সংবাদদাতা, লালবাগ: টোটোর রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করেছে মুর্শিদাবাদ জেলা আরটিও। অথচ চড়া হারে রেজিস্ট্রেশন ফি নেওয়া হচ্ছে। এই অভিযোগে শুক্রবার দিনভর জিয়াগঞ্জ শহরে টোটো পরিষেবা বন্ধ ছিল। স্বাভাবিকভাবেই বর্তমান সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই গণ পরিবহণ বন্ধ থাকায় নাকাল হলেন শহরবাসী থেকে ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, পড়ুয়া থেকে সর্বস্তরের মানুষ। হঠাৎ করে টোটো চালকদের এই সিদ্ধান্তে তাঁরা রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এদিকে, অটো থেকে জোর করে যাত্রী নামিয়ে দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে টোটো চালকদের বিরুদ্ধে। সবমিলিয়ে দিনভর একটা ভোগান্তির ছবি দেখা গিয়েছে জিয়াগঞ্জ শহরজুড়ে।
Advertisement
জিয়াগঞ্জ শহরে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গণ পরিবহণ টোটো। এই শহরে ১৭টি ইউনিয়নের অধীনে হাজারের বেশি টোটো চলে। শহরের পাশ দিয়ে চলে গিয়েছে, পূর্বরেলের শিয়ালদহ-লালগোলা শাখা। কাজেই বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই শহরে আসেন। মূলত টোটোয় চেপে তাঁরা গন্তব্যে যান। এই শহরে একটি ডিগ্রি কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং ইংরেজি মাধ্যমের একাধিক স্কুল রয়েছে। জিয়াগঞ্জ শহরের পাশাপাশি লালগোলা, ভগবানগোলা, লালবাগ সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পড়ুয়ারা আসে। তাছাড়া শহরবাসীরাও বিভিন্ন প্রয়োজনে যাতাযাতে টোটোতেই চাপেন। অথচ কাউকে কোনও কিছু না জানিয়ে শহরে টোটো পরিষেবা বন্ধ রাখায় বিপাকে পড়েছেন সকলেই। লালগোলার বাসিন্দা মনোজ চক্রবর্তী স্ত্রীকে নিয়ে জিয়াগঞ্জ স্টেশনে এসে বিপাকে পড়েন। তিনি বলেন, স্ট্যান্ডে কোনও টোটো নেই। অগত্যা স্ত্রীকে নিয়ে হেঁটেই এক কিলোমিটার দূরে নিমতলা ফেরিঘাটে যাই।
টোটো চালকদের হঠকারিতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে শহরবাসীও। শহরের এক প্রবীণ বাসিন্দা বলেন, এভাবে কোনও গণপরিবহণ বন্ধ করা যায় না। অন্তত কয়েকদিন আগে থেকে জানানো উচিত ছিল।
জিয়াগঞ্জ থানা টোটো ইউনিয়নের সভাপতি প্রভাস সাহা বলেন, লাগামছাড়া রেজিস্ট্রেশন ফি নেওয়া হচ্ছে। পুরনো গাড়ির ক্ষেত্রে আরটিও ইচ্ছামতো টাকা নিচ্ছে। টোটো চালকদের পক্ষে যেটা দেওয়া সম্ভব নয়। আমরা একাধিকবার রেজিস্ট্রেশন ফি কমানোর জন্য আবেদন করেছিলাম। কিন্তু, আমাদের কথা শোনা হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে টোটো পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। কোনও সুষ্ঠু সমাধান না হলে আগামী দিনে লাগাতার বন্ধ থাকবে।
জেলা আঞ্চলিক পরিবহণ আধিকারিক শিবাশিস সরকার বলেন, টোটো রেজিস্ট্রেশনের সরকারি একটা নির্দিষ্ট অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে আমাদের কিছু করার নেই।
টোটো চালকদের হঠকারিতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে শহরবাসীও। শহরের এক প্রবীণ বাসিন্দা বলেন, এভাবে কোনও গণপরিবহণ বন্ধ করা যায় না। অন্তত কয়েকদিন আগে থেকে জানানো উচিত ছিল।
জিয়াগঞ্জ থানা টোটো ইউনিয়নের সভাপতি প্রভাস সাহা বলেন, লাগামছাড়া রেজিস্ট্রেশন ফি নেওয়া হচ্ছে। পুরনো গাড়ির ক্ষেত্রে আরটিও ইচ্ছামতো টাকা নিচ্ছে। টোটো চালকদের পক্ষে যেটা দেওয়া সম্ভব নয়। আমরা একাধিকবার রেজিস্ট্রেশন ফি কমানোর জন্য আবেদন করেছিলাম। কিন্তু, আমাদের কথা শোনা হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে টোটো পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। কোনও সুষ্ঠু সমাধান না হলে আগামী দিনে লাগাতার বন্ধ থাকবে।
জেলা আঞ্চলিক পরিবহণ আধিকারিক শিবাশিস সরকার বলেন, টোটো রেজিস্ট্রেশনের সরকারি একটা নির্দিষ্ট অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে আমাদের কিছু করার নেই।



