নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: ফুটবলে যোগ্য উত্তরসূরী তুলে আনতে দীর্ঘ বছর ধরেই সচেষ্ট রায়গঞ্জ টাউন ক্লাব কর্তৃপক্ষ। এবারও তাদের উদ্যোগে মঙ্গলবার টাউন ক্লাব প্রাঙ্গণে শুরু হল আইএফএ অনুমোদিত ৯১তম কুলদাকান্ত মেমোরিয়াল চ্যাম্পিয়ন শিল্ড অ্যান্ড তারাপদ মেমোরিয়াল রানার্স আপ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট। এই টুর্নামেন্ট চলবে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ইস্টবেঙ্গল সহ মোট আটটি ফুটবল টিম এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করছে।
Advertisement
টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কাতার বিশ্বকাপ প্রমোতে জাগলিং খ্যাত হাবড়ার মেয়ে বিপাশা বৈষ্ণব মন জয় করে নেন রায়গঞ্জের খেলাপ্রেমীদের। টাউন ক্লাবের সবুজ মাঠে ফুটবল মাথায়-পায়ে নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে জাগলিং করে দেখান বিপাশা। তাঁকে ঘিরে উৎসাহ উদ্দীপনা ছিল চরমে। সেলফি তোলার ধুম পড়ে যায় খেলাপ্রেমীদের মধ্যে। এতে খুশি উত্তর ২৪ পরগণার হাবড়া কলেজের কলা বিভাগের ছাত্রী বিপাশাও। তিনি বলেন, জাগলিং দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। আমি চাই আরও অনেক মেয়েই জাগলিং শিখুক।
শুধু জাগলিংয়ে স্কিল দেখিয়ে ইতিমধ্যে ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডস ও লিমকা বুক অব রেকর্ডসে নাম উঠেছে তাঁর। এবার লক্ষ্য গিনেস বুক অফ রেকর্ডসে জায়গা করে নেওয়া। পাশাপাশি জাগলিংয়ের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে যোগ দেওয়ার ইচ্ছেও প্রকাশ করেন তিনি। এদিন টুর্নামেন্টের সূচনা অনুষ্ঠানে রায়গঞ্জের মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতি ও রায়গঞ্জ পুরসভার প্রশাসক সন্দীপ বিশ্বাস, রায়গঞ্জ মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক অতনু বন্ধু লাহিড়ী সহ বহু বিশিষ্ট ও খেলাপ্রেমী মানুষজন উপস্থিত ছিলেন। সকলেই ফুটবলে নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে আসার বার্তা দেন। এতে বিশেষ অনুঘটকের কাজ করবে বিপাশার মতো নতুন প্রজন্মের জাগলাররা। রায়গঞ্জ টাউন ক্লাবের সম্পাদক অরিজিৎ ঘোষ বলেন, ইস্টবেঙ্গল ও রায়গঞ্জের তিনটি ফুটবল টিম সহ মোট আটটি টিম ঐতিহ্যবাহী এই টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছে। টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলাটি আয়োজিত হবে ২৪ ডিসেম্বর দুপুরে। এদিন মার্চপাস্ট, মশাল প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। ক্লাব প্রাঙ্গণে এদিন একটি ওপেন জিমেরও সূচনা হয়। অবসরপ্রাপ্ত ফুটবলারদের নিয়ে একটি সৌজন্যমূলক ফুটবল ম্যাচও এদিন আয়োজিত হয়।
শুধু জাগলিংয়ে স্কিল দেখিয়ে ইতিমধ্যে ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডস ও লিমকা বুক অব রেকর্ডসে নাম উঠেছে তাঁর। এবার লক্ষ্য গিনেস বুক অফ রেকর্ডসে জায়গা করে নেওয়া। পাশাপাশি জাগলিংয়ের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে যোগ দেওয়ার ইচ্ছেও প্রকাশ করেন তিনি। এদিন টুর্নামেন্টের সূচনা অনুষ্ঠানে রায়গঞ্জের মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতি ও রায়গঞ্জ পুরসভার প্রশাসক সন্দীপ বিশ্বাস, রায়গঞ্জ মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক অতনু বন্ধু লাহিড়ী সহ বহু বিশিষ্ট ও খেলাপ্রেমী মানুষজন উপস্থিত ছিলেন। সকলেই ফুটবলে নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে আসার বার্তা দেন। এতে বিশেষ অনুঘটকের কাজ করবে বিপাশার মতো নতুন প্রজন্মের জাগলাররা। রায়গঞ্জ টাউন ক্লাবের সম্পাদক অরিজিৎ ঘোষ বলেন, ইস্টবেঙ্গল ও রায়গঞ্জের তিনটি ফুটবল টিম সহ মোট আটটি টিম ঐতিহ্যবাহী এই টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছে। টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলাটি আয়োজিত হবে ২৪ ডিসেম্বর দুপুরে। এদিন মার্চপাস্ট, মশাল প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। ক্লাব প্রাঙ্গণে এদিন একটি ওপেন জিমেরও সূচনা হয়। অবসরপ্রাপ্ত ফুটবলারদের নিয়ে একটি সৌজন্যমূলক ফুটবল ম্যাচও এদিন আয়োজিত হয়।



