Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রোগীর পরিজনদের খাওয়ার সমস্যা মেটাতে কান্দি হাসপাতালে ফুড পার্কের চিন্তাভাবনা

রোগীর পরিজনদের খাওয়ার সমস্যা মেটাতে কান্দি হাসপাতালে ফুড পার্কের চিন্তাভাবনা
  • ৫ মার্চ, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, কান্দি: ভাত, রুটি থেকে চাউমিন, কাটলেট— সব কিছুই কম পয়সায় পাওয়া যাবে একেবারে হাতের নাগালে। কিন্তু তা কতটা স্বাস্থ্যসম্মত তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। তাই কান্দি মহকুমা হাসপাতাল চত্বরে ফুড পার্ক তৈরির আবেদন পাঠানো হল নবান্নে। দ্রুত ওই প্রকল্প বাস্তবায়িত হতে পারে বলে আশাবাদী কান্দি পুরসভা।
Advertisement
মহকুমার একমাত্র ভরসাযোগ্য এই সরকারি হাসপাতালে প্রতিদিন হাজারের বেশি মানুষ আসেন। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত হাসপাতাল চত্বর ভিড়ে ঠাসা থাকে। তবে অধিকাংশ মানুষ খিদে মেটান হাসপাতাল চত্বরের ফাস্ট ফুডের দোকানগুলিতে। ৩৫ টাকায় সব্জি-ভাত থেকে ৫৫ টাকায় মাছ-ভাত। ২০ টাকায় চারটি রুটি বা ডালপুরি, সঙ্গে তরকারি ফ্রি। ১০ টাকা খরচ করলে চপ-মুড়িও মিলবে। রাতের দিকে রুটি-তরকা বা গরম ভাতও পাওয়া যাবে। ভবনের গেট পেরিয়েই রয়েছে অনেকটা ফাঁকা জায়গা। সেখানেই রয়েছে দোকানগুলি। কোনওটি ভাতের হোটেল। কোনওটি চায়ের দোকান। আবার কোনওটিতে দুই-ই পাওয়া যায়। ড্রামে থাকে পানীয় জল। ওই জলেই হাত ধোয়া যায়। দোকানগুলির কিছুটা দূরেই নর্দমা। হাত ধোওয়ার জন্য সেখানে যাওয়ার দরকার নেই। দোকানের পাশে হাত ধুলেও কেউ কিছু বলবে না। এমন পরিবেশে ওইসব দোকানের খাবার কতটা স্বাস্থ্যসম্মত তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। খড়গ্রাম থেকে আসা রোগীর পরিজন বাসুদেব মার্জিত বলেন, একদিনের জন্য হাসপাতালে এসেছি। অত ভেবে খেতে গেলে খাওয়াই হবে না। খাবার যা হবে হোক, পেট তো ভরছে। অনেকের কাছেই এই উত্তর পাওয়া গিয়েছে। তবে স্থানীয় প্রশাসন এমন ঘটনায় বেশ উদ্বিগ্ন। কান্দি পুরসভার চেয়ারম্যান জয়দেব ঘটক বলেন, হাসপাতালের ভিতরে যত দোকান রয়েছে কারও ট্রেড লাইসেন্স নেই। খাবারের গুণগত মান যাচাইয়ের জন্য ফুড সেফটি দপ্তরে জানানও হয়েছে। তবে সম্প্রতি আমরা হাসপাতাল চত্বরের মধ্যে একটি ফুড পার্ক তৈরির আবেদন নবান্নে পাঠিয়েছি। আশাকরি দ্রুত এই প্রকল্প তৈরি হবে। হাসপাতাল সুপার রাজেসনাথ সাহা বলেন, হাসপাতাল চত্বরের ওই সব দোকান নিয়ে প্রতিদিন সমস্যা পোহাতে হয়। দ্রুত এর নিষ্পত্তি হওয়া দরকার।
হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তথা কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার বলেন, হাসপাতাল চত্বরের দোকানগুলির সঙ্গে রোগী কল্যাণ সমিতির কোনও ‘টার্মস অব কন্ডিশন’ তৈরি হয়নি। অবৈধভাবে চলছে দোকানগুলি। কাজেই এর গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। তবে হাসপাতাল চত্বরে দ্রুত ফুড পার্ক হতে চলেছে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ