নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: সবকিছু ঠিক থাকলে রাজ্যের মধ্যে প্রথম ‘স্যানিটেশন হাব’ হতে চলেছে পুরুলিয়ায়। একই জায়গার মধ্যে পয়ঃনিষ্কাশন, প্লাস্টিক ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং গোবর্ধন প্রকল্প গড়ে উঠছে। পুরুলিয়া-২ ব্লকের রাঘবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের লাটুলিয়া গ্রামে এই প্রকল্প গড়ে উঠছে। এর ফলে পুরুলিয়া শহর এবং শহর সংলগ্ন এলাকার মানুষ উপকৃত হবে বলে দাবি প্রশাসনের।
Advertisement
বাড়িতে ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শৌচাগার নির্মাণ এবং আবর্জনামুক্ত পরিবেশ গড়তে ‘স্বচ্ছ ভারত মিশন’ প্রকল্প চালু হয়েছিল কয়েক বছর আগে। সেই প্রকল্পের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের সঙ্গে সঙ্গেই এবার সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট গড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পুরুলিয়া জেলার অধিকাংশ পঞ্চায়েত এলাকাতেই সেই ইউনিট তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি পুরুলিয়া-২ ব্লকে তৈরি হচ্ছে ‘স্যানিটেশন হাব’। একই জায়গায় গড়ে উঠছে চারটি প্রকল্প। প্রায় দু’কোটি টাকা খরচে তৈরি হচ্ছে পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা। ৪৫লক্ষ টাকায় কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ৩৫ লক্ষ টাকায় গোবর্ধন গ্যাস প্রকল্প এবং ১৬লক্ষ টাকায় প্লাস্টিক বজ্র ব্যবস্থাপনা গড়ে উঠছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর, পুরুলিয়া শহর এবং সংলগ্ন এলাকায় পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা নেই। স্যানিটারি চেম্বার পরিষ্কারের পর তা কোনও ফাঁকা জায়গায় বা জলাশয়ে ফেলে দেওয়া হয়। এরফলে ব্যাপক দূষণ ছড়ায় এলাকায়। এই প্রকল্প চালু হলে সেই সময় ঘুচবে। পাশাপাশি, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বর্জ্য থেকে জৈব সার তৈরি হবে। যার বাজারে চাহিদা রয়েছে যথেষ্ট। প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আবর্জনা থেকে প্লাস্টিককে পৃথক করা হবে। সেই প্লাস্টিক রাস্তা তৈরিতে ব্যবহৃত হবে। এরই পাশাপাশি গোবর্ধন প্রকল্পে গোবর গ্যাস উৎপাদন করে তা আশেপাশের এলাকার বাসিন্দাদের সরবরাহ করা হবে। প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকদের দাবি, ওই এলাকায় কয়েক হাজার গবাদি পশু রয়েছে। গোবরের একাংশ জৈব সার এবং জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বড় অংশ জমেই থাকে। তাছাড়া শহরের আশেপাশে যে সমস্ত খাটাল রয়েছে, সেখান থেকেও প্রচুর গোবর যথাযথ ব্যবহার হয় না। তা সংগ্রহ করে গোবর গ্যাস তৈরি করা হবে।
জেলা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি তথা জেলা নোডাল অফিসার(স্যানিটেশন) জীবনকৃষ্ণ বিশ্বাস বলেন, স্যানিটেশন হাব তৈরির কাজ প্রায় ৯০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী জানুয়ারি মাসের মধ্যেই আমরা এই প্রকল্পের উদ্বোধন করতে পারব বলে আশা করছি। ওই আধিকারিকের সংযোজন, এরই পাশাপাশি জেলার ১৭০টি পঞ্চায়েতের মধ্যে ১৩০টি পঞ্চায়েতে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট গড়ে উঠেছে। এরমধ্যে ১০৩টি ইউনিট আমরা চালু করেছি। আগামী দিনে জেলার সমস্ত পঞ্চায়েতেই আমরা ইউনিট চালু করব।
জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর, পুরুলিয়া শহর এবং সংলগ্ন এলাকায় পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা নেই। স্যানিটারি চেম্বার পরিষ্কারের পর তা কোনও ফাঁকা জায়গায় বা জলাশয়ে ফেলে দেওয়া হয়। এরফলে ব্যাপক দূষণ ছড়ায় এলাকায়। এই প্রকল্প চালু হলে সেই সময় ঘুচবে। পাশাপাশি, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বর্জ্য থেকে জৈব সার তৈরি হবে। যার বাজারে চাহিদা রয়েছে যথেষ্ট। প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আবর্জনা থেকে প্লাস্টিককে পৃথক করা হবে। সেই প্লাস্টিক রাস্তা তৈরিতে ব্যবহৃত হবে। এরই পাশাপাশি গোবর্ধন প্রকল্পে গোবর গ্যাস উৎপাদন করে তা আশেপাশের এলাকার বাসিন্দাদের সরবরাহ করা হবে। প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকদের দাবি, ওই এলাকায় কয়েক হাজার গবাদি পশু রয়েছে। গোবরের একাংশ জৈব সার এবং জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বড় অংশ জমেই থাকে। তাছাড়া শহরের আশেপাশে যে সমস্ত খাটাল রয়েছে, সেখান থেকেও প্রচুর গোবর যথাযথ ব্যবহার হয় না। তা সংগ্রহ করে গোবর গ্যাস তৈরি করা হবে।
জেলা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি তথা জেলা নোডাল অফিসার(স্যানিটেশন) জীবনকৃষ্ণ বিশ্বাস বলেন, স্যানিটেশন হাব তৈরির কাজ প্রায় ৯০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী জানুয়ারি মাসের মধ্যেই আমরা এই প্রকল্পের উদ্বোধন করতে পারব বলে আশা করছি। ওই আধিকারিকের সংযোজন, এরই পাশাপাশি জেলার ১৭০টি পঞ্চায়েতের মধ্যে ১৩০টি পঞ্চায়েতে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট গড়ে উঠেছে। এরমধ্যে ১০৩টি ইউনিট আমরা চালু করেছি। আগামী দিনে জেলার সমস্ত পঞ্চায়েতেই আমরা ইউনিট চালু করব।



