সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: বর্তমানে রঘুনাথপুর শহর শিল্পশহর হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। কিন্তু এখনও শহরের নাগরিক পরিষেবা সেই তিমিরেই রয়ে গিয়েছে। ১৩৬ বছরের পুরনো একটা শহরে এখনও পর্যন্ত গাড়ি রাখার পার্কিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়নি। ফলে শহরে গাড়ি নিয়ে এলেই সাধারণ মানুষকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। হাট, বাজার থেকে শুরু করে আদালত, থানা ও মহকুমার কাজে প্রতিদিন রঘুনাথপুর শহরে কয়েক হাজার মানুষ বাইক ও চারচাকা নিয়ে আসেন। শহরে কোথায় গাড়ি পার্কিং করা হবে তাই নিয়ে নিত্য সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে ফুটপাতের উপরেই গাড়ি রাখতে হচ্ছে। আর ফুটপাতের উপর গাড়ি রাখলেই পুলিসের ঝামেলায় পড়তে হচ্ছে। পুলিসের তরফ থেকে মোটা টাকা জরিমানা নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে পুলিসের তরফ থেকে চারদিনে ১২৮টির বেশি গাড়ি আটক করে দেড় লক্ষ টাকার বেশি জরিমানা করা হয়েছে। পার্কিং জোন না করার জন্য সাধারণ মানুষকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তা নিয়ে বিরোধীরা ক্ষোভ প্রকাশও করেছে।
Advertisement
রঘুনাথপুর পুরসভার চেয়ারম্যান তরণী বাউরি বলেন, পার্কিং জোন করার জন্য চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে। পার্কিং জোনের জন্য জায়গা দেখা হবে।
প্রসঙ্গত, পুরুলিয়া জেলা তখনও গঠন হয়নি। ১৭৭৩ সালে সেই সময়কার পাঁচেট জেলার সদরের জন্য রঘুনাথপুরকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। ১৭৮৩ সালে রঘুনাথপুরে জেলার প্রাচীনতম আদালত গড়ে উঠে। আর ১৮৮৮ সালে রঘুনাথপুরকে পুরসভা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তবে তারপর থেকে শহরকে আধুনিকভাবে গড়ে তোলার প্রচুর সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু এমনটা হয়নি। পুরবাসীর একাংশের অভিযোগ, যাদের হাতে শহরকে নতুন করে গড়ে তোলার দায়িত্ব দেওয়া হয় তাঁরা উন্নয়নের অভিমুখটা তৈরি করতে পারেনি।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে পুরশহরের আয়তন প্রায় ১৩ বর্গ কিমি। মোট ১৩টি ওয়ার্ড রয়েছে। ২০২১ সালের জনগণনা অনুযায়ী শহরের জনসংখ্যা ২৫ হাজার ৯৩২ জন। কিন্তু অন্য একটি সমীক্ষা অনুযায়ী ২০১৩-১৪ সালে শহরের বসবাসকারীর সংখ্যা ছিল কমপক্ষে ৩৭ হাজার। বর্তমানে সেটি ৫০ হাজারে গিয়ে পৌঁছেছে। শহরের জনসংখ্যা, আয়তন বাড়লেও নাগরিক পরিষেবায় তেমন উন্নতি ঘটেনি বলে অভিযোগ।
বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি বাণেশ্বর মুখোপাধ্যায় বলেন, সাধারণ মানুষ যানবাহন নিয়ে এলে সমস্যায় পড়ছে। বাধ্য হয়ে রাস্তার ধারে গাড়ি পার্কিং করে রাখছে। কিন্তু রাস্তার ধারে গাড়ি পার্কিং করলেই পুলিস জরিমানা করছে। তাহলে মানুষ যাবে কোথায়? পার্কিং জোন গড়ে তোলা হোক। নয়তো পুলিস পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করুক। মানুষকে অযথা হয়রানি করে জরিমানা আদায় আমরা মানব না। প্রয়োজনে বৃহত্তর আন্দোলন হবে।
রঘুনাথপুর শহর কংগ্রেস সভাপতি তারকনাথ প্রামাণিক বলেন, এত বছরের পুরনো একটি শহরে পুরসভা পার্কিং জোন তৈরি করতে পারেনি। এটা পুরসভার ব্যর্থতা। রাস্তার উপর দিয়ে ওভারলোডেড গাড়ি গেলে পুলিসের নজর পড়ে না। অথচ কেউ একটু ফুটপাতের ধারে গাড়ি রাখলে পুলিস সচেতন না করে জরিমানা করছে।
প্রসঙ্গত, পুরুলিয়া জেলা তখনও গঠন হয়নি। ১৭৭৩ সালে সেই সময়কার পাঁচেট জেলার সদরের জন্য রঘুনাথপুরকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। ১৭৮৩ সালে রঘুনাথপুরে জেলার প্রাচীনতম আদালত গড়ে উঠে। আর ১৮৮৮ সালে রঘুনাথপুরকে পুরসভা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তবে তারপর থেকে শহরকে আধুনিকভাবে গড়ে তোলার প্রচুর সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু এমনটা হয়নি। পুরবাসীর একাংশের অভিযোগ, যাদের হাতে শহরকে নতুন করে গড়ে তোলার দায়িত্ব দেওয়া হয় তাঁরা উন্নয়নের অভিমুখটা তৈরি করতে পারেনি।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে পুরশহরের আয়তন প্রায় ১৩ বর্গ কিমি। মোট ১৩টি ওয়ার্ড রয়েছে। ২০২১ সালের জনগণনা অনুযায়ী শহরের জনসংখ্যা ২৫ হাজার ৯৩২ জন। কিন্তু অন্য একটি সমীক্ষা অনুযায়ী ২০১৩-১৪ সালে শহরের বসবাসকারীর সংখ্যা ছিল কমপক্ষে ৩৭ হাজার। বর্তমানে সেটি ৫০ হাজারে গিয়ে পৌঁছেছে। শহরের জনসংখ্যা, আয়তন বাড়লেও নাগরিক পরিষেবায় তেমন উন্নতি ঘটেনি বলে অভিযোগ।
বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি বাণেশ্বর মুখোপাধ্যায় বলেন, সাধারণ মানুষ যানবাহন নিয়ে এলে সমস্যায় পড়ছে। বাধ্য হয়ে রাস্তার ধারে গাড়ি পার্কিং করে রাখছে। কিন্তু রাস্তার ধারে গাড়ি পার্কিং করলেই পুলিস জরিমানা করছে। তাহলে মানুষ যাবে কোথায়? পার্কিং জোন গড়ে তোলা হোক। নয়তো পুলিস পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করুক। মানুষকে অযথা হয়রানি করে জরিমানা আদায় আমরা মানব না। প্রয়োজনে বৃহত্তর আন্দোলন হবে।
রঘুনাথপুর শহর কংগ্রেস সভাপতি তারকনাথ প্রামাণিক বলেন, এত বছরের পুরনো একটি শহরে পুরসভা পার্কিং জোন তৈরি করতে পারেনি। এটা পুরসভার ব্যর্থতা। রাস্তার উপর দিয়ে ওভারলোডেড গাড়ি গেলে পুলিসের নজর পড়ে না। অথচ কেউ একটু ফুটপাতের ধারে গাড়ি রাখলে পুলিস সচেতন না করে জরিমানা করছে।



