নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ও সংবাদদাতা, তারকেশ্বর: হিমঘরে আলু রাখার সময়সীমা আরও এক মাস বাড়িয়ে দিল রাজ্য সরকার। কৃষি বিপণন দপ্তর শনিবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে, ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত হিমঘরে আলু মজুত রাখা যাবে। বর্তমানে হিমঘরে প্রচুর আলু মজুত রয়েছে। ফলে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত কোনও অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত রাজ্যের হিমঘরগুলিতে প্রায় ৮ লক্ষ ২০ হাজার টন আলু মজুত ছিল বলে কয়েকদিন আগেই কৃষি বিপণন দপ্তর জানিয়েছিল। প্রগতিশীল আলু ব্যবসায়ী সমিতির কর্তা লালু মুখোপাধ্যায় এদিন জানিয়েছেন, এখন মজুত আলুর পরিমাণ প্রায় সাড়ে সাত লক্ষ টন।
Advertisement
এদিকে, আলু নিয়ে জটিলতা কাটাতে এদিনই তারকেশ্বরে বৈঠকে বসেছিলেন ব্যবসায়ী সংগঠনের রাজ্য নেতৃত্ব। বৈঠক শেষে লালু মুখোপাধ্যায় বলেন, বাংলায় আলুর দাম স্বাভাবিক না হওয়ায় এখন ভিন রাজ্যে আলু পাঠাতে দেওয়া হচ্ছে না। বর্ডারে আলুর লরি আটকে দেওয়া হয়েছে। ওই লরি অবিলম্বে ছাড়া না হলে এবং ভিন রাজ্যে আলু পাঠাতে না দিলে সোমবার রাত থেকে আলু ব্যবসায়ীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতিতে যাবেন। এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে সহমত পোষণ করেছে হিমঘর মালিকদের সংগঠনও।
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত হিমঘরে আলু মজুত রাখা যায়। সেই অনুযায়ী আলু রাখার ভাড়া নির্ধারণ করে দেয় কৃষি বিপণন দপ্তর। গতবারের মতো এবারও ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আলু রাখলে কুইন্টাল প্রতি দক্ষিণবঙ্গে ১৮ টাকা ৬৬ পয়সা ও উত্তরবঙ্গে ১৯ টাকা ১১ পয়সা করে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হবে ব্যবসায়ীদের।
বাজারে এখনও নতুন আলুর জোগান সেভাবে নেই। উত্তরপ্রদেশ ও পাঞ্জাবের নতুন আলু অল্প পরিমাণে আসতে শুরু করেছে বলে সরকারি টাস্ক ফোর্সের সদস্য কমল দে জানিয়েছেন। নতুন আলুর দাম হিমঘরের মজুত আলুর থেকে বেশি। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি বাইরে থেকে আসা নতুন আলুর সরবরাহ অনেকটাই বেড়ে গেলে দাম কমবে বলে তাঁর আশা। রাজ্যে উৎপাদিত নতুন আলু বাজারে আসতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে।
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত হিমঘরে আলু মজুত রাখা যায়। সেই অনুযায়ী আলু রাখার ভাড়া নির্ধারণ করে দেয় কৃষি বিপণন দপ্তর। গতবারের মতো এবারও ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আলু রাখলে কুইন্টাল প্রতি দক্ষিণবঙ্গে ১৮ টাকা ৬৬ পয়সা ও উত্তরবঙ্গে ১৯ টাকা ১১ পয়সা করে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হবে ব্যবসায়ীদের।
বাজারে এখনও নতুন আলুর জোগান সেভাবে নেই। উত্তরপ্রদেশ ও পাঞ্জাবের নতুন আলু অল্প পরিমাণে আসতে শুরু করেছে বলে সরকারি টাস্ক ফোর্সের সদস্য কমল দে জানিয়েছেন। নতুন আলুর দাম হিমঘরের মজুত আলুর থেকে বেশি। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি বাইরে থেকে আসা নতুন আলুর সরবরাহ অনেকটাই বেড়ে গেলে দাম কমবে বলে তাঁর আশা। রাজ্যে উৎপাদিত নতুন আলু বাজারে আসতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে।



