সংবাদদাতা, লালবাগ: রাজ্য সরকারের সামাজিক সহায়তা প্রকল্পের সুবিধা প্রদান করা হল জিয়াগঞ্জ-আজিমগঞ্জ পুরসভা এলাকার ১০৮টি পরিবারকে। যার জন্য বরাদ্দ করা হয় মোট ৪৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। শুক্রবার জিয়াগঞ্জ শহরের টাউন সেন্টার থেকে ওই পরিবারগুলির হাতে ৪০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। সরকারের এই প্রকল্পের টাকা পেয়ে খুশি স্বজন হারানো পরিবারগুলি।
Advertisement
পুরসভার চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ ঘোষ বলেন, দারিদ্র্যসীমার নীচে বসবাসকারী পরিবারের রোজগেরে সদস্যের যেকোনওভাবে মৃত্যু হলে ওই পরিবারকে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়। মূলত ওই পরিবারগুলির পাশে দাঁড়াতে রাজ্য সরকার এই প্রকল্প চালু করে। সে ক্ষেত্রে অবশ্য মৃতের বয়স হতে হবে ২৫ থেকে ৫৯ বছরের মধ্যে। সেটা অসুখে, স্বাভাবিক কিংবা দুর্ঘটনাজনিত কারণে মৃত্যু হতে পারে। জিয়াগঞ্জ-আজিমগঞ্জ পুরসভা এলাকায় এরকম ১০৮টি পরিবারকে বেছে নিয়ে ওই প্রকল্পের সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। প্রতিটি পরিবারকে ৪০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, একবছর আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন-১ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন কলোনির বাসিন্দা সুমিত্রা সরকারের স্বামী নিত্যানন্দ সরকার। সামাজিক সহায়তা প্রকল্পের সুবিধা পেতে এদিন টাউন সেন্টারে এসেছিলেন সুমিত্রা সরকার। আর্থিক সাহায্য পেয়ে তিনি বলেন, স্বামীর চিকিৎসার জন্য আত্মীয় ও পরিচিতদের কাছে ধারদেনা হয়েছে। এই টাকা থেকে কিছু ধারদেনা শোধ করতে পারব। দু’বছর আগে ক্যান্সারে মারা গিয়েছেন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের গোবিন্দপুর ঘোষপাড়ার লক্ষ্মণ ঘোষ। সামাজিক সহায়তা প্রকল্পের টাকা পেয়ে লক্ষ্মণ ঘোষের স্ত্রী ইতি ঘোষ বলেন, এই টাকা দিয়ে ছোটখাটো ব্যবসা শুরু করব।
উল্লেখ্য, একবছর আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন-১ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন কলোনির বাসিন্দা সুমিত্রা সরকারের স্বামী নিত্যানন্দ সরকার। সামাজিক সহায়তা প্রকল্পের সুবিধা পেতে এদিন টাউন সেন্টারে এসেছিলেন সুমিত্রা সরকার। আর্থিক সাহায্য পেয়ে তিনি বলেন, স্বামীর চিকিৎসার জন্য আত্মীয় ও পরিচিতদের কাছে ধারদেনা হয়েছে। এই টাকা থেকে কিছু ধারদেনা শোধ করতে পারব। দু’বছর আগে ক্যান্সারে মারা গিয়েছেন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের গোবিন্দপুর ঘোষপাড়ার লক্ষ্মণ ঘোষ। সামাজিক সহায়তা প্রকল্পের টাকা পেয়ে লক্ষ্মণ ঘোষের স্ত্রী ইতি ঘোষ বলেন, এই টাকা দিয়ে ছোটখাটো ব্যবসা শুরু করব।



