নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: আচমকা শহরে ঢুকে প্রকাশ্য রাস্তায় বাইক বাহিনীর দৌরাত্ম্য। শেষে ট্রাফিক আইনভঙ্গ সহ প্রকাশ্যে অভব্য আচরণের অভিযোগে হেমতাবাদ এলাকার ১০ জনের বাইক বাহিনীকেই গ্রেপ্তার করল রায়গঞ্জ থানার পুলিস। স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে খবর, সোমবার রাতে শহরের বুকে একদল যুবককে বাইক নিয়ে প্রকাশ্য রাস্তায় উশৃঙ্খল আচরণ করতে দেখা যায়। কারও বাইকের পিছনে একজন, কেউ আবার দু’জনকে বসিয়ে বেপরোয়াভাবে বাইক চালাচ্ছে। খবর পেয়ে রায়গঞ্জ থানার পুলিস তাদের প্রতিহত করতে রাস্তায় নামে। পুলিসের সঙ্গে বচসায় জড়ায় গোটা দলটি। তর্কাতর্কি হয় দু’পক্ষের মধ্যে। শেষে বাইক সহ মিলনপাড়ার খরমুজা ঘাট থেকে ওই যুবকদের আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পর মধ্যরাতে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিস।
Advertisement
রায়গঞ্জের পুলিস সুপার সানা আখতার বলেন, শহরে অসামাজিক কার্যকলাপ, বেপরোয়াভাবে বাইক বা গাড়ি চালানো সহ একাধিক উপদ্রব রুখতে পুলিস কড়া মনোভাব নিয়ে চলে। সোমবার রাতেও পুলিস খবর পাওয়া মাত্রই সক্রিয় হয়। খরমুজা ঘাট এলাকায় পৌঁছে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থাপনা হিসেবে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রায়গঞ্জ থানা জানিয়েছে, ধৃতরা হল রাজু ওরফে সাবাইদুল রহমান, আক্কেল মহম্মদ, জাফর ইকবাল চৌধুরী, সৈয়দ আশরাফি, সাহের মহম্মদ, আজাদ আলি, তোফেল হোসেন, রুস্তম আলি, আফসার শেখ, ফিরোজ শেখ। ধৃতদের সকলেরই বয়স ১৮-২৩ বছরের মধ্যে। তারা হেমতাবাদ এলাকার মোহিপুর, তেঘরা, বাহারাইল, নাওদা, বাঙালবাড়ি, বাসুদেবপুর এলাকার বাসিন্দা। তাদের মধ্যে রাজুর বিরুদ্ধে আগেও পুলিসের কাছে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। জানা গিয়েছে, রায়গঞ্জ স্টেশন চত্বরে ধৃতরা দল বেঁধে একজনের জন্মদিন উপলক্ষ্যে আসে। সেখান থেকেই অহেতুক হইচই করতে করতে বাইক নিয়ে বেপরোয়া গতিতে ছুটে যায় খরমুজা ঘাটের উদ্দেশে। এদিকে পুলিস উদ্দাম বাইক চালকদের ব্যাপারে খবর পায় এবং দ্রুত মিলনপাড়া খরমুজা ঘাট সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছয়। সাদা পোশাকের পুলিস সহ রায়গঞ্জ থানার বাহিনীও সেখানে যায়। পুলিসের সঙ্গে দলটি মুখোমুখি হয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও, একংশ দমেনি। উল্টে পুলিসের সঙ্গেই তারা বচসায় জড়ায়। শেষে গ্রেপ্তারি।
রায়গঞ্জ থানা জানিয়েছে, ধৃতরা হল রাজু ওরফে সাবাইদুল রহমান, আক্কেল মহম্মদ, জাফর ইকবাল চৌধুরী, সৈয়দ আশরাফি, সাহের মহম্মদ, আজাদ আলি, তোফেল হোসেন, রুস্তম আলি, আফসার শেখ, ফিরোজ শেখ। ধৃতদের সকলেরই বয়স ১৮-২৩ বছরের মধ্যে। তারা হেমতাবাদ এলাকার মোহিপুর, তেঘরা, বাহারাইল, নাওদা, বাঙালবাড়ি, বাসুদেবপুর এলাকার বাসিন্দা। তাদের মধ্যে রাজুর বিরুদ্ধে আগেও পুলিসের কাছে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। জানা গিয়েছে, রায়গঞ্জ স্টেশন চত্বরে ধৃতরা দল বেঁধে একজনের জন্মদিন উপলক্ষ্যে আসে। সেখান থেকেই অহেতুক হইচই করতে করতে বাইক নিয়ে বেপরোয়া গতিতে ছুটে যায় খরমুজা ঘাটের উদ্দেশে। এদিকে পুলিস উদ্দাম বাইক চালকদের ব্যাপারে খবর পায় এবং দ্রুত মিলনপাড়া খরমুজা ঘাট সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছয়। সাদা পোশাকের পুলিস সহ রায়গঞ্জ থানার বাহিনীও সেখানে যায়। পুলিসের সঙ্গে দলটি মুখোমুখি হয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও, একংশ দমেনি। উল্টে পুলিসের সঙ্গেই তারা বচসায় জড়ায়। শেষে গ্রেপ্তারি।



