নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আমন ধান কাটার পর খেতে নাড়া পোড়ানো শুরু হয়েছে রায়গঞ্জ শহর লাগোয়া কমলাবাড়ি, শীতগ্রাম, পানিশালা এলাকায়। একাংশ চাষির এই কার্যকলাপের জন্য দিনেদুপুরে ছড়াচ্ছে দূষণ। জেলা কৃষি আধিকারিক প্রিয়নাথ দাস বলেন, এই মরশুমে ধান কাটার আগেই এব্যাপারে কৃষি দপ্তর থেকে লাগাতার সচেতনতা প্রচার করা হয়েছে। তারপরেও ধানগাছের অবশিষ্ট অংশ যাতে পোড়ানো না হয়, সেজন্য নজর রাখা হয়। আমরা বারবার বুঝিয়েছি নাড়া পোড়ালে শুধু দূষণ নয়, জমির উর্বরশক্তিও প্রভাবিত হয়। এখনও অনেকে দীর্ঘদিনের অভ্যেস ছাড়তে পারেননি।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কমলাবাড়ি-১ ও কমলাবাড়ি-২, বড়ুয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কয়েকটি খেতে গত কয়েকদিন দিনরাত নাড়া পোড়ানো চলছে। কুণ্ডলি পাকানো ঘন ধোঁয়ায় ভরে যাচ্ছে ওইসব এলাকা। উদয়পুর এলাকার চাষি দেবাশিষ সাহার কথায়, দু’বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছিলাম। সম্প্রতি ধান কেটে বিক্রিও করে ফেলেছি। এবার জমির কিছুটা অংশের নাড়া পোড়াতে শুরু করেছি। না হলে পরবর্তী চাষের সময় জমিতে ট্রাক্টর চালানো হলে নাড়া আটকে যায়। হারভেস্টারের সাহায্যে ধান কাটার পর প্রায় ১০ ইঞ্চি করে নাড়া থেকে যায় জমিতে। সেটা পরিষ্কারের জন্য পুড়িয়ে দেন চাষিরা। নাড়া পোড়ানো হলে কার্বন ডাই অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড মেশে পরিবেশে। সঙ্গে প্রচুর পরিমাণ কালো ছাই বাতাসে উড়তে থাকে। যা যথেষ্ট ক্ষতিকারক পরিবেশ ও সাধারণ মানুষের জন্য।



