সংবাদদাতা, মেদিনীপুর ও বেলদা: ‘পশ্চিমবঙ্গে উপনির্বাচনে এরকমই হয়ে থাকে।’ রবিবার খড়্গপুরে সদস্য সংগ্রহ অভিযানে যোগ দিতে এসে এরকমই মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, কংগ্রেস, সিপিএম জিততে পারত না। আমরাও খড়্গপুরে উপনির্বাচনে হেরেছিলাম। পরে বিধানসভায় জিতেছি। লোকসভায় লিড পেয়েছি। খড়্গপুরে কর্মসূচি শেষে তিনি নারায়ণগড়ের কুশবসান, তুতরাঙা ও হেমচন্দ্র পঞ্চায়েত এলাকায় সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচিতে যোগ দেন।
Advertisement
এদিন সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, ২০১৯ সালে আমরা উপনির্বাচনে চারটি আসনে জিতেছিলাম। তারপর আর জিততে পারিনি। সাধারণ নির্বাচন হলে আলাদা কথা। উপনির্বাচনে তৃণমূল ভোট করতে দেয় না। মানুষ ভোট দিতে যেতে ভয় পায়। তাই একতরফা শাসকের পক্ষে ভোট হয়।
বিজেপির সংগঠনের বিষয়ে দিলীপবাবু বলেন, পার্টির সদস্য হচ্ছে। নতুন কমিটি হবে। নতুন নেতৃত্ব আসবে। ডিসেম্বরের পর থেকে আমরা ২৬-এর বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতি শুরু করে দেব। জন বার্লা প্রসঙ্গে বলেন, উনি যদি তৃণমূলে যেতে চান, কেউ আটকাতে পারবে না। কিন্তু দল তাঁকে নিয়ে এসে সাংসদ, মন্ত্রী করেছে। সম্মান দিয়েছে। টিকিট দেয়নি বলে ওঁর খারাপ লেগেছে। আমাকেও তো এখান থেকে বর্ধমানে নিয়ে যাওয়া হয়। আমি লড়েছি। এখন কর্মী হিসেবে সংগঠনের কাজ করছি। দলে নিজেদের ইচ্ছেমতো কিছু হয় না। দল তার সুবিধামতো কাজ করে। সবার জন্য ভাবে। তারপর ভুল বা ঠিক সিদ্ধান্ত হয়।
বিজেপির সংগঠনের বিষয়ে দিলীপবাবু বলেন, পার্টির সদস্য হচ্ছে। নতুন কমিটি হবে। নতুন নেতৃত্ব আসবে। ডিসেম্বরের পর থেকে আমরা ২৬-এর বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতি শুরু করে দেব। জন বার্লা প্রসঙ্গে বলেন, উনি যদি তৃণমূলে যেতে চান, কেউ আটকাতে পারবে না। কিন্তু দল তাঁকে নিয়ে এসে সাংসদ, মন্ত্রী করেছে। সম্মান দিয়েছে। টিকিট দেয়নি বলে ওঁর খারাপ লেগেছে। আমাকেও তো এখান থেকে বর্ধমানে নিয়ে যাওয়া হয়। আমি লড়েছি। এখন কর্মী হিসেবে সংগঠনের কাজ করছি। দলে নিজেদের ইচ্ছেমতো কিছু হয় না। দল তার সুবিধামতো কাজ করে। সবার জন্য ভাবে। তারপর ভুল বা ঠিক সিদ্ধান্ত হয়।



