সন্দীপ স্বর্ণকার, নয়াদিল্লি: এ যেন প্রদীপের নীচের অন্ধকার। রাজপথের দু’ধারে সারি সারি অট্টালিকা। নানা সরকারি দপ্তর। এটাই রাজধানী দিল্লির পরিচিত ছবি। এরই সঙ্গে শহরে রয়েছে ৬ হাজার ৩৪৩টি ঝুপড়ি, বস্তি। যেখানে বাস প্রায় সাড়ে দশ লক্ষ পরিবারের। বলছে দিল্লি সরকারেরই রিপোর্ট। তাই প্রতিটি ভোটে ঝুপড়িবাসী ভোটাররা সব রাজনৈতিক দলের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ। তাদের মত যেদিকে, সেই দলের জয়ের সম্ভাবনা নিশ্চিত। স্বাভাবিকভাবে আগামী বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারির ভোটে ঝুপড়িবাসীদের কদর সবচেয়ে বেশি। আজ, সোমবার শেষ প্রচারপর্ব। শেষলগ্নের প্রচারে একে অন্যকে টক্কর দিতে মরিয়া যুযুধান তিন দল— আপ, বিজেপি ও কংগ্রেস।
Advertisement
যদিও সিংহভাগ ঝুপড়িবাসীর অভিযোগ, ভোট মিটলে কোনও দল আর তাঁদের দিকে তাকায় না। ফলে তাঁদের অবস্থা যে তিমিরে সেই তিমিরেই থেকে যায়। অনেক বস্তিতে এখনও রান্না হয় কাঠের উনুনে। কেজরিওয়ালের নিউ দিল্লি কেন্দ্রের অন্তর্গত চেমসফোর্ড ঝুপড়ির বাসিন্দা জগ্গি কেশরী বা রাজেশ সুদদের মন্তব্য, এবার ভোট কিন্তু অন্যরকম। লড়াই জব্বর।
রাজনৈতিক মহলের মতে, ঝুপড়িবাসীদের অধিকাংশই আম আদমি পার্টির ভোটার। আগে ছিল কংগ্রেসের। তাই নিজেদের ভোট ফিরে পেতে এবার উঠেপড়ে লেগেছে রাহুল গান্ধীর দল। একইভাবে অরবিন্দ কেজরিওয়াল দিনরাত এক করে দিচ্ছেন বস্তিবাসীর মন রাখতে। ময়দানে বিজেপিও। ঝুপড়ির ভোটারদের মনে ইতিমধ্যে ‘ভয়’ ঢুকিয়ে দিয়েছেন কেজরিওয়াল। তাঁর অভিযোগ, পদ্ম পার্টি এলে বস্তি তুলে দেবে। যার জেরে রবিবার জনসভায় মোদিকে বলতে হল যে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে কোনও ঝুপড়ি ভাঙবে না।
এর মধ্যে নতুন একটি চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন আপ সুপ্রিমো। তাঁর অভিযোগ, ঝুপড়িবাসীদের ভুল বুঝিয়ে ভোটারদের তিন হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে। আর আঙুলে লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে ভোটের কালি। ঝুপড়িবাসীদের বলা হচ্ছে, নির্বাচন কমিশন বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট নিচ্ছে। বুথে আর যাওয়ার দরকার নেই। যদিও সেই অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে বিজেপি। ভোটে কারচুপির আশঙ্কা করছে কংগ্রেসও। তৈরি করেছে ‘ঈগল’ নামে এক বিশেষ টিম। যেখানে রয়েছেন অজয় মাকেন, দ্বিগজয় সিং সহ প্রবীণ আট নেতা। এবার দিল্লির ভোট কেজরিওয়ারের কাছে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কংগ্রেস উঠে পড়ে নামায় আপের ভোট কাটার সম্ভাবনা প্রবল। অন্যদিকে, বাজেটে মধ্যবিত্তর লক্ষ্মী লাভের ঘোষণায় লোভের আশায় বিজেপি।
রাজনৈতিক মহলের মতে, ঝুপড়িবাসীদের অধিকাংশই আম আদমি পার্টির ভোটার। আগে ছিল কংগ্রেসের। তাই নিজেদের ভোট ফিরে পেতে এবার উঠেপড়ে লেগেছে রাহুল গান্ধীর দল। একইভাবে অরবিন্দ কেজরিওয়াল দিনরাত এক করে দিচ্ছেন বস্তিবাসীর মন রাখতে। ময়দানে বিজেপিও। ঝুপড়ির ভোটারদের মনে ইতিমধ্যে ‘ভয়’ ঢুকিয়ে দিয়েছেন কেজরিওয়াল। তাঁর অভিযোগ, পদ্ম পার্টি এলে বস্তি তুলে দেবে। যার জেরে রবিবার জনসভায় মোদিকে বলতে হল যে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে কোনও ঝুপড়ি ভাঙবে না।
এর মধ্যে নতুন একটি চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন আপ সুপ্রিমো। তাঁর অভিযোগ, ঝুপড়িবাসীদের ভুল বুঝিয়ে ভোটারদের তিন হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে। আর আঙুলে লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে ভোটের কালি। ঝুপড়িবাসীদের বলা হচ্ছে, নির্বাচন কমিশন বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট নিচ্ছে। বুথে আর যাওয়ার দরকার নেই। যদিও সেই অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে বিজেপি। ভোটে কারচুপির আশঙ্কা করছে কংগ্রেসও। তৈরি করেছে ‘ঈগল’ নামে এক বিশেষ টিম। যেখানে রয়েছেন অজয় মাকেন, দ্বিগজয় সিং সহ প্রবীণ আট নেতা। এবার দিল্লির ভোট কেজরিওয়ারের কাছে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কংগ্রেস উঠে পড়ে নামায় আপের ভোট কাটার সম্ভাবনা প্রবল। অন্যদিকে, বাজেটে মধ্যবিত্তর লক্ষ্মী লাভের ঘোষণায় লোভের আশায় বিজেপি।



