সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: আজ, বুধবার বড়দিন। ক্রিসমাস উপলক্ষ্যে সেজে উঠেছে চারদিক। এদিন থেকেই শুরু হবে পিকনিকের মরশুম। দলে দলে মানুষ বেরিয়ে পড়বেন নানা প্রান্তে। সপরিবারে সকলেই ঘুরতে বেড়াবেন। তাই বড়দিনে রেকর্ড ভিড়ের প্রত্যাশায় আয়োজন সেরে প্রস্তুত বেঙ্গল সাফারি।
Advertisement
শিলিগুড়ির কাছে এই নর্থ বেঙ্গল অ্যানিম্যাল পার্কে এবারের নতুন আকর্ষণ পাইথন, ডান্সিং ডিয়ার। তিনটি প্রজাতির পাইথন দেখেতে মানুষের মধ্যে বেশি আগ্রহ দেখা যাচ্ছে বলে জানান এই পার্কের অধিকর্তা বিজয় কুমার।
বেঙ্গল সাফারি ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠায় একে চিড়িয়াখানার রূপ দেওয়ার কাজ শুরু করে রাজ্য সরকার। সিংহ এসে গিয়েছে। তবে সিংহের দেখা এখন মিলছে না। লায়ন সাফারি শুরু হতে এখনও তিনমাস সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন এই পার্কের অধিকর্তা বিজয় কুমার।
তবে তার জন্য পার্কে ভিড় কমছে না। বেঙ্গল সাফারি পার্ক সূত্রে খবর, গত রবিবার মরশুমের সর্বোচ্চ তিন হাজারেরও বেশি মানুষ এসেছিলেন। ছুটিরদিনগুলিতে গড়ে তিন হাজার মানুষ আসে। অন্যান্য দিন দেড় হাজারের মতন মানুষের সমাগম হয়। বড়দিনে দর্শকের ঢল নামবে। ঘুরতে এসে দর্শকরা যাতে সমস্যায় না পারেন, ঠিকমতো সাফারি করতে ও পার্কে ঘুরে বেড়াতে পারেন তার জন্য মঙ্গলবার থেকে চালু হয়েছে হেল্প ডেস্ক। গেটের সামনেই এই হেল্পডেস্ক খোলা হয়েছে। এখান থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে নেওয়া যাবে। এক প্রশ্নের উত্তরে বিজয় কুমার বলেন, এই হেল্পডেস্ক থেকে আমরা দর্শকদের পশু দত্তক নেওয়ার ব্যাপারে উৎসাহ প্রচার চালাব। ইতিমধ্যেই এই পার্কের অনেক বন্যপ্রাণীকে অনেকে দত্তক নিয়েছেন। এই তালিকায় বিশিষ্টজনেরাও রয়েছেন।
এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, হরিণ, হাতি, গন্ডার, কুমীর দেখার আকর্ষণে বেঙ্গল সাফারি দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে আগেই জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল বন্যপ্রাণী দত্তক নেওয়ার সুযোগ। চাইলে যে কেউ এক বছরের জন্য এখান থেকে বাঘ, গন্ডা, হাতি, হরিণ, কুমীর দত্তক নিতে পারেন। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে এই উদ্যোগে ভালো সাড়া মিলেছে।
বেঙ্গল সাফারি ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠায় একে চিড়িয়াখানার রূপ দেওয়ার কাজ শুরু করে রাজ্য সরকার। সিংহ এসে গিয়েছে। তবে সিংহের দেখা এখন মিলছে না। লায়ন সাফারি শুরু হতে এখনও তিনমাস সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন এই পার্কের অধিকর্তা বিজয় কুমার।
তবে তার জন্য পার্কে ভিড় কমছে না। বেঙ্গল সাফারি পার্ক সূত্রে খবর, গত রবিবার মরশুমের সর্বোচ্চ তিন হাজারেরও বেশি মানুষ এসেছিলেন। ছুটিরদিনগুলিতে গড়ে তিন হাজার মানুষ আসে। অন্যান্য দিন দেড় হাজারের মতন মানুষের সমাগম হয়। বড়দিনে দর্শকের ঢল নামবে। ঘুরতে এসে দর্শকরা যাতে সমস্যায় না পারেন, ঠিকমতো সাফারি করতে ও পার্কে ঘুরে বেড়াতে পারেন তার জন্য মঙ্গলবার থেকে চালু হয়েছে হেল্প ডেস্ক। গেটের সামনেই এই হেল্পডেস্ক খোলা হয়েছে। এখান থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে নেওয়া যাবে। এক প্রশ্নের উত্তরে বিজয় কুমার বলেন, এই হেল্পডেস্ক থেকে আমরা দর্শকদের পশু দত্তক নেওয়ার ব্যাপারে উৎসাহ প্রচার চালাব। ইতিমধ্যেই এই পার্কের অনেক বন্যপ্রাণীকে অনেকে দত্তক নিয়েছেন। এই তালিকায় বিশিষ্টজনেরাও রয়েছেন।
এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, হরিণ, হাতি, গন্ডার, কুমীর দেখার আকর্ষণে বেঙ্গল সাফারি দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে আগেই জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল বন্যপ্রাণী দত্তক নেওয়ার সুযোগ। চাইলে যে কেউ এক বছরের জন্য এখান থেকে বাঘ, গন্ডা, হাতি, হরিণ, কুমীর দত্তক নিতে পারেন। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে এই উদ্যোগে ভালো সাড়া মিলেছে।



