নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: পুর প্রশাসন রুট নির্ধারণ সহ নানা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রচারে নামতেই, অসন্তোষ দানা বেঁধেছে টোটোচালকদের একাংশের মধ্যে। এই ইস্যুতে জেলাপ্রশাসনের মাধ্যমে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ রায়গঞ্জের শতাধিক টোটোচালক। বৃহস্পতিবার জেলাশাসক, উত্তর দিনাজপুরের পরিবহণ আধিকারিক, রায়গঞ্জের পুলিস সুপারকে তাঁরা লিখিতভাবে সমস্যার কথা জানিয়েছেন। জেলা পরিবহণ আধিকারিক সুশান্ত অধিকারী বলেন, টোটো নিয়ে আরোপিত প্রশাসনিক নানা বিধিনিষেধের বিরোধ করে একটি আবেদনপত্র এসেছে। আমরা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠাবো।
Advertisement
এদিকে আগেই রায়গঞ্জ পুর কর্তৃপক্ষ জানিয়ে রেখেছে, ১ জানুয়ারি থেকে শহরে প্রবেশ ও চলাচলের ক্ষেত্রে সকাল ৭ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত শহরের টোটো ও গ্রামের টোটো নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এই সময় জরুরি ভিত্তিতে এবং শিক্ষাক্ষেত্রে যাওয়ার জন্য গ্রামের টোটোগুলিকে ছাড় দেওয়া হবে। আবার রাত ১০ টা থেকে সকাল ৭ টা পর্যন্ত গ্রামের টোটো শহরে প্রবেশে কোনও বাধা থাকবে না।
শহরের টোটোগুলিকেও টেম্পোরারি আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিন) দেওয়ার কাজ করছে পুরসভা।
এসবের জন্য ৬০০ টাকার একটা চার্জ নেওয়া হবে টোটোচালকদের থেকে। আর এসবই মেনে নিতে পারছেন না টোটোচালকদের একাংশ।
টোটোচালক চিত্র বর্মনের বক্তব্য, আমরা প্রশাসনিক আইন মেনে ট্যাক্স, ইন্স্যুরেন্স, রেজিস্ট্রেশন ইত্যাদি বাবদ বছরে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা আরটিওতে জমা দিই। তারপরও কিছু অবৈধ টোটোর জন্য নতুন করে শহরের ও গ্রামের টোটোতে ভাগাভাগি ও পুরসভার ৬০০ টাকা ফি নেওয়ার বিষয়টি মানতে পারছি না। টোটোচালক মিন্টু শীল, বিধান সাহা বলেন, প্রশাসনের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও আমরা চিঠি দিলাম। আমরা চাই না শহরের মাত্র ছয় কিমির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে। আবার গ্রামের টোটোও শহরে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ঢুকতে পারবে না। এধরনের বিধিনিষেধ আমাদের স্বার্থ বিরোধী।
যদিও টোটোচালকদের দাবিকে পাত্তা দিতে নারাজ রায়গঞ্জ পুরসভার প্রশাসক সন্দীপ বিশ্বাস। তিনি বলেন, শুধু টোটোর জন্য শহরবাসী বিড়ম্বনাই পড়ুক, সেটা আমরা চাই না। মাত্রাতিরিক্ত টোটোর পক্ষে আমরা নই। আমরা শহরবাসীর পক্ষে। শহরবাসীর সুবিধার্থেই ১ জানুয়ারি থেকে কিছু বিধিনিষেধ জারি হবে।
শহরের টোটোগুলিকেও টেম্পোরারি আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিন) দেওয়ার কাজ করছে পুরসভা।
এসবের জন্য ৬০০ টাকার একটা চার্জ নেওয়া হবে টোটোচালকদের থেকে। আর এসবই মেনে নিতে পারছেন না টোটোচালকদের একাংশ।
টোটোচালক চিত্র বর্মনের বক্তব্য, আমরা প্রশাসনিক আইন মেনে ট্যাক্স, ইন্স্যুরেন্স, রেজিস্ট্রেশন ইত্যাদি বাবদ বছরে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা আরটিওতে জমা দিই। তারপরও কিছু অবৈধ টোটোর জন্য নতুন করে শহরের ও গ্রামের টোটোতে ভাগাভাগি ও পুরসভার ৬০০ টাকা ফি নেওয়ার বিষয়টি মানতে পারছি না। টোটোচালক মিন্টু শীল, বিধান সাহা বলেন, প্রশাসনের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও আমরা চিঠি দিলাম। আমরা চাই না শহরের মাত্র ছয় কিমির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে। আবার গ্রামের টোটোও শহরে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ঢুকতে পারবে না। এধরনের বিধিনিষেধ আমাদের স্বার্থ বিরোধী।
যদিও টোটোচালকদের দাবিকে পাত্তা দিতে নারাজ রায়গঞ্জ পুরসভার প্রশাসক সন্দীপ বিশ্বাস। তিনি বলেন, শুধু টোটোর জন্য শহরবাসী বিড়ম্বনাই পড়ুক, সেটা আমরা চাই না। মাত্রাতিরিক্ত টোটোর পক্ষে আমরা নই। আমরা শহরবাসীর পক্ষে। শহরবাসীর সুবিধার্থেই ১ জানুয়ারি থেকে কিছু বিধিনিষেধ জারি হবে।



