চণ্ডীগড়: ‘অস্তিত্বহীন’ দপ্তরের মন্ত্রিত্ব নিয়ে সরগরম পাঞ্জাবের রাজনীতি। কুলদীপ সিং ঢালিওয়াল কীভাবে দেড় বছরেরও বেশি সময় ওই ‘অস্তিত্বহীন’ দপ্তরের দায়িত্ব সামলালেন, সেই প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। এবার এই নিয়ে পাল্টা মুখ খুললেন কুলদীপ। তাঁর দাবি, দপ্তরের অস্তিত্ব থাকা বা না থাকাটা বড় বিষয় নয়, সরকারের কাছে পাঞ্জাবের উন্নয়নই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ঢালিওয়ালের বক্তব্য, ‘দপ্তরটি অবলুপ্ত করে দেওয়া হয়েছে। আমরা সবাই পাঞ্জাবকে রক্ষা করতে চাই। আমার কাছে দপ্তরটা কোনও বড় বিষয় নয়।’
Advertisement
পাঞ্জাবে আপ ক্ষমতায় আসার পর ঢালিওয়াল প্রথমে কৃষি ও কৃষক উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু ২০২৩ সালের মে মাসে মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত সিং মান মন্ত্রিসভায় রদবদল করেন। সেই সময় ঢালিওয়ালকে প্রবাসী ভারতীয় সংক্রান্ত এবং প্রশাসনিক সংস্কার-এই দুটি দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তরটি কোনওদিনই তৈরিই হয়নি। সম্প্রতি বিষয়টি জানাজানি হতেই তড়িঘড়ি নির্দেশিকা জারি করে পাঞ্জাব সরকার জানিয়েছে, আপাতত ঢালিওয়াল একটি দপ্তরের দায়িত্বই সামলাবেন। প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তরটিকে অবলুপ্ত বলেও ওই নির্দেশিকায় বলা হয়।
যদিও বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা থামছেই না। এবার আপ সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। তিনি বলেন, ‘উনি (ঢালিওয়াল) ২০ মাস ধরে অস্তিত্বহীন দপ্তরের দায়িত্ব সামলালেন। এমন ঘটনা শুধু আপ শাসিত রাজ্যেই ঘটতে পারে।’ পাঞ্জাবের বিজেপি নেতা ফতেজঙ্গ সিং বাজওয়া অভিযোগ করেছেন, আপ সরকার পাঞ্জাবকে ৫০ বছর পিছিয়ে নিয়ে গিয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী মান অবশ্য বিরোধীদের অভিযোগ মানতে চাননি। তাঁর বক্তব্য, ‘আমরা ওই দপ্তরের নাম পরিবর্তন করেছিলাম। আগে ওই দপ্তরের কোনও কর্মী বা কার্যালয় ছিল না। আমরা আরও কিছু দপ্তরকে মিশিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছি।’
যদিও বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা থামছেই না। এবার আপ সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। তিনি বলেন, ‘উনি (ঢালিওয়াল) ২০ মাস ধরে অস্তিত্বহীন দপ্তরের দায়িত্ব সামলালেন। এমন ঘটনা শুধু আপ শাসিত রাজ্যেই ঘটতে পারে।’ পাঞ্জাবের বিজেপি নেতা ফতেজঙ্গ সিং বাজওয়া অভিযোগ করেছেন, আপ সরকার পাঞ্জাবকে ৫০ বছর পিছিয়ে নিয়ে গিয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী মান অবশ্য বিরোধীদের অভিযোগ মানতে চাননি। তাঁর বক্তব্য, ‘আমরা ওই দপ্তরের নাম পরিবর্তন করেছিলাম। আগে ওই দপ্তরের কোনও কর্মী বা কার্যালয় ছিল না। আমরা আরও কিছু দপ্তরকে মিশিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছি।’



