নয়াদিল্লি: ৬৪ কোটি টাকার বফর্স ঘুষ কেলেঙ্কারি নিয়ে তদন্তের ফাইল ফের খুলছে? এব্যাপারে বেসরকারি তদন্তকারীর থেকে তথ্য পেতে তৎপর সিবিআই। এজন্য মার্কিন প্রশাসনকে ‘লেটার অব রোগ্যাটরি’ (এলআর) পাঠাল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। উল্লেখ্য, এর আগেও মাইকেল হার্সম্যান নামে ওই বেসরকারি তদন্তকারীর থেকে নথি পেতে সরকারিভাবে বেশ কয়েকবার আবেদন-নিবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু, কোনওবারই লাভ হয়নি। হাল না ছেড়ে ফের তৎপর সিবিআই। জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালে ভারতে এসেছিলেন ফেয়ারফ্যাক্স গ্রুপের কর্ণধার হার্সম্যান। তিনি দাবি করেন, কংগ্রেস সরকারের সময় বফর্স মামলার তদন্ত ভুল পথে চালিত করা হয়েছিল। তিনি আরও জানান, ১৯৮৬ সালে মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন ও আর্থিক তছরূপ মামলার তদন্তে তাঁকে নিয়োগ করেছিল ভারতের অর্থমন্ত্রক। ওই মামলার কয়েকটি বিষয় সরাসরি বফর্স কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত ছিল। ভারতীয় তদন্তকারী সংস্থাকে সে সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য তুলে দেওয়ার ইচ্ছেপ্রকাশ করেন তিনি। তারপরই সিবিআই অর্থমন্ত্রকের কাছে হার্শম্যানের ব্যাপারে জানতে চায়। যদিও মন্ত্রকে কোনও তথ্য দিতে পারেনি। উল্লেখ্য, সংশ্লিষ্ট নথি পেতে ২০২৩ ও ২০২৪ সালে মার্কিন প্রশাসনকে একাধিকবার আবেদন জানিয়েছিল এজেন্সি। একবার ইন্টারপোলেরও সাহায্য নেওয়া হয়। কিন্তু, কোনওবারই সদুত্তর মেলেনি। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ফের এই ইস্যুতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সবুজ সঙ্কেত মেলে। তারপর বিশেষ আদালতের ছাড়পত্র মিলতেই মার্কিন প্রশাসনকে এলআর পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় এজেন্সি।



