সংবাদদাতা, মানবাজার: হাটে কেনাবেচার জন্য রাজ্য সড়কের উপর হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে পাল পাল গোরু। অভিযোগ, এতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে পথচারী থেকে শুরু করে গাড়ির চালকদের। যেকোনও সময় বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন পথচারীরা। যা নিয়ে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরুলিয়া জেলায় কেনাবেচার জন্য গাড়িতে গোরু বহণের অনুমতি নেই। পুলিসের ধড়পাকড় হয়। তাই পশু হাটে কেনাবেচার জন্য পাশ্ববর্তী এলাকা থেকে পালে পালে গোরু হাটিয়ে নিয়ে আসা হচ্ছে হাটে। তাতেই সমস্যা বাড়ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পুরুলিয়ার মানবাজারের চল্লা পশুহাট প্রতি শুক্রবার বসে। মানবাজার-পুঞ্চা রাজ্য সড়কের পাশেই এই হাট বসে। চল্লাহাটের জনপ্রিয়তা রয়েছে। শুধু পুরুলিয়া জেলায় নয়, লাগোয়া জেলাগুলি থেকেও গোরু, মোষ কেনবেচার জন্য ভিড় করেন ব্যবসায়ীরা। স্থানীয়রা জানান, আগে গাড়িতে করে গোরু আনা হতো হাটে। কিন্তু বিগত কয়েক বছর ধরে এখন হাঁটা পথে নিয়ে আসা হচ্ছে। লাগোয়া বাঁকুড়া জেলা থেকে প্রচুর গোরু, বাছুর চল্লাহাটে আনা হয়। মানবাজার, হাতিরামপুর হয়ে বাঁকুড়া যাওয়ার রাজ্য সড়কের উপর দিয়ে ওই সব গোরুর পাল নিয়ে আসা হয় হাটে।
ওই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা দিয়ে প্রচুর মানুষ সদর শহর মানবাজারে আসেন। এছাড়াও ওই রাস্তায় প্রচুর যানবাহন চলাচল করে। আর এতেই সমস্যা বাড়ে। কেউ সাইকেলে করে বা বাইকে রাস্তা দিয়ে আসার সময় গোরুর পাল পার হতে কালঘাম ছোটে বলে অভিযোগ। এছাড়াও মানবাজার, পুঞ্চা হয়ে পুরুলিয়ার যাওয়ার রাজ্য সড়কের এমনই দশা। মানবাজার থেকে কিছুটা দূরেই ওই রাস্তার উপর বসে চল্লা হাট। ওই রাস্তাতেও গোরুর পালের জন্য যান চলাচলে ব্যাঘাত ঘটে।
শুধু চল্লা হাটেই নয়, পুরুলিয়ার অন্যান্য হাটে এভাবে হাঁটা পথে গোরু নিয়ে যাওয়া হচ্ছে প্রায় দিন। তবে, স্থানীয়দের দাবি বেশি গোরুর পাল দেখা যায় বৃহস্পতি এবং শুক্রবারে। রাজ্য সড়কের ওপর দিয়ে এভাবে গোরু নিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদ জানিয়েছেন অনেকেই। দুর্ঘটনায় আশঙ্কায় তাঁরা প্রশাসনকে বিষয়টি দেখার জন্য দাবি জানিয়েছেন। এক পথচারী বাবলু মাহাত বলেন, প্রায়দিনই দেখি রাস্তার উপর গোরুর পাল নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। শুক্রবারে চল্লা হাট বসে। ওইদিন পাল পাল গরু নিয়ে যাওয়া হয় রাস্তার উপর দিয়ে। এতে সমস্যা হয়। স্থানীয়দের দাবি, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকলেও অনেক সময় গোরুর পাল এসে গায়ে ঢুকে যায়।
এক গাড়ির চালক গকুলচন্দ্রমাঝি বলেন, এতে গাড়ি চালাতে সমস্যা হচ্ছে। একে একে গোরুর পাল পার করতে অনেক সময় লেগে যায়। মানবাজার চল্লা হাট থেকে গোরুগুলি ইন্দকুড়ি, বাসুডি, পায়রাচালী হয়ে লাগোয়া বাঁকুড়া জেলায় নিয়ে যাওয়া হয় অনেক গোরু। সকলের দাবি, বিষয়টিতে প্রশাসন নজর দিক।
ওই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা দিয়ে প্রচুর মানুষ সদর শহর মানবাজারে আসেন। এছাড়াও ওই রাস্তায় প্রচুর যানবাহন চলাচল করে। আর এতেই সমস্যা বাড়ে। কেউ সাইকেলে করে বা বাইকে রাস্তা দিয়ে আসার সময় গোরুর পাল পার হতে কালঘাম ছোটে বলে অভিযোগ। এছাড়াও মানবাজার, পুঞ্চা হয়ে পুরুলিয়ার যাওয়ার রাজ্য সড়কের এমনই দশা। মানবাজার থেকে কিছুটা দূরেই ওই রাস্তার উপর বসে চল্লা হাট। ওই রাস্তাতেও গোরুর পালের জন্য যান চলাচলে ব্যাঘাত ঘটে।
শুধু চল্লা হাটেই নয়, পুরুলিয়ার অন্যান্য হাটে এভাবে হাঁটা পথে গোরু নিয়ে যাওয়া হচ্ছে প্রায় দিন। তবে, স্থানীয়দের দাবি বেশি গোরুর পাল দেখা যায় বৃহস্পতি এবং শুক্রবারে। রাজ্য সড়কের ওপর দিয়ে এভাবে গোরু নিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদ জানিয়েছেন অনেকেই। দুর্ঘটনায় আশঙ্কায় তাঁরা প্রশাসনকে বিষয়টি দেখার জন্য দাবি জানিয়েছেন। এক পথচারী বাবলু মাহাত বলেন, প্রায়দিনই দেখি রাস্তার উপর গোরুর পাল নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। শুক্রবারে চল্লা হাট বসে। ওইদিন পাল পাল গরু নিয়ে যাওয়া হয় রাস্তার উপর দিয়ে। এতে সমস্যা হয়। স্থানীয়দের দাবি, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকলেও অনেক সময় গোরুর পাল এসে গায়ে ঢুকে যায়।
এক গাড়ির চালক গকুলচন্দ্রমাঝি বলেন, এতে গাড়ি চালাতে সমস্যা হচ্ছে। একে একে গোরুর পাল পার করতে অনেক সময় লেগে যায়। মানবাজার চল্লা হাট থেকে গোরুগুলি ইন্দকুড়ি, বাসুডি, পায়রাচালী হয়ে লাগোয়া বাঁকুড়া জেলায় নিয়ে যাওয়া হয় অনেক গোরু। সকলের দাবি, বিষয়টিতে প্রশাসন নজর দিক।



