নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: বাইকের পিছনের সিটে বসে থাকা মেয়ে বরাতজোরে বাঁচলেও পথ দুর্ঘটনায় রক্ষা পেলেন না বাইকচালক বৃদ্ধ বাবা। মেয়ের চোখের সামনে ডাম্পারের চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। রায়গঞ্জ শহরের শিল্পীনগরের এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা ডাম্পারে আগুন লাগিয়ে দেয়। পুলিসকে ঘিরে চলে বিক্ষোভ। শুক্রবার সকাল এগারোটা নাগাদ উদয়পুরের অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী সুভাষ চন্দ্র দে সরকার (৬৫) বাইকে করে মেয়ে সুস্মিতাকে নিয়ে স্থানীয় একটি নার্সিংহোমে যাচ্ছিলেন। তাঁর মেয়ে নার্সিংহোমেরই কর্মী। শিল্পীনগর এলাকায় জাতীয় সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় পিছন থেকে বাইকে ধাক্কা মারে বেপরোয়া গতিতে আসা ডাম্পারটি। রাস্তার ধারে ছিটকে পড়ে আহত হন সুস্মিতা। সুভাষ আটকে যান ডাম্পারের চাকায়। কিছুদূর তাঁকে টেনেও নিয়ে যায় ডাম্পারটি। পরে স্থানীয়দের চিৎকারে গাড়িটি দাঁড়িয়ে পড়ে ও চালক চম্পট দেয়। বৃদ্ধ ও তাঁর মেয়ে- দুজনকেই গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নার্সিংহোমে নিয়ে যান স্থানীয়রা। চিকিৎসকরা বৃদ্ধকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মেয়েটি চিকিৎসাধীন। ঘটনায় শোকস্তব্ধ মৃতের পরিবারের সদস্যরা।
Advertisement
স্থানীয় বাসিন্দা সুশান্ত মণ্ডল বলেন, প্রতিদিনের মতো এদিনও আমি দোকানে ছিলাম। ডাম্পারটি বাইককে ওভারটেক করার চেষ্টা করতে গিয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে। ডাম্পারের ধাক্কায় সুস্মিতা ফুটপাতে ছিটকে গেলেও বাইক চালক গাড়ির চাকার সঙ্গে আটকে যান। দশ থেকে বিশ হাত দূর পর্যন্ত গাড়িটি ওই অবস্থাতেই যেতে থাকে। এরপর স্থানীয়রা চিৎকার করে উঠতে গাড়িটি দাঁড়ায়। ততক্ষণে উত্তেজিত লোকজন ডাম্পার থেকে চালককে নামিয়ে মারধরও করে। কিন্তু এরই মাঝে চালক পালিয়ে যায়।
স্থানীয়দের দাবি, মাঝেমধ্যেই শিল্পীনগর এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটে। দিনরাত বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চলে। আশেপাশে ঘন জনবসতি থাকলেও পুলিস কোনও ব্যবস্থা নেয় না। যদিও পুলিসের তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়। তাদের দাবি, শেষ ছয়মাসে ওই এলাকায় কোনও বড় দুর্ঘটনা ঘটেনি। এদিনের দুর্ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক। রায়গঞ্জের অতিরিক্ত পুলিস সুপার কুন্তল বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওই এলাকায় রাস্তায় স্পিড ব্রেকার দেওয়া হবে। নজরদারির জন্য ট্রাফিক পুলিসের কিয়স্ক বানানো হবে। গাড়িচালকের খোঁজ চলছে। গাড়িটি চোপড়ার।
স্থানীয়দের দাবি, মাঝেমধ্যেই শিল্পীনগর এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটে। দিনরাত বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চলে। আশেপাশে ঘন জনবসতি থাকলেও পুলিস কোনও ব্যবস্থা নেয় না। যদিও পুলিসের তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়। তাদের দাবি, শেষ ছয়মাসে ওই এলাকায় কোনও বড় দুর্ঘটনা ঘটেনি। এদিনের দুর্ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক। রায়গঞ্জের অতিরিক্ত পুলিস সুপার কুন্তল বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওই এলাকায় রাস্তায় স্পিড ব্রেকার দেওয়া হবে। নজরদারির জন্য ট্রাফিক পুলিসের কিয়স্ক বানানো হবে। গাড়িচালকের খোঁজ চলছে। গাড়িটি চোপড়ার।



