সংবাদদাতা, বর্ধমান: সোনা বন্ধক রেখে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়েছিলেন বর্ধমান শহরের কাঞ্চননগরের এক বাসিন্দা। তিনি মারা যাওয়ার পর তাঁর স্ত্রী ঋণ পরিশোধ করেছেন। ব্যাঙ্ক থেকে সোনাও ফেরত দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাড়িতে আনার পর জানা যায়, ফেরত দেওয়া সোনার গয়নার মধ্যে একটি নকল। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়। প্রথমে আসল গয়না ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিলেও পরে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ আর বিষয়টিতে কর্ণপাত করছে না। বাধ্য হয়ে প্রতারিত মহিলা বর্ধমান থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। তার ভিত্তিতে কেস রুজু হয়েছে। থানার এক অফিসার বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর কেস রুজু হয়েছে। তদন্ত শুরু হয়েছে। আইনমাফিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, নারায়ণ রায় ২০১৮ সালে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের বর্ধমান শহরের বিসি রোড শাখা থেকে সোনা বন্ধক রেখে ৪৮ হাজার ৫৭৯ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। ২০২০ সালে তিনি মারা যান। এরপর তাঁর স্ত্রী ঋণের টাকা পরিশোধ করেন। এ বছরের ১ ফেব্রুয়ারি পুরো টাকা শোধ করে বন্ধক রাখা সোনা তিনি বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। পরে পরীক্ষা করে তিনি দেখেন, ব্যাঙ্ক থেকে ফেরত আনা সোনার গয়নার মধ্যে একটি নকল। সঙ্গে সঙ্গে তিনি ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। ব্যাঙ্কের তরফে তাঁকে সোনার গয়না ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। কিন্তু তা না পেয়ে বর্ধমান থানায় ২৪ ফেব্রুয়ারি অভিযোগ দায়ের করেছেন স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা রায়।



