নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: অশীতিপর বাবার মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গেই ব্লেড দিয়ে হাতের শিরা ও গলার নলি কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা পুত্রের। ঘটনাটি রায়গঞ্জের বড়ুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের। স্থানীয় সূত্রে খবর, বছর সাতেক আগে আত্মীয় প্রতিবেশীদের নিমন্ত্রণ করে নিজেদের শ্রাদ্ধশান্তি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করে রেখেছেন তাঁরা। কারণ তাঁদের কোনও উত্তরসূরী নেই। এমন তাজ্জব ঘটনা নিয়ে তোলপাড় রায়গঞ্জজুড়ে।
Advertisement
রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজের কনসালট্যান্ট সাইকোলজিস্ট চিকিৎসক সব্যসাচী মুখোপাধ্যায় বলেন, এধরনের মানসিক রোগের ক্ষেত্রে মানুষ ইন্ট্রোভার্ট মনোভাবের হয়ে থাকে। তাঁরা সমাজে মেলামেশা করেন না। যা তাঁদের ক্রমে হতাশা ও অস্বস্তির দিকে নিয়ে যায়। যার জন্য কিছু মানুষ অযথা একাকীত্ব অনুভব করেন। তখনই এভাবে আত্মহননের পথ বেছে নেন কিছু মানুষ। এক্ষেত্রে রোগীকে রিহ্যাবে রেখে মানসিক চিকিৎসার প্রয়োজন থাকে। উল্লেখ্য, এমনই একাকীত্বের কারণে কলকাতার রবিনসন স্ট্রীটে পরিবারের সদস্যদের মৃতদেহ আগলে রাখার ঘটনা ঘটেছিল।
বৃহস্পতিবার সকালে রায়গঞ্জের বড়ুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ গোয়ালপাড়া কদমতলা এলাকায় চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে খবর, বাড়ির ভিতর থেকে উদ্ধার হয় নিমাইচন্দ্র রায় (৮৮) নামে এক বৃদ্ধের নিথর দেহ। শ্বাসকষ্টজনিত রোগের কারণে দীর্ঘদিন ধরে তিনি ভুগছিলেন। বুধবার মধ্যরাতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। আত্মীয় ও প্রতিবেশীদের অনুমান, সেই শোকেই তাঁর ৫০ বছর বয়সী ছেলে দেবাশিস রায় নিজেকে প্রাণে শেষ করে ফেলার চেষ্টা করেন। নিমাইবাবুর মৃত্যুর পরপরই দেবাশিসবাবু ব্লেড দিয়ে হাতের শিরা ও গলার নলি কাটার চেষ্টা করেন।
তবে তিনি এখন গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দেবাশিসের মাসতুতো বোন রেবা মণ্ডল জানান, দেবাশিসদার মা বহু বছর আগে মারা গিয়েছেন। তিনি বিয়ে করেননি। বাবার সঙ্গেই থাকতেন দেবাশিস। তিনতলা বাড়িতে দু’জনে থাকতেন। একাকীত্বে ভুগতে ভুগতে এই ঘটনা ঘটেছে বলে অনুমাণ দেবাশিসের বোনের।
রেবার কথায়, এদিন সকালে আমাদের এক আত্মীয় দাদার বাড়িতে খোঁজখবর নিতে যান। গিয়ে দেখেন, ঘরে ভিতর আমার দাদা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। আমার মেসো নিমাইচন্দ্র রায় মৃত অবস্থায় বাড়িতেই ছিলেন। শেষে দু’জনকেই সেখান থেকে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। মেসোর মৃত্যুর কারণ জানতে তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। দাদার চিকিৎসা চলছে।
ঘটনা প্রসঙ্গে প্রতিবেশী রথীন্দ্রনাথ রায় বলেন, দেবাশিস ও তাঁর বাবা নিমাইবাবু- কেউই পাড়ায় মেলামেশা করতেন না। তাদের বাড়ির নীচে দুটো দোকানঘর ছিল। কিন্তু সেগুলিও সম্প্রতি খুলতেন না। শুনেছি, বাবার মৃত্যুর শোকে দেবাশিস আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। রায়গঞ্জ থানার পুলিস তাঁদের বাড়ি পাহাড়া দিচ্ছে।
বৃহস্পতিবার সকালে রায়গঞ্জের বড়ুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ গোয়ালপাড়া কদমতলা এলাকায় চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে খবর, বাড়ির ভিতর থেকে উদ্ধার হয় নিমাইচন্দ্র রায় (৮৮) নামে এক বৃদ্ধের নিথর দেহ। শ্বাসকষ্টজনিত রোগের কারণে দীর্ঘদিন ধরে তিনি ভুগছিলেন। বুধবার মধ্যরাতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। আত্মীয় ও প্রতিবেশীদের অনুমান, সেই শোকেই তাঁর ৫০ বছর বয়সী ছেলে দেবাশিস রায় নিজেকে প্রাণে শেষ করে ফেলার চেষ্টা করেন। নিমাইবাবুর মৃত্যুর পরপরই দেবাশিসবাবু ব্লেড দিয়ে হাতের শিরা ও গলার নলি কাটার চেষ্টা করেন।
তবে তিনি এখন গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দেবাশিসের মাসতুতো বোন রেবা মণ্ডল জানান, দেবাশিসদার মা বহু বছর আগে মারা গিয়েছেন। তিনি বিয়ে করেননি। বাবার সঙ্গেই থাকতেন দেবাশিস। তিনতলা বাড়িতে দু’জনে থাকতেন। একাকীত্বে ভুগতে ভুগতে এই ঘটনা ঘটেছে বলে অনুমাণ দেবাশিসের বোনের।
রেবার কথায়, এদিন সকালে আমাদের এক আত্মীয় দাদার বাড়িতে খোঁজখবর নিতে যান। গিয়ে দেখেন, ঘরে ভিতর আমার দাদা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। আমার মেসো নিমাইচন্দ্র রায় মৃত অবস্থায় বাড়িতেই ছিলেন। শেষে দু’জনকেই সেখান থেকে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। মেসোর মৃত্যুর কারণ জানতে তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। দাদার চিকিৎসা চলছে।
ঘটনা প্রসঙ্গে প্রতিবেশী রথীন্দ্রনাথ রায় বলেন, দেবাশিস ও তাঁর বাবা নিমাইবাবু- কেউই পাড়ায় মেলামেশা করতেন না। তাদের বাড়ির নীচে দুটো দোকানঘর ছিল। কিন্তু সেগুলিও সম্প্রতি খুলতেন না। শুনেছি, বাবার মৃত্যুর শোকে দেবাশিস আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। রায়গঞ্জ থানার পুলিস তাঁদের বাড়ি পাহাড়া দিচ্ছে।



