নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: সংস্কারের অভাবে এক বছর আগে ভেঙে গিয়েছে রায়গঞ্জ দমকল কেন্দ্রের শৌচাগারের সেপটিক ট্যাঙ্ক। তার দুর্গন্ধে নাভিশ্বাস উঠছে কেন্দ্রের পাশের কলেজপাড়া বাজারের ব্যবসায়ীদের। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে, রুমাল দিয়ে নাক ও মুখ দিয়ে ঢেকে কেনাকাটা করতে হয় বাজারে আসা খরিদ্দারদের।
Advertisement
অভিযোগ, দমকল কেন্দ্রের ভাঙা সেপটিক ট্যাঙ্ক সংস্কারের জন্য বারবার কতৃপক্ষকে জানিয়েও কাজ হয়নি। মঙ্গলবারও কলেজপাড়া বাজার কমিটির সদস্যরা রায়গঞ্জ দমকল কেন্দ্রের অফিসার ইনচার্জ সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেন। দ্রুত সেপটিক ট্যাঙ্ক সংস্কার করার জন্য পুনরায় মৌখিকভাবে দাবি জানান তাঁরা। এ প্রসঙ্গে জানতে অবশ্য রায়গঞ্জ দমকলকেন্দ্রের অফিসার ইনচার্জের অফিসে গেলেও তিনি দেখা করতে চাননি। পরে দমকল বিভাগের ডিভিশনাল ফায়ার অফিসার শিবানন্দ বর্মণ বলেন, দমকল কেন্দ্র দীর্ঘসময় সংস্কার হয়নি। বহু আগে তৈরি ওই সেপটিক ট্যাঙ্কটিও একই অবস্থায় ছিল। সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে সেপটিক ট্যাঙ্কটি সংস্কারের জন্য বলা হয়েছে।
কলেজপাড়া বাজার কমিটির সম্পাদক মন্টু তালুকদার বলেন, বাজারের মাছ বাজারের একেবারে পাশেই রায়গঞ্জ দমকল কেন্দ্র। এক বছর আগে সেপটিক ট্যাঙ্কটি ভেঙে গিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ওই ভাঙা ট্যাঙ্ক থেকেই ব্যাপক দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। বাজারের মাছ বাজারের অন্তত ৩৫ জন ব্যবসায়ী দুর্গন্ধে অতিষ্ট হয়ে যাচ্ছেন। এমনকি ক্রেতারাও বাজারের এই অংশে আসছেন মুখ রুমাল দিয়ে ঢেকে। বাজারের চায়ের দোকানের কোনও ক্রেতাই আর যাচ্ছেন না। বাজারের অন্যান্য ব্যবসায়ী প্রদীপ চৌধুরী, অমিত কর, দেবাশিষ ঘোষদের দাবি, সরকারি দপ্তরে এতদিন ধরে একটা সমস্যা মেটানোর জন্য কোনও পদক্ষেপ আমরা দেখিনি। গত সপ্তাহে এ ব্যাপারে দমকল কেন্দ্রের ওসির কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলাম। সেই অভিযোগপত্রের কোনও রিসিভ কপিও আমাদের দেওয়া হয়নি।
কলেজপাড়া বাজার কমিটির সম্পাদক মন্টু তালুকদার বলেন, বাজারের মাছ বাজারের একেবারে পাশেই রায়গঞ্জ দমকল কেন্দ্র। এক বছর আগে সেপটিক ট্যাঙ্কটি ভেঙে গিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ওই ভাঙা ট্যাঙ্ক থেকেই ব্যাপক দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। বাজারের মাছ বাজারের অন্তত ৩৫ জন ব্যবসায়ী দুর্গন্ধে অতিষ্ট হয়ে যাচ্ছেন। এমনকি ক্রেতারাও বাজারের এই অংশে আসছেন মুখ রুমাল দিয়ে ঢেকে। বাজারের চায়ের দোকানের কোনও ক্রেতাই আর যাচ্ছেন না। বাজারের অন্যান্য ব্যবসায়ী প্রদীপ চৌধুরী, অমিত কর, দেবাশিষ ঘোষদের দাবি, সরকারি দপ্তরে এতদিন ধরে একটা সমস্যা মেটানোর জন্য কোনও পদক্ষেপ আমরা দেখিনি। গত সপ্তাহে এ ব্যাপারে দমকল কেন্দ্রের ওসির কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলাম। সেই অভিযোগপত্রের কোনও রিসিভ কপিও আমাদের দেওয়া হয়নি।



