সংবাদদাতা, বহরমপুর: রাজনীতি থেকে সরে আসার জন্য মা বকাবকি করেছিলেন। সেই অভিমানে কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হলেন এক যুবক। মৃতের নাম তৃণাঙ্কুর চৌধুরী(৩১)। তাঁর বাড়ি বহরমপুর থানার চুয়াপুর এলাকায়। তিনি বহরমপুর পুরসভার অস্থায়ী কর্মী ছিলেন। পাশাপাশি তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। স্ত্রী ছেড়ে চলে যাওয়ার পর থেকেই তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। মা তাঁকে রাজনীতি থেকে সরে আসতে বলেন। গত ১৯ জানুয়ারি মা তাঁকে বকাবকি করেন। অভিমানে তৃণাঙ্কুর বাড়িতেই ঘাসমারা বিষ খান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাতে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিস একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে। মৃতের জামাইবাবু আনন্দ পাল বলেন, সদ্য গুলিতে পরিবারের একজনের মৃত্যু হয়। তারপর থেকেই শাশুড়ি আতঙ্কে ভুগছিলেন। রাজনীতি থেকে তৃণাঙ্কুরকে সরে আসতে বলেছিলেন। তাতেই অভিমানে শ্যালক আত্মঘাতী হয়। বৃদ্ধের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার: স্ত্রীর মৃত্যুশোক সহ্য করতে না পেরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হলেন এক বৃদ্ধ। মৃতের নাম প্রণব আচার্য(৬০)। তাঁর বাড়ি বহরমপুর থানার বলরামপুর কলোনিতে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মাস দুয়েক আগে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে প্রণববাবুর স্ত্রী সোমা আচার্যের মৃত্যু হয়। তারপর থেকে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। মাঝে অসুস্থ হয়ে কিছুদিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। শুক্রবার বিকেলে পরিবারের লোকজন ডাকতে গিয়ে দেখেন, প্রণববাবু গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছেন। মৃতের ছেলে প্রলয়শঙ্কর আচার্য বলেন, বাবা মাকে খুবই ভালোবাসতেন। মায়ের মৃত্যু শোক বাবা সহ্য করতে পারেননি।



