নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: দীর্ঘদিন ধরে স্কুলের ভগ্নপ্রায় বাড়িতেই চলছে ক্লাস। মাঝেমধ্যেই খসে পড়ছে দেওয়ালের পলেস্তারা। সেই স্কুলের জন্য রাজ্যের তরফে বরাদ্দ করা হয়েছিল প্রায় ২০ লক্ষ টাকা। সেই টাকা গায়েব হয়ে গিয়েছে। রাজ্য সরকার টাকা দিলেও তা স্কুল পর্যন্ত এসে পৌঁছয়নি। ইতিমধ্যেই জেলার শিক্ষাদপ্তরে এনিয়ে অভিযোগ জমা পড়েছে। কারণ স্কুল সংস্কারের কাজ থমকে রয়েছে। ছবিটা খড়গপুর-১ ব্লকের সালুয়ার ভেটিয়া চণ্ডী উচ্চ বিদ্যালয়ের। স্কুল কর্তৃপক্ষ এনিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন। স্কুলের সংস্কার থমকে থাকায় দিনে দিনে কমছে পড়ুয়ার সংখ্যা।
Advertisement
স্কুলের প্রধান শিক্ষক তরুণকুমার শিট বলেন, এত টাকার কোনও হদিশ মিলছে না। শিক্ষাদপ্তরে অভিযোগ জানিয়েছি। এদিকে ওই ২০ লক্ষ টাকার হিসেব না পাওয়া পর্যন্ত স্কুলের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ হওয়া প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা আটকে রয়েছে। শিক্ষাদপ্তর ২০ লক্ষ টাকার হিসেব না পেলে ওই টাকা ছাড়বে না। আমাদের প্রশ্ন, এই টাকা কে নিল। এনিয়ে উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের প্রয়োজন। দ্রুত স্কুল বিল্ডিংয়ের সংস্কার না হলে, যে কোনও দিন ভেঙে পড়বে। স্কুল পরিদর্শক (মাধ্যমিক) স্বপন সামন্ত বলেন, বিষয়টি নজরে এসেছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এছাড়াও স্কুলে একাধিক সমস্যা রয়েছে। তারমধ্যে অন্যতম, স্কুলের শিক্ষকদের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল। বছরের বেশিরভাগ সময় একে অপরের বিরুদ্ধে মামলা মোকদ্দমাতেই ব্যস্ত থাকেন শিক্ষকরা। যার জেরে কয়েক বছর ধরে লাটে উঠেছে পড়াশোনা। পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় দেড় হাজার থেকে কমতে কমতে চারশোতে এসে দাঁড়িয়েছে। তবে স্কুলে আসা পড়ুয়ার সংখ্যা আরও কম। স্বাধীনতার আমলের স্কুলের কেন এই অবস্থা? শিক্ষকদের একাংশের কথায়, শিক্ষকদের গোষ্ঠী কোন্দলই এর জন্য দায়ী। তার উপর টাকা গায়েবের ঘটনায় নতুনভাবে শোরগোল তৈরি হয়েছে। স্কুলের অভিযোগ, ২০১৮ সাল নাগাদ স্কুলের উন্নয়নের জন্য প্রায় ২০ লক্ষ টাকা অনুমোদন মিলেছিল। তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুনীল মাঝিও এ বিষয়ে কিছুই জানতেন না। ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে স্কুলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন তরুণকুমার শিট। তিনি ক্লাস রুম সংস্কারের জন্য উদ্যোগী হন। তখনই তিনি জানতে পারেন, রাজ্যের তরফে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিল। সেই টাকার হিসেব খুঁজতে শুরু করেন প্রধান শিক্ষক। বিশেষ অডিটও করা হয়। কিন্তু টাকার হিসেব মেলেনি। প্রধান শিক্ষক জানান, শিক্ষাদপ্তরে শুধু একজায়গায় প্রায় ২০ লক্ষ টাকার উল্লেখ আছে। সেই টাকার পাশে লেখা আছে ওয়ার্ক ইন প্রোগ্রেস। কিন্তু বিন্দুমাত্র কাজ হয়নি। টাকা এসেই পৌঁছয়নি স্কুলে। তার মধ্যে স্কুলের শিক্ষকদের মধ্যে কোন্দল তো আছেই।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এছাড়াও স্কুলে একাধিক সমস্যা রয়েছে। তারমধ্যে অন্যতম, স্কুলের শিক্ষকদের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল। বছরের বেশিরভাগ সময় একে অপরের বিরুদ্ধে মামলা মোকদ্দমাতেই ব্যস্ত থাকেন শিক্ষকরা। যার জেরে কয়েক বছর ধরে লাটে উঠেছে পড়াশোনা। পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় দেড় হাজার থেকে কমতে কমতে চারশোতে এসে দাঁড়িয়েছে। তবে স্কুলে আসা পড়ুয়ার সংখ্যা আরও কম। স্বাধীনতার আমলের স্কুলের কেন এই অবস্থা? শিক্ষকদের একাংশের কথায়, শিক্ষকদের গোষ্ঠী কোন্দলই এর জন্য দায়ী। তার উপর টাকা গায়েবের ঘটনায় নতুনভাবে শোরগোল তৈরি হয়েছে। স্কুলের অভিযোগ, ২০১৮ সাল নাগাদ স্কুলের উন্নয়নের জন্য প্রায় ২০ লক্ষ টাকা অনুমোদন মিলেছিল। তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুনীল মাঝিও এ বিষয়ে কিছুই জানতেন না। ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে স্কুলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন তরুণকুমার শিট। তিনি ক্লাস রুম সংস্কারের জন্য উদ্যোগী হন। তখনই তিনি জানতে পারেন, রাজ্যের তরফে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিল। সেই টাকার হিসেব খুঁজতে শুরু করেন প্রধান শিক্ষক। বিশেষ অডিটও করা হয়। কিন্তু টাকার হিসেব মেলেনি। প্রধান শিক্ষক জানান, শিক্ষাদপ্তরে শুধু একজায়গায় প্রায় ২০ লক্ষ টাকার উল্লেখ আছে। সেই টাকার পাশে লেখা আছে ওয়ার্ক ইন প্রোগ্রেস। কিন্তু বিন্দুমাত্র কাজ হয়নি। টাকা এসেই পৌঁছয়নি স্কুলে। তার মধ্যে স্কুলের শিক্ষকদের মধ্যে কোন্দল তো আছেই।



