হাঙ্গেরির কাছেও গুরুত্বপূর্ণ। গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুক্লা বলেছেন, স্পেস ফ্লাইট ও মাইক্রোগ্রাভিটির অন্যন্য অভিজ্ঞতা হবে। আমি খুবই উত্তেজিত।



