নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র, দিল্লি। লোকসভা ভোটের পর এই তিন রাজ্যে প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করলেও ব্যর্থ কংগ্রেস। ঝাড়খণ্ড এবং জম্মু-কাশ্মীরে ইন্ডিয়া জোটের জয়ের নায়ক হেমন্ত সোরেন বা ওমর আবদুল্লা। সেখানে জোটের শরিক হলেও কংগ্রেসের ভূমিকা নগন্য বলে মত পর্যবেক্ষক মহলের। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে রাজ্যে দলের খারাপ ফলের জন্য আঙুল উঠেছে রাহুল গান্ধীর দিকেই। যদিও সেই দায় নিতে নারাজ রাহুল। বরং তাঁর ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’র জেরে ১০ বছর পর লোকসভায় কংগ্রেসের ৯৯ আসন
Advertisement
এবং বিরোধী দলনেতার পদ মেলার কৃতিত্ব নিতে চান তিনি।
রাহুলের হয়ে বুধবার ব্যাট ধরেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে। কৌশলে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ভোটে হারলেই রাহুলের দায়, এই অবস্থান আর চলবে না। দলের নতুন সদর দপ্তর কোটলা রোডের ‘ইন্দিরা ভবনে’ এদিন বসেছিল এআইসিসির সাধারণ সম্পাদকদের বৈঠক। ডাকা হয়েছিল দলের বিভিন্ন রাজ্যের ইনচার্জদের। ছিলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, রমেশ চেন্নিথালা, কে সি বেণুগোপাল, জয়রাম রমেশ, দীপা দাশমুন্সি, কুমারী সেলজা সহ একঝাঁক প্রথম সারির নেতা। খাড়্গের পাশে ছিলেন রাহুল। সাত ঘণ্টা চলে বৈঠক। চলতি বছর সংগঠনকে চাঙ্গা করাতে জোর দিয়েছে কংগ্রেস। এর জন্য তৃণমূলস্তরের নেতাদের তুলে আনার কথা বলা হয়েছে। সূত্রের খবর, বৈঠকে কিছুটা শ্লেষের স্বরে খাড়্গেকে বলতে শোনা যায়, ‘ভোটের সময় তাড়াহুড়ো করে আমরা অনেককেই দলে যোগদান করাই। কিন্তু ভোটে দল হারলে হয় কেউ কেউ চলে যায়, অথবা বসে যায়। এবার থেকে বাছাই করে দলে যোগদান করানো হবে।’ ভোটে হারজিতের জন্য সাধারণ সম্পাদকদের দায় নিতে হবে বলে কৌশলে রাহুলকে রক্ষা করতে চেয়েছেন খাড়্গে। বৈঠকে তিনি রাজ্যের ইনচার্জদের বলেছেন, ‘দায় আপনাদেরই নিতে হবে। সেই মতোই লড়তে হবে।’ যদিও রাহুল গান্ধীই কংগ্রেসের ম্যাসকট হিসেবে থাকবেন যে কোনও ভোটে। যেকোনও অনুষ্ঠানে। - ফাইল চিত্র
রাহুলের হয়ে বুধবার ব্যাট ধরেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে। কৌশলে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ভোটে হারলেই রাহুলের দায়, এই অবস্থান আর চলবে না। দলের নতুন সদর দপ্তর কোটলা রোডের ‘ইন্দিরা ভবনে’ এদিন বসেছিল এআইসিসির সাধারণ সম্পাদকদের বৈঠক। ডাকা হয়েছিল দলের বিভিন্ন রাজ্যের ইনচার্জদের। ছিলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, রমেশ চেন্নিথালা, কে সি বেণুগোপাল, জয়রাম রমেশ, দীপা দাশমুন্সি, কুমারী সেলজা সহ একঝাঁক প্রথম সারির নেতা। খাড়্গের পাশে ছিলেন রাহুল। সাত ঘণ্টা চলে বৈঠক। চলতি বছর সংগঠনকে চাঙ্গা করাতে জোর দিয়েছে কংগ্রেস। এর জন্য তৃণমূলস্তরের নেতাদের তুলে আনার কথা বলা হয়েছে। সূত্রের খবর, বৈঠকে কিছুটা শ্লেষের স্বরে খাড়্গেকে বলতে শোনা যায়, ‘ভোটের সময় তাড়াহুড়ো করে আমরা অনেককেই দলে যোগদান করাই। কিন্তু ভোটে দল হারলে হয় কেউ কেউ চলে যায়, অথবা বসে যায়। এবার থেকে বাছাই করে দলে যোগদান করানো হবে।’ ভোটে হারজিতের জন্য সাধারণ সম্পাদকদের দায় নিতে হবে বলে কৌশলে রাহুলকে রক্ষা করতে চেয়েছেন খাড়্গে। বৈঠকে তিনি রাজ্যের ইনচার্জদের বলেছেন, ‘দায় আপনাদেরই নিতে হবে। সেই মতোই লড়তে হবে।’ যদিও রাহুল গান্ধীই কংগ্রেসের ম্যাসকট হিসেবে থাকবেন যে কোনও ভোটে। যেকোনও অনুষ্ঠানে। - ফাইল চিত্র



