নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: ক্রয়কেন্দ্রে ধলতা নিয়ে মাঝমধ্যেই কৃষকদের অসন্তোষের খবর সামনে আসে। এবার সরেজমিনে ধানক্রয়ের ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখা শুরু করল জেলা কৃষি দপ্তর। শনিবার আচমকাই রায়গঞ্জ কৃষক বাজারে হানা দেন জেলা কৃষি আধিকারিক প্রিয়নাথ দাস। কথা বলেন কৃষকদের সঙ্গে। আলোচনা হয় খাদ্য দপ্তর ও ধানক্রয়ের সঙ্গে যুক্ত রাইস মিলের প্রতিনিধির সঙ্গেও। খাদ্যদপ্তর সূত্রে খবর, এবছর ২ নভেম্বর থেকে ধান কেনা শুরু হয়েছে জেলায়। রাইস মিল কর্তৃপক্ষ, স্বনির্ভর গোষ্ঠী, খাদ্য দপ্তর ধান কিনছে বিভিন্ন জায়গা থেকে। তার মধ্যে অন্যতম রায়গঞ্জ কৃষক বাজারের কেন্দ্রটি। যেখানে কৃষকদের কেউ কেউ অভিযোগ করেন একটু বেশি ধলতা কাটা হচ্ছে। একথা শুনে প্রিয়নাথ ধানের আর্দ্রতা ও খড়কুটোর পরিমাণ যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত নেন। এক চাষির ৮ কেজি ১০০ গ্রাম ধান সংগ্রহ করে ময়লা বাছাই করান তিনি। ওই ধান ঝাড়াইয়ের পর দেখা যায় ২০০ গ্রাম ময়লা বাদ গিয়েছে। আর্দ্রতা ধরা পড়ে ১২ থেকে ১৩ শতাংশ। পরিদর্শন শেষে কৃষি আধিকারিক বলেন, ধলতা নিয়ে তেমন সমস্যা নেই। কুইন্টালে ২ থেকে ৩ কেজি ধলতা নেওয়া হচ্ছে। এই পরিমাণ ধলতা বাদ গেলেও কৃষকদেরও ধান বিক্রিতে তেমন আপত্তি নেই। দুর্গাপুর এলাকার কৃষক রেজ্জাক আলির মন্তব্য, পরে কী হবে জানি না। তবে এদিন কৃষি আধিকারিকের অভিযান চাষিদের জন্য ভালো দিক।



