নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিকাঠামো উন্নতির কাজ চলছে লাগাতার। তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কমছে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল থেকে রোগী রেফারের সংখ্যা।
Advertisement
মেডিক্যাল সূত্রে পাওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত চার বছরে রেফারের প্রবণতা ধাপে ধাপে তলানিতে। ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে রেফার হয়ছিল ৭.৬ শতাংশ রোগী। ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে সেই হার ছিল ৯.৩ শতাংশ। চলতি বছরে সেটাই নেমে এসেছে অর্ধেকের নীচে। গত অক্টোবরে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল থেকে ৩.৩ শতাংশ রোগী রেফার হয়েছিল। কর্তৃপক্ষের কথায়, স্বাস্থ্য ভবনের গাইডলাইন অনুযায়ী কাজ করেই এই সাফল্য। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সার্বিকভাবে রোগীরা উপকৃত হয়েছেন।
কীভাবে কমছে রেফারের সংখ্যা? মেডিক্যাল কলেজের এক আধিকারিক বলেন, মূলত লোকবলের অভাব এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত যন্ত্রপাতির সমস্যা ছিল। শূন্যপদ পূরণে জোর দেওয়া ও জেনারেল ডিউটি মেডিক্যাল অফিসারের (জিডিএমও) অভাব অনেকটাই মেটানো গিয়েছে বলে রেফারের গ্রাফ নেমেছে।
মেডিক্যালের সুপার প্রিয়ঙ্কর রায় বলেন, স্বাস্থ্য দপ্তরের গাইডলাইন অনুযায়ী জরুরি অবস্থায় যখন কোনও রোগী আসেন, গুরুত্ব দেওয়া হয় শারীরিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল অবস্থায় আনার। তারপর প্রয়োজন পড়লে রেফার। এই চিন্তাভাবনা নিয়ে কাজ করতে গিয়ে অহেতুক রেফার কমেছে। সেইসঙ্গে এবার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় চালু হয়েছে অনলাইন রেফারেল সিস্টেম। যার মাধ্যমে আপাতত মেডিক্যালের জরুরি বিভাগ থেকেই রেফার করা হবে।
মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক পুরন শর্মার কথায়, অনলাইন ব্যবস্থাপনায় রোগীর কি ধরনের চিকিৎসা প্রয়োজন, কি চিকিৎসা পেয়েছেন এধরনের তথ্য নির্দিষ্ট পোর্টালে আপলোড করা হবে। তার ভিত্তিতে কোন হাসপাতালে শয্যা খালি আছে, কোথায় সহজে পাঠানো যায় সেটাও গুরুত্ব পাবে।
পুরন জানান, জেলার ইটাহার থেকে রায়গঞ্জ মেডিক্যালের দূরত্ব কম। সেখানে সংশ্লিষ্ট রোগীকে সরাসরি রায়গঞ্জ মেডিক্যালে রেফার করা হয়। আবার ইসলামপুর বা চোপড়া থেকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ কাছে। তখন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে রেফার করা যেতে পারে। এতে চিকিৎসা পরিষেবা আরও ভালো হবে। নতুন রেফারেল সিস্টেম সুষ্ঠুভাবে যাতে পরিচালিত হয়, সেজন্য কয়েক দফায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন স্বাস্থ্য আধিকারিকরা।
কীভাবে কমছে রেফারের সংখ্যা? মেডিক্যাল কলেজের এক আধিকারিক বলেন, মূলত লোকবলের অভাব এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত যন্ত্রপাতির সমস্যা ছিল। শূন্যপদ পূরণে জোর দেওয়া ও জেনারেল ডিউটি মেডিক্যাল অফিসারের (জিডিএমও) অভাব অনেকটাই মেটানো গিয়েছে বলে রেফারের গ্রাফ নেমেছে।
মেডিক্যালের সুপার প্রিয়ঙ্কর রায় বলেন, স্বাস্থ্য দপ্তরের গাইডলাইন অনুযায়ী জরুরি অবস্থায় যখন কোনও রোগী আসেন, গুরুত্ব দেওয়া হয় শারীরিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল অবস্থায় আনার। তারপর প্রয়োজন পড়লে রেফার। এই চিন্তাভাবনা নিয়ে কাজ করতে গিয়ে অহেতুক রেফার কমেছে। সেইসঙ্গে এবার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় চালু হয়েছে অনলাইন রেফারেল সিস্টেম। যার মাধ্যমে আপাতত মেডিক্যালের জরুরি বিভাগ থেকেই রেফার করা হবে।
মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক পুরন শর্মার কথায়, অনলাইন ব্যবস্থাপনায় রোগীর কি ধরনের চিকিৎসা প্রয়োজন, কি চিকিৎসা পেয়েছেন এধরনের তথ্য নির্দিষ্ট পোর্টালে আপলোড করা হবে। তার ভিত্তিতে কোন হাসপাতালে শয্যা খালি আছে, কোথায় সহজে পাঠানো যায় সেটাও গুরুত্ব পাবে।
পুরন জানান, জেলার ইটাহার থেকে রায়গঞ্জ মেডিক্যালের দূরত্ব কম। সেখানে সংশ্লিষ্ট রোগীকে সরাসরি রায়গঞ্জ মেডিক্যালে রেফার করা হয়। আবার ইসলামপুর বা চোপড়া থেকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ কাছে। তখন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে রেফার করা যেতে পারে। এতে চিকিৎসা পরিষেবা আরও ভালো হবে। নতুন রেফারেল সিস্টেম সুষ্ঠুভাবে যাতে পরিচালিত হয়, সেজন্য কয়েক দফায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন স্বাস্থ্য আধিকারিকরা।



