নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মাত্র ১২৪ রানও করা যায়নি। ভারতীয় শিবিরে তাই আপশোস। অস্থায়ী অধিনায়ক ঋষভ পন্থের গলায় আক্ষেপ, ‘অবশ্যই রানটা করা উচিত ছিল। ক্রমশ চাপ বাড়ছিল। আর সেই কারণেই আমরা সেরাটা দিতে পারিনি। বোলারদের জন্য সাহায্য মজুত ছিল পিচে। এই ধরনের উইকেটে ১২০ রানও মুশকিল হয়ে ওঠে। তবে আবার বলছি, চাপ সামলে আমাদের রানটা করা উচিত ছিল। এই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে পরের টেস্টে ঘুরে দাঁড়াবই।’
ভারতের কোচ গৌতম গম্ভীর অবশ্য পিচের দোষারোপ করতে নারাজ। তাঁর মতে, ‘কোনও জুজু ছিল না বাইশ গজে। খেলার অযোগ্যও ছিল না উইকেট। ঠাণ্ডা মাথায় ব্যাট করলে, ডিফেন্স মজবুত থাকলে, টেম্পারামেন্ট দেখালে নিশ্চিতভাবেই রান মিলত। আমরা সবসময় পিচ নিয়ে কথা বলছি। কিন্তু ৪০টা উইকেটের মধ্যে অনেকগুলো পেসাররাই নিয়েছে। তাই টার্নিং ট্র্যাককে হারের জন্য দায়ী করা অনুচিত। তাছাড়া এটা কঠিন পিচ বলেও মানতে পারছি না। এই পিচে ব্যাটসম্যানের টেকনিকের কড়া পরীক্ষা হয়। একই সঙ্গে মানসিক কাঠিন্যও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে।’
গম্ভীর আরও বলেছেন, ‘আমরা ঠিক এই ধরনের পিচই চেয়েছিলাম। তা দেওয়ার জন্য কিউরেটরকে ধন্যবাদ। উনি আমাদের কথা শুনেছেন। কিন্তু ভালো খেলতে না পারলে পছন্দের উইকেটও বেকার।’ তাঁর সাফ কথা, ‘আমরা কখনও খারাপ উইকেটে বা ঘূর্ণি উইকেটে খেলতে চাইনি। আসলে আমরা হেরেছি বলেই পিচ নিয়ে চর্চা চলছে। জিতলে এত কথা হত না। আর এই পিচে আক্রমণাত্মক মানসিকতা নিয়ে নামলে মুশকিল। এখানে যাঁদের ডিফেন্স ভালো, তাঁরা কিন্তু রান পেয়েছে। যেমন তেম্বা বাভুমা, লোকেশ রাহুল, ওয়াশিংটন সুন্দর। আমাদের তাই মানসিকভাবে শক্তপোক্ত হতে হবে। বাড়াতে হবে স্কিলও। কারণ, উভয় দলই একই উইকেটে খেলেছে।’