সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: উত্তর দিনাজপুর জেলায় এখন ভুট্টাচাষের রমরমা। এই অর্থকরী ফসল ফলানোর দিকে ঝুঁকছেন চাষিরা। তবে এবার তাঁদের চিন্তা বাড়িয়েছে বীজের কালোবাজারি। রায়গঞ্জের পাশাপাশি হেমতাবাদ, করণদিঘি, কালিয়াগঞ্জ, গোয়ালপোখর এলাকায় ভুট্টার বীজ কিনতে গেলে প্যাকেটের নির্ধারিত দামের চেয়ে বাড়তি টাকা দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন চাষিরা।
Advertisement
রায়গঞ্জের বড়ুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বড় বড়ুয়া এলাকায় বাসিন্দা আনসারুল হক এবছর ভুট্টার চাষ করেছেন। তাঁর কথায়, রায়গঞ্জের বেশকিছু বাজারে এবং হেমতাবাদ এলাকায় ভুট্টার বীজ কিনতে দিতে হচ্ছে প্যাকেটে নির্ধারিত দামের থেকে বেশি টাকা। পি ৩৩৫৫ বীজের দাম প্যাকেটে সাতাশশো লেখা থাকলেও বাজারে চার হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রশাসনের বাজারগুলিতে অভিযান চালানো প্রয়োজন।
দীর্ঘদিন ধরে ভুট্টার চাষ করে আসছেন রায়গঞ্জের বাসিন্দা শঙ্কর মল্লিক। তাঁর মন্তব্য, এবছর ভুট্টার বীজের কালোবাজারি ব্যাপক আকার নিয়েছে। পি ৩৩৫৫ বীজের ফলন বেশি হয় বলে চাষিরা সেটাই ব্যবহার করেন। কিন্তু এই বীজ বাজারে অত্যন্ত চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য প্রজাতির বীজও বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে চাষিদের। প্রশাসন বীজ দিলেও আমরা সেসব পাইনি।
চড়া দামে বীজ বিক্রির কথা অস্বীকার করেছেন দোকানদাররা। তাঁদের দাবি, কিছু অসৎ ব্যবসায়ী সুযোগের সদ্ব্যবহার করছে। এছাড়া পি ৩৩৫৫, ৮০৫৫ এসব বীজের জোগান এবছর কম থাকায় সমস্যা তৈরি হয়েছে।
কালোবাজারির বিষয়টি নজরে রয়েছে বলে কৃষি দপ্তরের আধিকারিকরা জানান। তবে চাষিরা লিখিত অভিযোগ না করায় ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। দপ্তর সূত্রে খবর, জেলায় এবছর বিভিন্ন প্রজাতির ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ৬৩০ কেজি ভুট্টা বীজ দেওয়া হয়েছে।
তার মধ্যে রায়গঞ্জ ব্লকে ৫২৮০ কেজি। জেলা উপ কৃষি অধিকর্তা প্রিয়নাথ দাস বলেন, অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দীর্ঘদিন ধরে ভুট্টার চাষ করে আসছেন রায়গঞ্জের বাসিন্দা শঙ্কর মল্লিক। তাঁর মন্তব্য, এবছর ভুট্টার বীজের কালোবাজারি ব্যাপক আকার নিয়েছে। পি ৩৩৫৫ বীজের ফলন বেশি হয় বলে চাষিরা সেটাই ব্যবহার করেন। কিন্তু এই বীজ বাজারে অত্যন্ত চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য প্রজাতির বীজও বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে চাষিদের। প্রশাসন বীজ দিলেও আমরা সেসব পাইনি।
চড়া দামে বীজ বিক্রির কথা অস্বীকার করেছেন দোকানদাররা। তাঁদের দাবি, কিছু অসৎ ব্যবসায়ী সুযোগের সদ্ব্যবহার করছে। এছাড়া পি ৩৩৫৫, ৮০৫৫ এসব বীজের জোগান এবছর কম থাকায় সমস্যা তৈরি হয়েছে।
কালোবাজারির বিষয়টি নজরে রয়েছে বলে কৃষি দপ্তরের আধিকারিকরা জানান। তবে চাষিরা লিখিত অভিযোগ না করায় ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। দপ্তর সূত্রে খবর, জেলায় এবছর বিভিন্ন প্রজাতির ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ৬৩০ কেজি ভুট্টা বীজ দেওয়া হয়েছে।
তার মধ্যে রায়গঞ্জ ব্লকে ৫২৮০ কেজি। জেলা উপ কৃষি অধিকর্তা প্রিয়নাথ দাস বলেন, অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



