নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: ভিক্ষুকের বেশে এসে লুঠ করার অভিযোগ উঠল রায়গঞ্জের বড়ুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ছোটনারায়ণপুর এলাকায়। অভিযোগ, বাড়িতে ঢুকে একাকী গৃহবধূকে বেঁধে লুঠপাট চালায় দুই দুষ্কৃতী। তারা নগদ ৪০ হাজার টাকা ও কয়েক ভরি সোনার গয়না নিয়ে গিয়েছে বলে দাবি। রায়গঞ্জের পুলিস সুপার সানা আখতার বলেন, ঘটনাটি নিয়ে যথেষ্ট ধোঁয়াশা রয়েছে। ওই গৃহবধূ সহ পরিবারের সদস্যদের বয়ান নেওয়া হয়েছে। তাঁদের বক্তব্যে অসঙ্গতি রয়েছে। দফায় দফায় বয়ান বদলাচ্ছেন তাঁরা। পুলিস ওই অভিযোগের সারবত্তা খতিয়ে দেখছে।
Advertisement
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার দুপুরে সন্তোষ মণ্ডল, তাঁর স্ত্রী গৌরী, দুই ছেলে সঞ্জয় ও সজল সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা খেতে যান। বাড়িতে তখন একাই ছিলেন সজলের স্ত্রী বিথী।
ওইসময় দু’জন ভিক্ষুক বাড়ির দরজায় এসে হাজির হন। বিথীর দাবি, দরজা খোলা রেখেই ঘর থেকে চাল, আলু আনতে গিয়েছিলাম। তখন ওই দু’জন পিছন থেকে এসে মুখ চেপে ধরে। হাত, পা, মুখ বেঁধে দেওয়ালে মাথা ঠুকে দেয়। একটি ঘরে আমাকে আটকে রাখে। ওই সময় পাশের দুটি ঘরে থাকা আলমারি থেকে নগদ ও গয়না নিয়ে পালায় তারা। পরে খেত থেকে বাড়ির লোকজন এসে আমাকে উদ্ধার করে।
বধূর শাশুড়ি গৌরী মণ্ডল বলেন, সাত জন এই বাড়িতে থাকি। আচমকা এই ঘটনায় খুব চিন্তায় আছি। যদিও সন্দেহজনক কাউকেই দেখেননি বলে দাবি প্রতিবেশী চন্দন রাজভর, জয়ন্তী সরকারদের।
বড়ুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ভবানন্দ বর্মন বলেন, ব্যক্তিগত কাজে বাইরে ছিলাম। শনিবার সকালে লুঠের খবর পেয়ে পঞ্চায়েতের সদস্যদের ওই বাড়িতে পাঠাই। তদন্ত করে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছি পুলিসের কাছে।
ওইসময় দু’জন ভিক্ষুক বাড়ির দরজায় এসে হাজির হন। বিথীর দাবি, দরজা খোলা রেখেই ঘর থেকে চাল, আলু আনতে গিয়েছিলাম। তখন ওই দু’জন পিছন থেকে এসে মুখ চেপে ধরে। হাত, পা, মুখ বেঁধে দেওয়ালে মাথা ঠুকে দেয়। একটি ঘরে আমাকে আটকে রাখে। ওই সময় পাশের দুটি ঘরে থাকা আলমারি থেকে নগদ ও গয়না নিয়ে পালায় তারা। পরে খেত থেকে বাড়ির লোকজন এসে আমাকে উদ্ধার করে।
বধূর শাশুড়ি গৌরী মণ্ডল বলেন, সাত জন এই বাড়িতে থাকি। আচমকা এই ঘটনায় খুব চিন্তায় আছি। যদিও সন্দেহজনক কাউকেই দেখেননি বলে দাবি প্রতিবেশী চন্দন রাজভর, জয়ন্তী সরকারদের।
বড়ুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ভবানন্দ বর্মন বলেন, ব্যক্তিগত কাজে বাইরে ছিলাম। শনিবার সকালে লুঠের খবর পেয়ে পঞ্চায়েতের সদস্যদের ওই বাড়িতে পাঠাই। তদন্ত করে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছি পুলিসের কাছে।



