নিজস্ব সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জে পথ দুর্ঘটনা ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা। গাড়িতে আগুন থেকে শুরু করে, পুলিসকে ঘিরে বিক্ষোভ-শুক্রবার এমনই ঘটনার সাক্ষী থাকল রায়গঞ্জ শহর। ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার সকালে। রায়গঞ্জ শহরের শিল্পীনগর এলাকায় ডাম্পারের ধাক্কায় মৃত্যু হয় এক বৃদ্ধের। গুরুতর জখম হয় তাঁর মেয়েও।
Advertisement
এই দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। উত্তেজিত জনতা ঘাতক ডাম্পারে আগুন লাগিয়ে দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে রায়গঞ্জ থানার পুলিস ও দমকল বাহিনী। কিন্তু, জনতা তাঁদেরকেও ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখায়। স্থানীয় মানুষের দাবি, মাঝেমধ্যেই শিল্পীনগর এলাকায় পথ দুর্ঘটনা ঘটে। বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চলে। কিন্তু পুলিস কোনও ব্যবস্থা নেয়না।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন সকাল ১১টা ১৫ নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। উদয়পুর এলাকার অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী সুভাষ চন্দ্র দে সরকার(৬৫) বাইকে করে মেয়ে সুস্মিতাকে নিয়ে স্থানীয় একটি নার্সিং হোমে যাচ্ছিলেন। তাঁর মেয়ে নার্সিং হোমেরই কর্মী। শিল্পীনগর এলাকায় জাতীয় সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় পিছন থেকে বাইকে ধাক্কা মারে ডাম্পারটি। দুর্ঘটনার জেরে ছিটকে পড়ে আহত হন সুস্মিতা। অন্যদিকে, সুভাষচন্দ্র দে সরকার আটকে যান ডাম্পারের চাকায়। এমনকী কিছুদূর তাঁকে টেনেও নিয়ে যায় ঘাতক ডাম্পারটি। পরে স্থানীয়দের চিৎকারে গাড়িটি দাঁড়িয়ে পড়ে ও চালক চম্পট দেয়।
বৃদ্ধ ও তাঁর মেয়ে দু'জনকেই গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নার্সিংহোমে নিয়ে যায় স্থানীয়রা। উত্তেজিত জনতা ঘাতক ডাম্পারটিতে আগুনও ধরিয়ে দেয়। পরে আগুন নিভিয়ে পুলিস গাড়িটি আটক করে। অতিরিক্ত পুলিস সুপার কুন্তল বন্দ্যোপাধ্যায় সুভাষচন্দ্র দে সরকারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। ওই এলাকায় রাস্তায় বাম্পার দেওয়া হবে ও ট্রাফিক পুলিসের কিয়স্ক বানানো হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন সকাল ১১টা ১৫ নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। উদয়পুর এলাকার অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী সুভাষ চন্দ্র দে সরকার(৬৫) বাইকে করে মেয়ে সুস্মিতাকে নিয়ে স্থানীয় একটি নার্সিং হোমে যাচ্ছিলেন। তাঁর মেয়ে নার্সিং হোমেরই কর্মী। শিল্পীনগর এলাকায় জাতীয় সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় পিছন থেকে বাইকে ধাক্কা মারে ডাম্পারটি। দুর্ঘটনার জেরে ছিটকে পড়ে আহত হন সুস্মিতা। অন্যদিকে, সুভাষচন্দ্র দে সরকার আটকে যান ডাম্পারের চাকায়। এমনকী কিছুদূর তাঁকে টেনেও নিয়ে যায় ঘাতক ডাম্পারটি। পরে স্থানীয়দের চিৎকারে গাড়িটি দাঁড়িয়ে পড়ে ও চালক চম্পট দেয়।
বৃদ্ধ ও তাঁর মেয়ে দু'জনকেই গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নার্সিংহোমে নিয়ে যায় স্থানীয়রা। উত্তেজিত জনতা ঘাতক ডাম্পারটিতে আগুনও ধরিয়ে দেয়। পরে আগুন নিভিয়ে পুলিস গাড়িটি আটক করে। অতিরিক্ত পুলিস সুপার কুন্তল বন্দ্যোপাধ্যায় সুভাষচন্দ্র দে সরকারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। ওই এলাকায় রাস্তায় বাম্পার দেওয়া হবে ও ট্রাফিক পুলিসের কিয়স্ক বানানো হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।



