নয়াদিল্লি: চুক্তিবদ্ধ সমস্ত ক্রিকেটারকেই বিজয় হাজারে ট্রফিতে বাধ্যতামূলকভাবে অন্তত দুটো ম্যাচ খেলতে হবে বলে জানিয়েছিল বিসিসিআই। সেইমতো এই আসরে প্রায় সব তারকাই অংশ নিয়েছেন। রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিদের ছন্দেই দেখা গিয়েছে। দুই মহারথী দুটো ম্যাচ খেলার পর বেরিয়েও এসেছেন শিবির থেকে। তবে বিরাট কোহলি আরও একটি ম্যাচ খেলবেন। দিল্লি ক্রিকেট সংস্থার প্রেসিডেন্ট রোহন জেটলি বলেছেন, ‘বিরাট তিনটি ম্যাচ খেলবেন বলে জানিয়েছেন।’ সেক্ষেত্রে ৬ জানুয়ারি রেলওয়েজের বিরুদ্ধে বেঙ্গালুরুতে ব্যাট হাতে দেখা যেতে পারে তাঁকে। উল্লেখ্য, এই আসরে দুটো ইনিংসে বিরাট যথাক্রমে ১৩১ ও ৭৭ রান করেছেন।
নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজ শুরু ১১ জানুয়ারি। সেজন্য ৮ তারিখের মধ্যে বরোদায় পৌঁছবেন ক্রিকেটাররা। এদিন জাতীয় নির্বাচকদের কাছে দলে আসার দাবি জোরাল করলেন ধ্রুব জুরেল। বরোদার বিরুদ্ধে উত্তরপ্রদেশের হয়ে ১০১ বলে ১৬০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল ১৫টি চার ও আটটি ছক্কা। সতীর্থ রিঙ্কু সিংয়ের সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে জুরেল যোগ করেন ১৩১। রিঙ্কুর সংগ্রহ ৬৩। রাজকোটে এই ম্যাচে উত্তরপ্রদেশ ৫৪ রানে হারাল বরোদাকে। জয়পুরে অন্য ম্যাচে মুম্বই ১৫৬ বল বাকি থাকতে ৯ উইকেটে হারাল ছত্তিশগড়কে। শার্দূল ঠাকুর (৪-১৩), শামস মুলানি (৫-৩১) বল হাতে সফল। মুম্বইয়ের জয়ে ব্যাট হাতে বড় অবদান রাখেন অঙ্গকৃশ রঘুবংশী (অপরাজিত ৬৮)। গত ম্যাচেই ফিল্ডিংয়ের সময় চোট পাওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল তাঁকে।
মুম্বইয়ের মতোই টানা তিনটি ম্যাচে জয়ী দিল্লি। এদিন সৌরাষ্ট্রকে তিন উইকেটে হারাল ঋষভ পন্থের দল। তবে পন্থ বড় রান পাননি, তাঁর সংগ্রহ ২২। বলে তিন উইকেট, ব্যাটে অপরাজিত ৩৪ করে ম্যাচের সেরা হন নবদীপ সাইনি। দিনের অপর ম্যাচে মহারাষ্ট্রকে ৭ রানে হারিয়েছে হিমাচল প্রদেশ। তবে হারলেও সেরা বোলিং পারফরম্যান্স মহারাষ্ট্রের রামকৃষ্ণ ঘোষের। ৪২ রানে সাত উইকেট নেন তিনি।