নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: পাঞ্জিপাড়া বন্দি পলায়ন কাণ্ডে বড়সড় প্রভাব পড়ল রায়গঞ্জ জেলা সংশোধনাগারে। এবার সংশোধনাগারে থাকা বন্দিদের সঙ্গে নিবিড় জনসংযোগে রাখার উদ্যোগ শুরু করেছে উত্তর দিনাজপুরের দুই পুলিস জেলা। এজন্য পুলিস সম্প্রতি ‘জেল প্যারেড’ করে জেলা সংশোধনাগারে। যার মাধ্যমে সংশোধনাগারে থাকা বন্দিদের নতুন একটি ডেটা বেস তৈরি করে পুলিস। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, পুলিসের এই উদ্যোগ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। পুলিস ও গোয়েন্দাদের মতে, ভবিষ্যতে সংশোধনাগারে বসে যদি অপরাধ সংগঠিত করার চেষ্টা হয়, তার আগাম আঁচ পেতেই এই প্রচেষ্টা।
Advertisement
সংশোধনগার সূত্রে খবর, পাঞ্জিপাড়া বন্দি পলায়ন কাণ্ডের জেরেই পুলিস আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থাপনা হিসেবেই এই কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। শনিবার সংশোধনগারের বিচারাধীন বন্দিদের ‘জেল প্যারেড’ হয়। যেখানে জেলার সবকটি থানার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিল। তারা বন্দিদের সঙ্গে কথা বলে নাম, ঠিকানা সহ নানা বিষয় সম্পর্কে তথ্য নেয়। যদিও এব্যাপারে মন্তব্য করতে চাননি ইসলামপুরের পুলিস সুপার জবি থমাস। তিনি বলেন, বন্দি পলায়ন কাণ্ডের তদন্তে পুলিস তিন জনকে হেফাজতে রেখে তদন্ত প্রক্রিয়া এগচ্ছে। চলছে জিজ্ঞাসাবাদ। কিন্তু তদন্ত পর্ব নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না।
১৫ জানুয়ারি পাঞ্জিপাড়ায় পুলিসকে গুলি করে পালায় রায়গঞ্জ জেলা সংশোধনাগারের বিচারাধীন বন্দি সাজ্জাক আলম। তারপর বিস্তর ঘটনা ঘটে গিয়েছে। সাজ্জাক আলমের পুলিস এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে। আব্দুল হোসেন ওরফে আবাল সহ তার দুই শাগরেদও এখন গারদে। এমন অবস্থায় পাঞ্জিপাড়াকাণ্ডে আর কারও যোগসূত্র আছে কিনা, বিভিন্ন কল রেকর্ডিং ঘেঁটে তারই অনুসন্ধান চলছে জোরকদমে। বিভিন্ন তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
১৫ জানুয়ারি পাঞ্জিপাড়ায় পুলিসকে গুলি করে পালায় রায়গঞ্জ জেলা সংশোধনাগারের বিচারাধীন বন্দি সাজ্জাক আলম। তারপর বিস্তর ঘটনা ঘটে গিয়েছে। সাজ্জাক আলমের পুলিস এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে। আব্দুল হোসেন ওরফে আবাল সহ তার দুই শাগরেদও এখন গারদে। এমন অবস্থায় পাঞ্জিপাড়াকাণ্ডে আর কারও যোগসূত্র আছে কিনা, বিভিন্ন কল রেকর্ডিং ঘেঁটে তারই অনুসন্ধান চলছে জোরকদমে। বিভিন্ন তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



