সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: কালীপুজোর পর ছটপুজোকে ঘিরে জোর প্রস্তুতি চলছে রায়গঞ্জে। ছটপুজো নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠকও সেরে ফেলেছে রায়গঞ্জ পুরসভা কর্তৃপক্ষ। শহরের ১২ টি জায়গায় ছটপুজোর ঘাট করা হয়েছে। তারমধ্যে কুলিক নদীর ধার দিয়ে ১০ টি ঘাট করা হয়েছে। রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের পুকুর ও সৎসঙ্গ আশ্রমের পুকুরে ঘাটেও থাকছে পুজোর ব্যবস্থা। ইতিমধ্যেই বন্দরঘাট,খরমুজা ঘাট এবং রামসীতা ঠাকুর বাড়ির ঘাট সহ অন্য ঘাটগুলিতে পরিষ্কারের কাজ শুরু করেছে পুরসভা। পুরসভার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ছটপুজোর দিন প্রতিটি ঘাটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। যে জায়গায় জলের গভীরতা থাকবে, সেখানে লাল কাপড় দিয়ে বিপদ সংকেত বোঝানো হবে। থাকবে মেডিক্যাল টিম, কাপড় বদলানোর জায়গা। প্রতিঘাটে স্বেচ্ছাসেবকও থাকবে। পুজোর সামগ্রী যাতে জলে ফেলা না হয় সেবিষয়েও পুরসভা নজরদারি চালাবে।
Advertisement
রায়গঞ্জ পুরসভার প্রশাসক সন্দীপ বিশ্বাস বলেন, ৪০ হাজারের মতো মানুষ ছট পুজোয় অংশ নেবেন বলে আমাদের ধারণা। সেইমতো নিরাপত্তার ব্যবস্থাও থাকবে। জেলা প্রশাসনের তরফে জলপথে নজরদারি চালানো হবে। মোট ৫০ জন স্বেচ্ছাসেবককে বিভিন্ন ঘাটে রাখা হবে। পুজোয় রাম সীতা ঠাকুরবাড়ি ঘাটে সবচেয়ে বেশি ভিড় হবে বলে আমরা মনে করছি। সেই মতো আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। রায়গঞ্জে ছটপুজোয় বিহারী সমাজের পাশাপাশি বাঙালি সমাজও এখন সমানতালে অংশ নেয়। ছটপুজোর বিকেল ও পরদিন সকালে ঘাটে পুণ্যার্থীদের ঢল নামে। অনেকে পুজো দেখতে ঘাটে ভিড় করেন। রায়গঞ্জের বাসিন্দা ভোলা চক্রবর্তী বলেন, এই পুজো শুধু বিহারীদের নয় বাঙালিদেরও। পুজোকে কেন্দ্র করে আনন্দে আমরাও মেতে উঠি। প্রতিবছর পুরসভার তরফ থেকে সবরকম ব্যবস্থা থাকে।



