নিজস্ব প্রতিনিধি, নন্দকুমার: নন্দকুমার ব্লকের শীতলপুর গ্রামে ৪৬বছরের পুরনো ওভারহেড রিজার্ভারের পিলার থেকে খুলে পড়ছে পলেস্তারা। দীঘাগামী জাতীয় সড়কের ধারে ১৯৭৮ সালে এই রিজার্ভার তৈরি হয়। তার প্রায় সবক’টি পিলারের উপর থেকে নীচ পর্যন্ত ফাটল ধরেছে। বয়সের ভারে ভগ্নপ্রায় এই রিজার্ভারে দৈনিক ২লক্ষ ৭২হাজার ৭৬০ লিটার জল তোলা হচ্ছে। এখান থেকে আশপাশের সাত-আটটি গ্রামে জল সরবরাহ করা হচ্ছে। পিএইচই দপ্তরের পক্ষ থেকে এই রিজার্ভারের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব ভেঙে ফেলা কিংবা মেরামত করা জরুরি। কিন্তু, বিকল্প রিজার্ভার না থাকায় অগত্যা ওই রিজার্ভারেই জল তোলা চলছে।
Advertisement
এই অবস্থায় ২০কোটি ৯লক্ষ ৪৫হাজার টাকা ব্যয়ে একই জায়গায় নতুন রিজার্ভার তৈরি হচ্ছে। আগামী মার্চ মাসের মধ্যে ওই কাজ শেষ করার জন্য ঠিকাদার সংস্থাকে নির্দেশ দিয়েছে পিএইচই দপ্তর।
নন্দকুমারব্লকের শীতলপুর পশ্চিম গ্রাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকায় ওই প্রকল্প থেকে জল সরবরাহ করা হয়। ওই পিএইচই প্রজেক্ট এলাকায় পাম্প অপারেটর হিসেবে কাজ করেন প্রদীপ মণ্ডল ও অমিতাভ কুইতি। দিনে দু’বার করে ওই প্রকল্প থেকে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল সরবরাহ করা হয়। কিন্তু, ওভারহেড রিজার্ভারের বেহাল অবস্থায় দেখে ওই পাম্প কর্মীরাও আতঙ্কিত। অমিতাভ কুইতি বলেন, আমার বাবা এখানে কাজ করতেন। আমিও এখানে কাজ করছি। রিজার্ভারের প্রায় সবক’টি পিলারে ফাটল ধরেছে। পলেস্তারাও খসে পড়ছে। পিএইচই দপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা এসে রিজার্ভারের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে গিয়েছেন।
পিএইচই দপ্তরের তমলুক সাব ডিভিশন অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই রিজার্ভারের অবস্থা ভালো নয়। সেজন্য একই ক্যাম্পাসের মধ্যে একটি নতুন ওভারহেড রিজার্ভার তৈরির কাজ চলছে। সেই কাজ আগামী বছর মার্চ মাসের মধ্যে শেষ করার জন্য ঠিকাদার সংস্থাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আপাতত ওই নতুন ওভারহেড রিজার্ভার চালু না হওয়া পর্যন্ত পুরনো বেহাল রিজার্ভার চালু রাখা হচ্ছে। নতুনটি চালু হলে পুরনোটি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সেটি ভেঙে ফেলা হতে পারে, অথবা মেরামত করা হবে। ২০২০সালে ২২জানুয়ারি বাঁকুড়া জেলারসারেঙ্গা থানার ফতেপুরে ওভারহেড রিজার্ভার ভেঙে পড়ার ঘটনায় হইচই পড়ে গিয়েছিল। নির্মাণকারী সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর জেলায় জেলায় পিএইচই দপ্তরের ওভারহেড রিজার্ভারের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু হয়। পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেও চারটি রিজার্ভার স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ফেল করে। কোলাঘাটের রাইন গোপালনগরে একটি রিজার্ভার হেলে যাওয়ায় জল তোলা বন্ধ করার পাশাপাশি সেটি ভেঙে ফেলা হয়। নন্দকুমার ব্লকে শীতলপুরে জাতীয় সড়কের ধারে ওই রিজার্ভারও বিপজ্জন অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। আপাতত নতুন রিজার্ভার তৈরি না হওয়ায় সেখানে দৈনিক জল তোলা চলছে। কিন্তু, গোটা বিষয়টি বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।পিএইচই দপ্তরের সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার সৈকত যশ বলেন, নন্দকুমারের ওই রিজার্ভারের বয়স প্রায় ৪৬বছর। স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। আগামী মার্চ মাসের মধ্যে ওইখানে নতুন রিজার্ভার তৈরির কাজ শেষ হবে। তখন পুরনো রিজার্ভার ভেঙে ফেলা কিংবা মেরামত করা হবে। ঠিকাদারকে নতুন রিজার্ভারের কাজ দ্রুত শেষ করতে বলা হয়েছে।
নন্দকুমারব্লকের শীতলপুর পশ্চিম গ্রাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকায় ওই প্রকল্প থেকে জল সরবরাহ করা হয়। ওই পিএইচই প্রজেক্ট এলাকায় পাম্প অপারেটর হিসেবে কাজ করেন প্রদীপ মণ্ডল ও অমিতাভ কুইতি। দিনে দু’বার করে ওই প্রকল্প থেকে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল সরবরাহ করা হয়। কিন্তু, ওভারহেড রিজার্ভারের বেহাল অবস্থায় দেখে ওই পাম্প কর্মীরাও আতঙ্কিত। অমিতাভ কুইতি বলেন, আমার বাবা এখানে কাজ করতেন। আমিও এখানে কাজ করছি। রিজার্ভারের প্রায় সবক’টি পিলারে ফাটল ধরেছে। পলেস্তারাও খসে পড়ছে। পিএইচই দপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা এসে রিজার্ভারের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে গিয়েছেন।
পিএইচই দপ্তরের তমলুক সাব ডিভিশন অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই রিজার্ভারের অবস্থা ভালো নয়। সেজন্য একই ক্যাম্পাসের মধ্যে একটি নতুন ওভারহেড রিজার্ভার তৈরির কাজ চলছে। সেই কাজ আগামী বছর মার্চ মাসের মধ্যে শেষ করার জন্য ঠিকাদার সংস্থাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আপাতত ওই নতুন ওভারহেড রিজার্ভার চালু না হওয়া পর্যন্ত পুরনো বেহাল রিজার্ভার চালু রাখা হচ্ছে। নতুনটি চালু হলে পুরনোটি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সেটি ভেঙে ফেলা হতে পারে, অথবা মেরামত করা হবে। ২০২০সালে ২২জানুয়ারি বাঁকুড়া জেলারসারেঙ্গা থানার ফতেপুরে ওভারহেড রিজার্ভার ভেঙে পড়ার ঘটনায় হইচই পড়ে গিয়েছিল। নির্মাণকারী সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর জেলায় জেলায় পিএইচই দপ্তরের ওভারহেড রিজার্ভারের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু হয়। পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেও চারটি রিজার্ভার স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ফেল করে। কোলাঘাটের রাইন গোপালনগরে একটি রিজার্ভার হেলে যাওয়ায় জল তোলা বন্ধ করার পাশাপাশি সেটি ভেঙে ফেলা হয়। নন্দকুমার ব্লকে শীতলপুরে জাতীয় সড়কের ধারে ওই রিজার্ভারও বিপজ্জন অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। আপাতত নতুন রিজার্ভার তৈরি না হওয়ায় সেখানে দৈনিক জল তোলা চলছে। কিন্তু, গোটা বিষয়টি বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।পিএইচই দপ্তরের সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার সৈকত যশ বলেন, নন্দকুমারের ওই রিজার্ভারের বয়স প্রায় ৪৬বছর। স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। আগামী মার্চ মাসের মধ্যে ওইখানে নতুন রিজার্ভার তৈরির কাজ শেষ হবে। তখন পুরনো রিজার্ভার ভেঙে ফেলা কিংবা মেরামত করা হবে। ঠিকাদারকে নতুন রিজার্ভারের কাজ দ্রুত শেষ করতে বলা হয়েছে।



