নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: অল্প বয়সে প্রেমে পড়ে পালিয়ে ভিনরাজ্যে গিয়ে সংসার পাতছে যুগলরা। আর সেই নাবালিকাদের খুঁজতে কখনও কেরল, কখনও গোয়া, দিল্লি, গুজরাত-এককথায় দেশের নানা প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছে পুলিস। ‘অপহৃত’ নাবালিকাদের উদ্ধারে দেশজুড়ে অভিযান চালাতে গিয়ে মোটা টাকা খরচ হচ্ছে। যা সামাল দিতে পুলিসকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবে কৃষ্ণনগর পুলিস জেলায় নাবালিকা উদ্ধারে পুলিস যথেষ্ট সফল, এটুকুই তাদের কাছে স্বস্তির বিষয়।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, নাবালিকাদের উদ্ধার করতে ভিনরাজ্যে একটি দল পাঠাতে হচ্ছে। সেই দলে সচরাচর একজন আধিকারিক, দু’জন পুরুষ কনস্টেবল ও মহিলা কনস্টেবল থাকেন। ভিনরাজ্যে তাঁদের যাতায়াত খরচ, থাকা-খাওয়া, নাবালিকা উদ্ধার ও প্রেমিক গ্রেপ্তার হলে তাদের খরচ-সবই পুলিসকে বহন করতে হয়। এরকম প্রতিটি অভিযানে প্রায় ২০-২৫হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। খরচের বহরে সমস্যায় পড়ছে পুলিস।
তবে কৃষ্ণনগর পুলিস জেলায় নাবালিকা উদ্ধারের ‘সাকসেস রেট’ ভালো রয়েছে। ২০১৫সাল থেকে এখনও পর্যন্ত ৩৮২৩জন নাবালিকাকে পুলিস উদ্ধার করেছে। কৃষ্ণনগর পুলিস জেলার ডিএসপি শিল্পী পাল বলেন, নাবালিকা অপহরণের অভিযোগ এলেই আমরা তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নিই। বিভিন্ন রাজ্য থেকে নাবালিকাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এখন এধরনের কেস আমাদের কাছে ফার্স্ট প্রায়রিটি। নাবালিকা উদ্ধারে পুলিসের ভালো পারফরম্যান্স রয়েছে।
পুলিস জানিয়েছে, ২০১৫ সাল থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ৩৮২৭টি নাবালিকা অপহরণের কেস হয়। যার মধ্যে ৩৭৫০টি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। ৩৭৭৫ জন নাবালিকা উদ্ধার হয়েছে। এখনও ৫২জন নাবালিকা উদ্ধার হয়নি। এরপর ২০২৫ সালে এখনও অবধি এই পুলিস জেলায় ৫৭টি নাবালিকা অপহরণের মামলা হয়েছে। তার মধ্যে ৩০টি মামলার নিষ্পত্তি করে ৪৮জন নাবালিকাকে উদ্ধার করা গিয়েছে। সবমিলিয়ে, ২০১৫ থেকে এখনও অবধি ৩৮২৩জন নাবালিকা উদ্ধার হয়েছে। চলতি বছরেই ভীমপুরের এক নাবালিকা অপহরণের ঘটনায় গুজরাত থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয়েছিল। পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, অনেক মামলায় নাবালিকা উদ্ধার হলেও অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। ফলে বেশ কিছু মামলা এখনও অমীমাংসিত রয়েছে।
তদন্তে নেমে পুলিস দেখছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নাবালিকারা প্রেমিকের সঙ্গে স্বেচ্ছায় বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। মামলার ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রেই এধরনের বিষয় লক্ষ্য করছেন পুলিস আধিকারিকরা।
নাবালিকা উদ্ধার করতে গেলে মহিলা কনস্টেবল রাখা বাধ্যতামূলক। সেইসঙ্গে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করার জন্য পুরুষ কনস্টেবলও রাখা হচ্ছে। তাঁদের ভিনরাজ্যে থাকা-খাওয়া, নাবালিকা ও অভিযুক্ত প্রেমিককে ফেরত আনা বাবদ মোটা টাকা খরচ হচ্ছে। সেজন্য কৃষ্ণনগর পুলিস জেলায় এধরনের তদন্তের জন্য আলাদা ফান্ড তৈরি করা হয়েছে। সেই তহবিল থেকে এই অভিযানের খরচ বহন করা হয়। সিআইডির কাছেও নাবালিকার অপহরণের মামলার আলাদা তহবিল রয়েছে। সেখান থেকেও অভিযানের খরচ বহন করা হয়।
তবে কৃষ্ণনগর পুলিস জেলায় নাবালিকা উদ্ধারের ‘সাকসেস রেট’ ভালো রয়েছে। ২০১৫সাল থেকে এখনও পর্যন্ত ৩৮২৩জন নাবালিকাকে পুলিস উদ্ধার করেছে। কৃষ্ণনগর পুলিস জেলার ডিএসপি শিল্পী পাল বলেন, নাবালিকা অপহরণের অভিযোগ এলেই আমরা তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নিই। বিভিন্ন রাজ্য থেকে নাবালিকাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এখন এধরনের কেস আমাদের কাছে ফার্স্ট প্রায়রিটি। নাবালিকা উদ্ধারে পুলিসের ভালো পারফরম্যান্স রয়েছে।
পুলিস জানিয়েছে, ২০১৫ সাল থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ৩৮২৭টি নাবালিকা অপহরণের কেস হয়। যার মধ্যে ৩৭৫০টি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। ৩৭৭৫ জন নাবালিকা উদ্ধার হয়েছে। এখনও ৫২জন নাবালিকা উদ্ধার হয়নি। এরপর ২০২৫ সালে এখনও অবধি এই পুলিস জেলায় ৫৭টি নাবালিকা অপহরণের মামলা হয়েছে। তার মধ্যে ৩০টি মামলার নিষ্পত্তি করে ৪৮জন নাবালিকাকে উদ্ধার করা গিয়েছে। সবমিলিয়ে, ২০১৫ থেকে এখনও অবধি ৩৮২৩জন নাবালিকা উদ্ধার হয়েছে। চলতি বছরেই ভীমপুরের এক নাবালিকা অপহরণের ঘটনায় গুজরাত থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয়েছিল। পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, অনেক মামলায় নাবালিকা উদ্ধার হলেও অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। ফলে বেশ কিছু মামলা এখনও অমীমাংসিত রয়েছে।
তদন্তে নেমে পুলিস দেখছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নাবালিকারা প্রেমিকের সঙ্গে স্বেচ্ছায় বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। মামলার ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রেই এধরনের বিষয় লক্ষ্য করছেন পুলিস আধিকারিকরা।
নাবালিকা উদ্ধার করতে গেলে মহিলা কনস্টেবল রাখা বাধ্যতামূলক। সেইসঙ্গে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করার জন্য পুরুষ কনস্টেবলও রাখা হচ্ছে। তাঁদের ভিনরাজ্যে থাকা-খাওয়া, নাবালিকা ও অভিযুক্ত প্রেমিককে ফেরত আনা বাবদ মোটা টাকা খরচ হচ্ছে। সেজন্য কৃষ্ণনগর পুলিস জেলায় এধরনের তদন্তের জন্য আলাদা ফান্ড তৈরি করা হয়েছে। সেই তহবিল থেকে এই অভিযানের খরচ বহন করা হয়। সিআইডির কাছেও নাবালিকার অপহরণের মামলার আলাদা তহবিল রয়েছে। সেখান থেকেও অভিযানের খরচ বহন করা হয়।



