সংবাদদাতা, কাটোয়া: সালটা ছিল ২০১১। রাজ্যে পালাবদলের সময়। বাম শাসনের অবসান ঘটানোই ছিল তৃণমূলের লক্ষ্য। সে সময় কংগ্রেসের সঙ্গে জোট হয়েছিল তৃণমূলের। কাটোয়া বিধানসভা এলাকা তখন কংগ্রেসের দুর্জয় ঘাঁটি। জোটসঙ্গী তৎকালীন কংগ্রেসের প্রতীকে কাটোয়া থেকে লড়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। তাঁরই সমর্থনে ভোট প্রচারে কাটোয়ায় পা রেখেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। রবীন্দ্রনাথবাবুকে একগুচ্ছ পরামর্শও দিয়েছিলেন। তাঁর প্রয়াণে সেই সব স্মৃতি রোমন্থণ করছেন রবীন্দ্রনাথবাবু। তবে তিনি এখন তৃণমূল বিধায়ক।
Advertisement
২০১১ সালের ২৩ এপ্রিল কাটোয়া শহরের স্টেডিয়াম মাঠে জনসভা করেছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। শ্রীখণ্ড এনটিপিসিতে নেমেছিল তাঁর বিশেষ হেলিকপ্টার। তারপর বর্ধমান-কাটোয়া রোড ধরে কালো রঙের গাড়িতে প্রধানমন্ত্রী এসেছিলেন। রবীন্দ্রনাথবাবু বলেন, বক্তব্য রাখার ফাঁকে আমাকে বলেছিলেন, ভালো করে সংগঠন করতে হবে। আমাদের জয় নিশ্চিত করতে হবে। তাঁর সেই কথা এখনও কানে বাজছে। সেদিন কাটোয়া স্টেডিয়ামে তিলধারনের জায়গা ছিল না।
জানা গিয়েছে, সেদিন রাজ্যে দমদম কেন্দ্রে তৃণমূলের টিকিটে ব্রাত্য বসু ও কংগ্রেসের টিকিটে কাটোয়ার রবীন্দ্রনাথবাবুর সমর্থনে সভা করেছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। কাটোয়ার সভায় তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্রণব মুখোপাধ্যায়ও। রবীন্দ্রনাথবাবু বলেন, মনমোহন সিং মৃদুভাষী ছিলেন। একটি বৈঠকে তিনি মাইক্রোফোনে ভাষণ দিচ্ছিলেন। তাঁর গলার স্বর খুব কম থাকায় আমরা তাঁর কথা শুনতে পাচ্ছিলাম না। আরেকবার আমরা তাঁর বাসভবনে গিয়েছিলাম। আজ সেসব কথা ভেবে খারাপ লাগছে। ২০০৯ সালে মঙ্গলকোটে তৎকালীন কংগ্রেসের বিধায়কদের উপর সিপিএমের হার্মাদ বাহিনীর হামলার ছবি সহ বিবরণ সে সময় তাঁকে বিধায়করা দিয়ে এসেছিলেন। তিনি সবার কথা মন দিয়ে শুনতেন।
রাজ্যের গ্রন্থাগারমন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী বলেন, মনমোহন সিং এর বাড়ি আমিও বেশ কয়েকবার গিয়েছিলাম। তাঁর মতো যুক্তিবাদী মানুষ খুব কম ছিলেন। বিচক্ষণতার জন্য তাঁকে ভালো লাগত। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা চিরকাল থাকবে।
জানা গিয়েছে, সেদিন রাজ্যে দমদম কেন্দ্রে তৃণমূলের টিকিটে ব্রাত্য বসু ও কংগ্রেসের টিকিটে কাটোয়ার রবীন্দ্রনাথবাবুর সমর্থনে সভা করেছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। কাটোয়ার সভায় তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্রণব মুখোপাধ্যায়ও। রবীন্দ্রনাথবাবু বলেন, মনমোহন সিং মৃদুভাষী ছিলেন। একটি বৈঠকে তিনি মাইক্রোফোনে ভাষণ দিচ্ছিলেন। তাঁর গলার স্বর খুব কম থাকায় আমরা তাঁর কথা শুনতে পাচ্ছিলাম না। আরেকবার আমরা তাঁর বাসভবনে গিয়েছিলাম। আজ সেসব কথা ভেবে খারাপ লাগছে। ২০০৯ সালে মঙ্গলকোটে তৎকালীন কংগ্রেসের বিধায়কদের উপর সিপিএমের হার্মাদ বাহিনীর হামলার ছবি সহ বিবরণ সে সময় তাঁকে বিধায়করা দিয়ে এসেছিলেন। তিনি সবার কথা মন দিয়ে শুনতেন।
রাজ্যের গ্রন্থাগারমন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী বলেন, মনমোহন সিং এর বাড়ি আমিও বেশ কয়েকবার গিয়েছিলাম। তাঁর মতো যুক্তিবাদী মানুষ খুব কম ছিলেন। বিচক্ষণতার জন্য তাঁকে ভালো লাগত। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা চিরকাল থাকবে।



