সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অনেক জায়গায় কাঁটাতারের ঘেরা ছিল না। সেই সব জায়গায় কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ চলছে। পশ্চিমবঙ্গে রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় এই কাজ গতি পেয়েছে বলে জানান বিএসএফের ইস্টার্ন কমান্ডের এডিজি রবি গান্ধী।
Advertisement
শনিবার শিলিগুড়ি শালুগারা বিএসএফের পাসিংআউট প্যারেড অনুষ্ঠানে শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশ মতো ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সব জায়গায় কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ চলছে। এরাজ্যে সেই কাজ অনেকদূর এগিয়ে গিয়েছে। শুরুতে অনেক জায়গায় জমি নিয়ে সমস্যা ছিল। রাজ্য সরকার বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ায় জমি সমস্যার সমাধান সম্ভব হয়েছে।
উত্তরবঙ্গে ৯৫০ কিমি সীমান্ত রয়েছে। এর অনেক জায়গায় কাঁটাতারের ঘেরা ছিল না। কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত মতো গোটা সীমান্তে কাঁটাতারের ঘেরা দেওয়ার কাজ শুরু হয়। এখনও সব জায়গায় কাঁটাতারের ঘেরা দেওয়ার কাজ শেষ হয়নি।
এপ্রসঙ্গে বিএসএফের ইস্টার্ন কমান্ডের এডিজি বলেন, সীমান্তের অনেক জায়গা এখনও ঘেরা দেওয়া হয়নি। কাজ চলছে। এইসব জায়গায় আমাদের জওয়ানদের নজরদারি বাগানো হয়েছে। সেইসঙ্গে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হয়েছে এই সীমান্ত পাহারায়।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরিস্থিতিতে সীমান্ত পাহারা যে কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে তা স্বীকার করেন রবি গান্ধী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অস্থিরতার পর থেকেই ওপারের বহু মানুষ এপারে চলে আসার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এই অনুপ্রবেশ বন্ধ করাটাই এখন বিএসএফের কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও অনুপ্রবেশকারী ভারতে ঢুকতে পারেনি এই সীমান্ত এলাকা দিয়ে।
এদিনের অনুষ্ঠানে ৫৩১জন জওয়ান ৪০ সপ্তাহের প্রশিক্ষণ শেষে শপথ গ্রহণ করে কাজে যোগ দিলেন। এর মধ্যে তিনশোর বেশি মহিলা রয়েছেন।
উত্তরবঙ্গে ৯৫০ কিমি সীমান্ত রয়েছে। এর অনেক জায়গায় কাঁটাতারের ঘেরা ছিল না। কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত মতো গোটা সীমান্তে কাঁটাতারের ঘেরা দেওয়ার কাজ শুরু হয়। এখনও সব জায়গায় কাঁটাতারের ঘেরা দেওয়ার কাজ শেষ হয়নি।
এপ্রসঙ্গে বিএসএফের ইস্টার্ন কমান্ডের এডিজি বলেন, সীমান্তের অনেক জায়গা এখনও ঘেরা দেওয়া হয়নি। কাজ চলছে। এইসব জায়গায় আমাদের জওয়ানদের নজরদারি বাগানো হয়েছে। সেইসঙ্গে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হয়েছে এই সীমান্ত পাহারায়।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরিস্থিতিতে সীমান্ত পাহারা যে কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে তা স্বীকার করেন রবি গান্ধী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অস্থিরতার পর থেকেই ওপারের বহু মানুষ এপারে চলে আসার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এই অনুপ্রবেশ বন্ধ করাটাই এখন বিএসএফের কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও অনুপ্রবেশকারী ভারতে ঢুকতে পারেনি এই সীমান্ত এলাকা দিয়ে।
এদিনের অনুষ্ঠানে ৫৩১জন জওয়ান ৪০ সপ্তাহের প্রশিক্ষণ শেষে শপথ গ্রহণ করে কাজে যোগ দিলেন। এর মধ্যে তিনশোর বেশি মহিলা রয়েছেন।



