নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: ১৪৪ ধারা (বর্তমানে ১৬৩ বিএনএস) অগ্রাহ্য করে মেলার আসর বসেছে রায়গঞ্জের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের রামকৃষ্ণপল্লিতে। আর এই অভিযোগেই নানা মহলে দানা বেঁধেছে বিতর্ক। স্থানীয় অনেকেই বলছেন, ১৪৪ ধারা অগ্রাহ্য করে মেলা বসানোর বিষয়টিতে স্থানীয় ওয়ার্ড কোর্ডিনেটরের অসীম অধিকারীর মদত রয়েছে। তাই পুলিস, প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ করেনি। এব্যাপারে রায়গঞ্জ থানার আইসি বিশ্বাশ্রয় সরকার বলেন, যে জমি নিয়ে জটিলতা সেখানে কোনও মেলা বসেনি। তাই পুলিসি পদক্ষেপের কোনও প্রয়োজন থাকছে না।
Advertisement
যদিও রায়গঞ্জের মহকুমাশাসক কিংশুক মাইতি বলেন, সংশ্লিষ্ট জায়গা থেকে আমাদের কাছে একটি আবেদন এসেছিল। তার ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে ১৬৩ বিএনএস সংশ্লিষ্ট জমিতে জারি করা হয়। এক্ষেত্রে কোথাও নির্দেশ লঙ্ঘিত হলে পুলিসই ব্যবস্থা নিতে পারে।
এলাকার বাসিন্দা সুপর্ণা রায়ের অভিযোগ, আমাদের পরিবারের জমি রয়েছে। সেটা ৪০ বছরের আগে কেনা হয়েছিল। আমাদের ওই জমি নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরির পর প্রশাসন সহ বিভিন্ন মহলে জানাই। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও অভিযোগ করেছি। এখনও জটিলতা অব্যাহত। তাঁর দাবি, সেই কারণে কয়েকদিন আগে এসডিও কোর্ট ওই জমিতে ১৬৩ বিএনএস বা ১৪৪ ধারা লাগু করেছে। ফলে ওই জমির ২০০ মিটার চৌহদ্দির মধ্যে জমায়েত হওয়ার কথা নয়। তারপরও বিতর্কিত জমি ঘেঁষেই ব্যাপক জমায়েত করে মেলা চলছে। আমরাও মেলার বিপক্ষে নই। কিন্তু প্রশাসনের নির্দেশিকা মেনে যাতে সেটা হয়। সেটাই আমরা বলেছিলাম। কিন্তু রাস্তা বন্ধ করেই মেলা হচ্ছে।
এদিকে যে ওয়ার্ড কোঅর্ডিনেটরের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই অসীম অধিকারী বলেন, যে জমি নিয়ে বিতর্ক সেই জমি থেকে সরে মেলা করছি। ৭ বছর ধরে শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে এই মেলা এলাকায় বসে। এই মেলা স্থানীয় বাসিন্দাদের আবেগ জড়িয়ে আছে। আমরা প্রশাসনের নিয়ম অনুযায়ী বিতর্কিত জমিতে যাচ্ছি না।
এদিকে মেলার পক্ষে সওয়াল করেছেন রায়গঞ্জ পুরসভার প্রশাসক সন্দীপ বিশ্বাস। তিনি বলেন, বিতর্কিত জমির আইনের বিধিনিষেধ পুলিস-প্রশাসন বিবেচনা করবে। শহরের ওই মেলাটি একটি ঐতিহ্যবাহী মেলা। এর পিছনে মানুষের আবেগ রয়েছে।
এলাকার বাসিন্দা সুপর্ণা রায়ের অভিযোগ, আমাদের পরিবারের জমি রয়েছে। সেটা ৪০ বছরের আগে কেনা হয়েছিল। আমাদের ওই জমি নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরির পর প্রশাসন সহ বিভিন্ন মহলে জানাই। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও অভিযোগ করেছি। এখনও জটিলতা অব্যাহত। তাঁর দাবি, সেই কারণে কয়েকদিন আগে এসডিও কোর্ট ওই জমিতে ১৬৩ বিএনএস বা ১৪৪ ধারা লাগু করেছে। ফলে ওই জমির ২০০ মিটার চৌহদ্দির মধ্যে জমায়েত হওয়ার কথা নয়। তারপরও বিতর্কিত জমি ঘেঁষেই ব্যাপক জমায়েত করে মেলা চলছে। আমরাও মেলার বিপক্ষে নই। কিন্তু প্রশাসনের নির্দেশিকা মেনে যাতে সেটা হয়। সেটাই আমরা বলেছিলাম। কিন্তু রাস্তা বন্ধ করেই মেলা হচ্ছে।
এদিকে যে ওয়ার্ড কোঅর্ডিনেটরের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই অসীম অধিকারী বলেন, যে জমি নিয়ে বিতর্ক সেই জমি থেকে সরে মেলা করছি। ৭ বছর ধরে শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে এই মেলা এলাকায় বসে। এই মেলা স্থানীয় বাসিন্দাদের আবেগ জড়িয়ে আছে। আমরা প্রশাসনের নিয়ম অনুযায়ী বিতর্কিত জমিতে যাচ্ছি না।
এদিকে মেলার পক্ষে সওয়াল করেছেন রায়গঞ্জ পুরসভার প্রশাসক সন্দীপ বিশ্বাস। তিনি বলেন, বিতর্কিত জমির আইনের বিধিনিষেধ পুলিস-প্রশাসন বিবেচনা করবে। শহরের ওই মেলাটি একটি ঐতিহ্যবাহী মেলা। এর পিছনে মানুষের আবেগ রয়েছে।



